### 🧌 রাক্ষসের সাথে পিঁপড়ার বন্ধুত্ব
এক দেশে ছিল বিশাল এক রাক্ষস। তার মাথায় বড় বড় চুল, মুখে ভয়ংকর দাঁত আর গলার আওয়াজ ছিল মেঘের গর্জনের মতো।
সবাই তাকে ভয় পেত। তাই রাক্ষসের কোনো বন্ধু ছিল না।
একদিন রাক্ষস বনের মধ্যে বসে কাঁদছিল।
হঠাৎ একটি ছোট্ট পিঁপড়া এসে বলল, — রাক্ষস ভাই, তুমি কাঁদছ কেন?
রাক্ষস বলল, — আমার কোনো বন্ধু নেই। সবাই আমাকে ভয় পায়।
পিঁপড়া হেসে বলল, — ভয় পেয়ো না। আজ থেকে আমি তোমার বন্ধু!
রাক্ষস অবাক হয়ে বলল, — তুমি এত ছোট, আর আমি এত বড়! তুমি আমার বন্ধু হবে?
পিঁপড়া বলল, — বন্ধুত্ব করতে বড় বা ছোট হতে হয় না।
সেদিন থেকে দুজনের খুব বন্ধুত্ব হয়ে গেল।
একদিন রাক্ষস বনের মধ্যে ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ তার গায়ে একটি বড় জাল আটকে গেল। সে অনেক চেষ্টা করেও বের হতে পারছিল না।
সে চিৎকার করে বলল, — বাঁচাও! কেউ আমাকে বাঁচাও!
তার চিৎকার শুনে ছোট্ট পিঁপড়া ছুটে এল। সে তার বন্ধুদের ডেকে আনল। সব পিঁপড়া মিলে জাল কাটতে শুরু করল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই রাক্ষস মুক্ত হয়ে গেল।
রাক্ষস খুশিতে বলল, — ছোট্ট বন্ধু, তুমি আমার জীবন বাঁচালে!
পিঁপড়া বলল, — বন্ধু তো বন্ধুর বিপদে পাশে থাকবেই!
সেদিন থেকে রাক্ষস আর পিঁপড়া একসঙ্গে খেলত, গল্প করত আর বনের সবাইকে সাহায্য করত।
গল্পের শিক্ষা: কাউকে ছোট মনে করতে নেই। ছোটরাও অনেক বড় উপকার করতে পারে। ❤️