শাকু বললেন, আমার বিশ্বাস তিনি পারবেন। তাছাড়া আমরা পঞ্চ তার্জিনকে সহযোগিতা করব। আপনি কি ভুলে গেছেন আমাদের এখানে আসার উদ্দেশ্য?
তাগু মাথা নেড়ে বললেন, না। ভুলি নাই।
শাকু তার্জিন এবার বললেন, তাহলে চালুন। পঞ্চ তার্জিনের সঙ্গে দেখা করে আসি। তাগু তার্জিন জিহ্বা বের করে শাকু তার্জিনকে সম্মান জানালেন।
নীল ডায়েরি হাতে। আসিফ রুমের দরজা বন্ধ না করেই ঘুমিয়ে পড়লো। শাকু তার্জিন দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আসিফকে ভালোভাবে দেখে নিচ্ছেন। তাগু তার্জিন অনুচ্চস্বরে বললেন, আমরা কীভাবে ভেতরে ঢুকবো। দরজাটা এতোটাই ছোট যে আমাদের বিশালাকার দেহ ভেতরে প্রবেশ করবে না।
শাকু বললেন, চেষ্টা করে দেখি কোনোভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারি কিনা।
আসিফের রুমে প্রবেশের চেষ্টা করছেন নীলপরি অঞ্চল থেকে আসা শাকু তার্জিন এবং তাগু তার্জিন। ঘনঘন দরজা নাড়ানোর শব্দ পেয়ে আসিফের ঘুম ভেঙে গেল। সে দরজার দিকে তাকিয়ে দেখল, দুইজন দানবাকৃতির নীলবর্ণী মানুষ।
Keep reading
You reached a premium chapter. Support অনন্য কাওছার to read the rest of Chapter 13.
Conversation
(0)Log in to join the conversation.
No comments on this chapter yet.