Posts

গল্প

অন্ধকার রাত জোনাকি জ্বলছে।কে নাচছে।

December 8, 2025

Shafin pro

19
View

শহর থেকে নানা বাড়ি যাচ্ছিলাম। রাত সকাল হতে চলল সময়ের লঞ্চ থেকে নেমে হেঁটে যাচ্ছিলাম মাটির পথ থেকে। হয়তোবা এখনো সকাল হতে আরো এক ঘন্টা বাকি আছে। তবে আজান হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি । গ্রামের মাটির রাস্তা দিয়ে চলছিলাম। ঠিক এমন সময় দেখলাম এক গাছের ঝোপে  জোনাকি জ্বলছে। দেখে খুব কৌতুহল হলো দেখার জন্য। রাস্তায় কোন মানুষ নেই শুধু আমি ব্যাগটি পিছনে করে হাটতে ছিলাম তাই আমার পরনে জিন্সের প্যান্ট পড়া আর গায়ে একটি জ্যাকেট আছে। ছাত্র মানুষ তাই টাকা-পয়সা কখনো তেমন ছিল না। বেশিরভাগ গাড়িতে লঞ্চে বাসে হাফ টিকিট দিয়ে সব সময় চলে যাচ্ছি। জীবনে থেমে নেই তাই চলছে চলছি। সাহস আমার মাটি থেকে আকাশ পর্যন্ত। ধারণা ছিল জীবনে একদিন সফল হবেই হবে। ঝোপে জোনাকি জলতে দেখে রুপে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। তাই আমার খেয়াল নেই যে এখন অনেক রাত। আমি রাস্তা থেকে নেমে ঝোপের দিকে এগিয়ে গেলাম। বর্তমান সময় হলে তো গাও সং করতো গায়ের পশম দাঁড়িয়ে যেত ভয়ে থরথর করে কাঁপতে থাকতো। অত কিছু চিন্তা করিনি তখনকার এই সময়। ঝোপের কাছে যেতে দেখি গুনগুন করে শব্দ হচ্ছে মেয়েদের। চারজন রূপবতী কন্যা সেখানে জোনাকির আলোতে তারা হেলে দুলে নাচতেছে আর গান গাইতেছে। আমি দেখে থমেরে দাঁড়িয়ে রইলাম। আমার হঠাৎ করে চিনতে হল এত রাত্রে ওরা কারা । চতুর্দিকে আমি চেয়ে দেখলাম যে আশপাশে বাড়িঘর ও নেই। তাহলে এই চারটি মেয়ে ওখানে কি করে আসলো। শহরে সাধারণত আমরা এই ধরনের লুকোচুরি খেলা করেছি বটে। চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে স্কুলের মেয়েদের দিকে তাকিয়ে দেখেছি অনেক সময় এভাবে। কিন্তু এত রাত্রে তো কখনো মেয়েদের নাচতে উঠানে আসতে দেখিনি । আমি তো এর আগেও এই রাস্তা দিয়ে অনেকবার নাানা বাড়ি চলে আসছি। কিন্তু এ ধরনের তো নাছ আমার চোখে পড়েনি কখনো। তাই আমি আস্তে আস্তে চুপিচুপি করে ঝোপের এক কোণে গিয়ে দাঁড়ালাম।। দেখতে তো মনে হয় পরীর মত। কিন্তু ওরা মেয়েরা চারজন এখানে নাচতেছে হঠাৎ করে কি আনন্দ ওদের লাগতেছে। যেহেতু অন্ধকার এরা তো তাই আমি চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম এক কোণে । হঠাৎ মশার কামড়ে এক থাপ্পড় গালে। শব্দটা ওদের কানে ঢুকে গেল। হঠাৎ ওদের নাচ আবার থেমে গেল। এই যে আমি যে ভুল করে ফেলেছি ধরা বুঝি খেয়েই যাবো এখন। বিশেষ করে গ্রামের বাড়ি এসব কান্ড করতে গেলে ধরা খেলে মার গুতায় মাপ নাই। তাছাড়া তো আমাকে এখানে কেউ চিনে না । হঠাৎ মেয়েদের নাচ থেমে যায়। ওরা বলতে লাগলো কিসের শব্দ হলো। ওদের ভিতরে একজন বলে উঠলো হয়তো গাছের উপরে পাখি পড়েছে তাই। তখনো আমি বুঝতে পারিনি যে ওরা অন্য গ্রহের মানুষ। আবার ওরা নাচতে শুরু করে দিল। আমি এবার শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ করে চুপ করে বসে পড়লাম ওদের নাক ব্যথার জন্য। কিছুক্ষণ নাচতে নাচতে দেখি ওরা একজন বড় হয় একজন ছোট হয়। আবার দেখি যে ওদের পোশাক পরিবর্তন হচ্ছে। এর আগে ছিল সাদা পোশাকে এখন দেখি লাল পোশাকে। চুলের আকার মাঝে মাঝে পরিবর্তন হচ্ছে। নাস্তা নিয়ে ওরা আবার ফলমূল খেতে শুরু