পুকুর পারে সকালবেলা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজতেছিলাম। দাঁত মাজ দেশি আর থুতু ফালাচ্ছি। পুকুরের মাছগুলো পটকা দিয়ে খেতে এসে আবার চলে যায় রিমের ছা গুলো। তখন আমার হঠাৎ খেয়াল হল কেন এনিমেরগুলো কেন মা্ছ খেতেছেনা । তিতার কারণে মাছ নিমের ছাল গলো খাচ্ছে না। তখন আমি বুঝতে পারলাম যে নিমের কত গুরুত্ব আছে। তাইনিমের রচনা নিম গাছ নিয়ে রচনা শুরু করলাম। নিম গাছ হলো আমাদের আঘাত সে ঘোড়া প্রতিটি শিকড় থেকে শুরু করে ফল পাতা মূল ডাল কাট প্রতিট কাজে আমাদের এমন কোন মূল্য নেই যে নিম গাছের প্রয়োজন হয় না। আসি আমরা নিম গাছ একটি বিচি দিয়ে মিমের চারা কিভাবে তৈরি করব। সাধারণত নিম গাছের বিচি শুকিয়ে তার বিচি ফল দিয়ে আপনি ভিজিয়ে রেখে কিছুদিন পর তিন সাতদিন পর দেখবেন অংকুর বের হয়ে গেছে। এই অংকুর মাটিতে মাটিতে বা ছোট একটা টপে মাটি দিয়ে পুঁতে রাখো। দেখবেন কিছুদিনের ভিতরে ই অংকুরিত ফলটি গাছের রূপান্তরিত হয়ে গেছে। এই ১০-১৫ দিন পর দেখবেন গাছটি ১ থেকে দেড় ফুট লম্বা হয়ে গেছে। এরপরে টপ থেকে গাছটি ইচ্ছে করলে আপনার মাটিতে নতুন করে লাগাতে পারেন। কিছুদিন সকাল-বিকেল গাছটি পানি দিলে দেখবেন গাছের পাতা গুলো বের হয়ে চতুর্দিক সরিয়ে পড়েছে।
এখন আসি আমরা নিম গাছের পাতা দিয়ে কি কি কাজ এর সুবিধা হয়। নিম গাছের পাতা অনেক ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন কোম্পানিতে আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথিক এবং কবিরাজি ও অন্যান্য আমরা এর পাতা দিয়ে বিভিন্ন ঔষধের কাজে ব্যবহার করে থাকি। বিশেষ করে নিমপাতা দিয়ে এলার্জি কাজে খুবই কার্যকরী কাজ হয়। নিম পাতা দিয়ে শুকিয়ে গুরু করে সাধারণত বিভিন্ন ঔষধ তৈরি করা হয়। এবং নিম পাতার গুঁড়ো ভিজিয়ে সকালে খেলে গায়ে চুলকানি এলার্জি দূর হয়। শরীরে বদহজম লেগে থাকলে নিমপাতা খুবই কার্যকরী এর পানি খাওয়া। অথবা নিমপাতা কাঁচা বেটে হলুদ কাঁচি হলুদ মিশিয়ে এর সাথে আপনার শরীরে লাগালে খুঁজলি পাত্রা ঘা একজিমা বিখাউজ দাউদ ইত্যাদি রোগ সেরে যায়। অথবা কাঁচা নিমপাতা যদি কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে ছোট ছোট বড়ি বানিয়ে তা যদি রোদ্রে শুকিয়ে কিছুদিন পর দু-চারটি করে প্রতিদিন খেলে আপনার শরীরের সাধারণত জ্বর কার সর্দি এলর্জি বহুৎ পুরানো রোগ সেরে উঠতে পারে। শরীরের জল বসন্ত হলে কাঁচা নিমপাতা দিয়ে তার গায়ে অনেকবার প্রলেপ দিলে চুলকানি ভাব কমে যায়। নিম পাতা বেশি খেলে আবার গ্যাস্ট্রিকেরও সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। যদি আপনি মিমের পাতা নীমের ছাল নিমের ফল। একাত্ত করে পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে একবাটি পানি দিয়ে যদি অর্ধেক পরিমাণ ফুটিয়ে নেন তাহলে ওই পানি আপনি যে কাজে ব্যবহার করবেন শরীরে জন্য তাহাই্ উপকার হবে। ব্যথা ফুলাস্থানেও ওই পানি ব্যবহার করলে বা পলেট দিলে ফুলা কমে যায়। নিম পাতার জুড়ি মেলা ভার।
