অন্ধকারের মধ্যে প্রথম যে শব্দটি শোনা গেল, সেটা ছিল রাশেদের ভারী শ্বাসের শব্দ। তারপর কোথাও খুব কাছে একটি ধাতব বস্তু মেঝেতে পড়ে গড়িয়ে গেল। আরমান হাত বাড়িয়ে রাশেদকে খুঁজতে চেষ্টা করল, কিন্তু তার আঙুল শুধু ঠান্ডা মেঝে ছুঁয়ে গেল। কয়েক সেকেন্ড পর জরুরি আলো জ্বলে উঠতেই ঘরের দৃশ্যটা স্পষ্ট হলো। ড. সামিউল মেঝেতে পড়ে থাকা একটি ছোট কালো ডিভাইসের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। আর রাশেদ দাঁড়িয়ে ছিল দেয়ালের পাশে, দুই হাত মাথায়, যেন নিজের ভেতর থেকে কোনো পুরোনো শব্দকে বের করে ফেলার চেষ্টা করছে।
“রাশেদ?”
Keep reading
You reached a premium chapter. Support এম মাহফুজ সরকার to read the rest of পর্ব ২৫.
Conversation
(0)Log in to join the conversation.
No comments on this chapter yet.