সাহিত্যে নারীর চেয়ে পুরুষ চরিত্রের সংখ্যা ৪গুণ বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গেছে।  

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার ভিটারবি স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর মায়াঙ্ক কেজরিওয়াল এবং আকর্ষ নাগরাজ এই গবেষণা করেছেন। গবেষণাটি ডাটা ইন ব্রিফ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে সাহিত্যে নারী চরিত্রের তুলনায় পুরুষ চরিত্র ৪গুণ বেশি। তবে নারীদের লেখা বইয়ে পুরুষ চরিত্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এছাড়া সাহিত্যে ট্রান্সজেন্ডার চরিত্রের সংখ্যাও অনেক কম রয়েছে।

এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ৩ হাজারের বেশি ইংরেজি সাহিত্যের বই পরীক্ষা করেছেন গবেষকরা। এগুলোর মধ্যে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য, রোম্যান্স, ছোট গল্প এমনকি কবিতার বইও রয়েছে।

সাহিত্যে কতগুলি নারী চরিত্র প্রধান চরিত্র ছিল সেটিও পরীক্ষা করেছেন গবেষকরা।

তারা দেখেছেন, নারী চরিত্রগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া নারীদের নির্বোধ এবং দুর্বল হিসেবে দেখানোর প্রবণতাও রয়েছে। অপরদিকে পুরুষ চরিত্রগুলিকে শক্তিশালী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

কেজরিওয়াল বলেন, ‘লিঙ্গ পক্ষপাত খুবই বাস্তব একটি বিষয়। যখন আমরা সাহিত্যে নারীদের ৪গুণ কম দেখি তখন মানুষের উপর এটি অসামান্য প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতিতে যে পক্ষপাতিত্ব বজায় আছে আমরা সেটাই দেখানোর চেষ্টা করেছি।’

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Leave a Reply