Posts

নিউজ

পুরুষদের নিয়ে লেখা বই ‘ডিয়ার মেন’

November 19, 2025

নিউজ ফ্যাক্টরি

102
View

১৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। এই দিবস উপলক্ষে ফিকশন ফ্যাক্টরির পুরুষ পাঠকদের জন্য শুভেচ্ছা। আর বিশেষ এই দিনে ভারতীয় লেখক প্রাচী গাংওয়ানির লেখা ‘ডিয়ার মেন: মাসকুলিনিটি এন্ড মডার্ণ লাভ ইন #মিটু ইন্ডিয়া’ বইটির কিছু বিষয় তুলে ধরা যাক।      

‘ডিয়ার মেন’ বইটি টক্সিক মাসকুলিনিটি কী এবং কেন এটা বন্ধ করা প্রয়োজন সেটি বুঝতে সহায়তা করবে। পৌরুষত্বের নামে সমাজে প্রচলিত যেসব ভ্রান্ত ধারণা পুরুষকে মানব থেকে দানবে পরিণত করে তাকেই টক্সিক মাসকুলিনিটি বলা যায়।  

‘ছেলেরা কাঁদে না’ মূলত এই ধারণা থেকেই টক্সিক মাসকুলিনিটির উৎপত্তি ঘটে বলে জানিয়েছেন ভারতের নয়াদিল্লির ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট আয়ুশ। তিনি বলেছেন, ‘অল্প বয়সি ছেলেদের কান্না না করতে বলা, দুর্বল না হতে বলার মাধ্যমে তাদের অনুভূতি প্রকাশে বাধা দেওয়া হয়। আর এর ফলেই পুরুষরা নিজেদের দুর্বলতা প্রকাশ করতে চান না।’  

সত্যিকারের লড়াকু পুরুষ হতে হলে তাকে রাগী হতে হবে। এটিও টক্সিক মাসকুলিনিটির আরেক রূপ। ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা আমিতাভ বচ্চনও এ ধরনের ‘এংরি ইয়াং ম্যান’ ইমেজ দিয়েই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।   

এছাড়া ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলির অসহিষ্ণুতা এবং রাগী আচরণকেও উদাহরণ হিসেবে আনা যায়। ভারতের মত পুরুষতান্ত্রিক সমাজে আশা করা হয়, পুরুষরা নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না এবং তারা মেজাজী হবেন।

এই বইতে ভারতীয় পুরুষদের মনস্তত্ত্বও পর্যালোচনা করা হয়েছে। আধুনিকতা এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে কীভাবে তারা ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছেন তা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইন ডেটিং, পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য, প্রেম, বিয়ে, এবং কেন পুরুষরা তাদের ভালোবাসার নারীকে আঘাত করে এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।   

‘ডিয়ার মেন’ ২০২১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত হয়। #মিটু আন্দোলনের সেই সময়ে ভারতীয় পুরুষরাও যেন টক্সিক মাসকুলিনিটি পরিহার করেন। নিজেদের সৎ এবং আন্তরিকভাবে তুলে ধরতে পারেন, এটিই প্রত্যাশা লেখক প্রাচী গাংওয়ানির।   

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া 

Comments

    Please login to post comment. Login