একটি গ্রামে একটি বাড়ি ছিল। সেই বাড়িতে স্বামী এবং স্ত্রী দুজনে খুব সুখে বসবাস করত। ছেলেটির নাম ছিল আরকান আর মেয়ে—মানে তার স্ত্রীর নাম ছিল অনন্যা। ওদের এই বাড়িতে আসা মাত্র ৩ মাস হয়েছে। এটা আরকানের মা—মানে অনন্যা শাশুড়ির বাড়ি ছিল। তার শাশুড়ির মৃত্যু হওয়া মাত্র ২ মাস ১০ দিন হয়েছে।
🥶🥶🥶🥶😬😬😬।
সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু হঠাৎ! অনন্যা একদিন রাতে ঘুমানোর সময় তার পাশের রুম থেকে একটি ছোট বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়। অনন্যার স্বামী আরকান তো অফিস থেকে আজ দেরিতে ফিরবে। পুরো বাড়িতে একা একা অনন্যা এখন কী করবে, কিছুই ভেবে পাচ্ছে না।
🤨🤨
ভয়ে তার বুক কাঁপছে।অবশেষে তীব্র ভয় আর কৌতূহল চেপে অনন্যা আস্তে আস্তে, পা টিপে টিপে সেই বন্ধ রুমের দিকে এগিয়ে গেল। সে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে লক্ষ্য করে, বাচ্চাটির কান্নার আওয়াজ আর আসছে না। চারপাশটা একদম নিঝুম!সে আরও লক্ষ্য করে, জানলা দিয়ে পাশের এক বাড়ির ছাদে প্রচণ্ড আগুন জ্বলছে, আবার দপ করে নিভে যাচ্ছে! অনন্যা সেখানে আর বেশি সময় দিল না। যে বাচ্চাটি ওই রুমে ছিল, সে কি তবে... অনন্যা এই মনে করে ঘড়ির দিকে লক্ষ্য করল। রাত তখন ঠিক ১২:৩৩
🕜🕜🕜☹️
বাজে। তার স্বামী আরকানের রাত ১২:৫০-এ অফিস থেকে বাড়ি ফেরার কথা।ঠিক তখনই সদর গেটে একটা বিকট শব্দে ঠকঠক আওয়াজ হলো! বাইরে থেকে একটা ভারী গলার আওয়াজ আসে, "অনন্যা... অনন্যা, আমি এসেছি, গেট খোলো!"অনন্যা কাঁপতে কাঁপতে গিয়ে গেট খুলে দেখে—সেখানে কেউ নেই! চারপাশটা পুরো খাঁ খাঁ করছে। নিজের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই অবিশ্বাস্য ঘটনা সে কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছে না।হঠাৎ এক ঝটকায় অনন্যার ঘুম ভেঙে গেল! ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসে সে বুঝতে পারল, এতক্ষণ সে যা দেখছিল তা আসলে একটা ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্ন। তখন ঘড়িতে বাজে রাত ১:৪০। বুক ভরে শ্বাস নেওয়ার আগেই সে আবার আরকানের গলার শব্দ শুনতে পেল! ঠিক স্বপ্নের মতোই বাইরে থেকে কেউ একজন তাকে ডাকছে, "অনন্যা, গেট খোলো!"অনন্যা এবার সত্যি সত্যিই গেট খুলল। বাইরে তার স্বামী
🌃🌃😨😨😨
আরকান দাঁড়িয়ে আছে। অনন্যা তার স্বামীকে ঘরে নিয়ে এসে ড্রয়িংরুমে বসাল এবং স্বপ্নের সব ভয়ঙ্কর ঘটনা খুলে বলল। তার স্বামী তাকে সান্তনা দিয়ে বলল এটি তোমার মনের ভুল মাত্র
বন্ধুরা আপনারা যদি এয় গল্পের পর্ব ২ চান
তাহলে অপেক্ষা করুন দয়া করে। ধন্যবাদ🥺