আসুন আমরা নিমের ডাল দিয়ে কি কি কাজ করতে পারি দেখি। নিউ ডাল দিয়ে সাধারণত আমরা দাঁতের মেচক তৈরি করে থাকি। এ মেসওয়াক আন্তর্জাতিক মহলের সকল স্থানে নিম ডালের প্রচলন রহিয়াছে। এডাল বিভিন্ন রকমের লম্বা করে নয় ইঞ্চি ১০ ইঞ্চি 8 ইঞ্চি বিভিন্ন রকমের ডাল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বিভিন্ন দামের। মেসওয়াক দিয়ে দাঁত মাজা সুন্নত হলেও মিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে। দাঁত মজবুত এবং ঝকঝকে হয়ে থাকে। দাঁতে পাইরিয়া দূর হয় দাঁত পড়া বন্ধ করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যায়। এবং মিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে গলার সমস্যা ও সাধারণত অনেক কমে থাকে। আসুন আমরা নিম গাছের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার অভ্যাস করি। নিম গাছের ডালের মেসওয়াক অবশ্যই কুসংসার যোগ্য।
নিম গাছের ছাল দিয়ে আমরা কি কি কাজে ব্যবহার করতে পারি। সাধারণত নিম গাছের ছাল একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে এবং ঔষধি কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। নিম গাছের ছাল শুকিয়ে যদি আপনি পানিতে ভিজিয়ে সকালে সেবন করে থাকেন। তাহলে রাতের জ্বর এবং পা ঘামা হাত ঘামা দূর হয়ে থাকে যদি এর সাথে একটু মধু মিশিয়ে নেন আরো ভালো উপকার হয়। নিম গাছের ছাল যদি আপনার বাতের কোন সমস্যা থাকে বা শরীরে কোন বিচি পাসর থাকে। তাহলে মিমের ছাল ভালো করে পানিতে ফুটিয়ে নিবেন। ১ কেজি পানি ভালো করে জাল দিয়ে নিমের ছাল দিয়ে জাল দিয়ে নিতে হবে জাল দেওয়ার পরে ওই পানি যখন চারভাগে তিন ভাগ হবে তখন সেই পানিতে সরিষার তেল বা কালিজিরা তেল লাগিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানি মালিশ করলে শরীরে অনেক রোগেরই উপশম হয়। নিম গাছের ছালের বর্ণনা বলে শেষ করা যাবে না।
নিম গাছ কেটে ফেললে সাধারণত নিম গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি করে যদি আপনি সেই খাটে ঘুমান তাহলে আপনার শরীরে বাতের রোগ কম হয়ে থাকে এগুলা অনেক বহু পূর্বেই কবিরাজ গণ লিখে গিয়েছিলেন। নিম গাছের কাঠ দিয়ে অনেক ধরনের ফার্নিচার তৈরি করা হয়। ঘরে আসবাব পত্র কাজের জন্য নিম গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি করলে তাতে অনেক ফার্নিচার হয়। সাধারণত নিম গাছের কাঠের ফার্নিচার খুব দামি ও হয়। দেখতেও বার্নিশ করলে অনেক সুন্দর দেখায়।
নিম গাছের শিকড় দিয়ে আমরা কি কি কাজে ব্যবহার করতে পারি আসুন দেখি। নিম গাছের গোড়া দিয়ে আমরা বিভিন্ন ওষুধের কাজে কবিরা ব্যবহার করে থাকেন। নিম গাছের শিকড় দিয়ে নানান ধরনের কাজে ব্যবহার করে থাকি।