
সেই যে মনের নদীতে ভাঙ্গন ধরল, সেই ভাঙ্গনে আমার সাজানো ঘর ভাসাইয়া নিয়ে গেল ওই উত্তাল ঢেউ৷ এক রাতে ঘড়ছাড়া হইলাম আমি।
তারপর তো আর মাথার উপর ছাদ পাই নাই। না পাইছি মাথা গুজবার ঠাঁই।
পথেঘাঁটে ঘুইরা বেড়াইছি। জীবনের উদ্দেশ্য বাঁইচা থাকা হইয়া গেল কিভাবে! জীবনটা তো উপভোগ করার কথা আছিল।
কিভাবে একরাতের ভাঙ্গনে আমার মনের ভেতরটা তচনচ হইয়া গেল!
নদীর পানির শব্দটা যে বড্ড ভাল লাগে আমার।
কিন্তু ওই ভাঙ্গনের ভয় যে আর ঘর সাজানোর সাহস গড়তে দেয় না। সমুদ্রের পাশে গড়া বালির প্রসাদের মত নিমিষেই সব সাহস ঢেউয়ের সাথে মিলাইয়া যায়।
পানি যে আমার অন্তরে চইলা গেছে, ভেতরটা এখন কলকল।
পুরাটাই ফাঁকা, শুধু পানি আর পানি। বাহির হইতে থইথই আওয়াজ শোনা যায়।
আমার অবশ্য তাতে কিছু যায়-আসে না। আমি দিব্যি পানির শব্দে দিন কাটাইয়া দিতাছি।