করল। ভয় পাবেন না কেউ করতে গিয়ে। কারণ এখন যা বলব তা ভয় লাগতেই পারে। নাছ থামিয়ে নিয়ে একজনকে দেখি হাত লম্বা করে ফেলে। উপর থেকে খালি শূন্যের উপর দিয়ে খাবার তৈরি এনে টেবিলের উপরে রাখছে। টেবিল কোথায় পেলে এতক্ষণ পরে ‌। নাচার সময় তো টেবিল দেখি। আত্ম অস্ত্র পাখির মাংস। টেবিলের উপরে রাখতে ছে। বড় বড় মদের বোতল টেবিলের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। বিভিন্ন রকমের ফলমূল আঙ্গুর আপেল বেদানা কিসমিস টেবিলে ভরপুর হয়ে গেল। এত খাবার বা পেল কোথায় বা তৈরি করলো কোথা থেকে। চিন্তায় আমার মাথা ঘুরে গেল। ওরা যখন দাঁড়িয়ে খাচ্ছিল। সেকেন্ডের ভিতরেই মনে হয় একটি পাখির মাংস আসতো গিলে ফেলল। এসব খাবার আমাদের না হলেও দশ জনের বেশি লোক লাগতো খেতে। আর সেই খাবার ওরা চারজনে মুহুর্তের মধ্যে খেয়ে ফেলল। ব্যাপারটা আমার বুঝে উঠতে না উঠতে। ওরা নাক কনতেছে জোরে সোরে। হঠাৎ একজন বলে উঠলো এখানে তো মানুষের গন্ধ পাচ্ছি। শুনে সাথে সাথেই ওরা চারজনেই আবার নাক টানাটানি শুরু করে দিল। ওদের কথাগুলা আমি সব গান দিয়ে শুনতেছি। ওরা যা কিছু বলতেছি সবই আমার কানে আসে। এতক্ষণ দেখলাম ওদের পরীর মত রূপ চেহারা সৌন্দর্য। যা চোখে না দেখলে আপনি বর্ণনা করতে পারবেন না। ওদের নিজের চেহারাগুলো এত সুন্দর ছিল আর যখন একের পর এক ওদের পোশাক পরিশ্যোধ পরিবর্তন করতেছিল তখন দেখে খুব মনটা ভরে গেল। যখন ওরা মানুষের গন্ধ পেল তখনই ওদের চেহারা রুপ আকার আকৃতি বিভিন্ন রকম কুৎসিত হতে লাগলো। এখন এমন অবস্থায় ওদের চেহারা দেখে আমার নিজেরই ভয়ে উঠে গেল। চতুর্দিকে আমাকে খুঁজতে শুরু করলো। আমি তো চুপটি মেরে বসিয়ে রইলাম। কারন আমি এখন উঠে গেলে যে শব্দ হবে তাতে ওদের কাছে আমি ধরা পড়ে যাব। তাই গোলাম হোসেন উপায়ে নেই ভেবে চিন্তা করে আরও নিচু হয়ে বসে রইলাম। যাতে  ওরা আমাকে দেখতে না পায়। ওরা চতুর্দিকে খুঁজতে শুরু করল। এক পর  যায় গাছের কোণে এসে আমাকে ধরে ফেলল। চারজন আমার চতুর্দিকে ঘেরাও করে ফেলল। ওদের চেহারা এত বিক্ষিপ্ত যা আমি দেখে  এখন আর সহ্য করতে পারতেছি না। আমার চতুর্দিকে ওরা ঘটতছে আর ঘুরতেছে আর বড় বড় নাকের হাত দিয়ে আমাকে ভয় দেখাচ্ছে। এখন বুঝতে পারলেন তো ওরা কারা নাচ ছিল। আমাকে বলল তুমি কেন আমাদের নাচ দেখতে আসলে। তবে ওরা যতই বড় ধরনের দেখাক না কেন ওদের কথার ভঙ্গিমায় বুঝা যায় যে ওদের বয়স অনেক কম। এবং ওরা যে  স্ত্রীলিঙ্গ তা ওদের কথার ভাষাই বোঝা যায়। তবে ওরা আমাকে যেসব প্রশ্ন করতেছে তাই আমি উত্তর দিচ্ছি বাড়তি কোন কথা বলতেছি না। ওরা আমাকে বলল তুমি ওখান থেকে ওঠো। নইলে আমরা তোমাকে উঠিয়ে নিয়ে আকাশে চলে যাব। আর তুমি এপুরীতে আর আসতে পারবে না আমাদের সাহায্য ব্যতীত। তবে ওদের কথার মাইর মাইর প্যাঁচে বুঝতে পারলাম যে ওদেরকে আমাদের চাইতে কম স্মরণ শক্তি। তাই আমার সাহস বেড়েই গেল। আমি এখন উঠে দাঁড়ালাম। ওরা আমাকে জিজ্ঞেস করে তুমি কেন আমাদের নাচ দেখতে এখানে এলে। আমি বললাম দেখো তোমরা চারজন  সমবয়সী না। তারা বলল হ্যাঁ আমি বললাম তাহলে আমি তোমাদের বয়সী না। ওরা বলল কিছু কাছাকাছি। আমি বললাম কিছু কাছাকাছি মানে। ওরা আমাকে বলল। তুমি আমাদের চাইতে কিছু বড় হবে। আমি বললাম ছেলে বন্ধুরা মেয়ে বন্ধুদের চাইতে একটু বড়ই হয় মানুষের ভিতরে। ওরা বলল তুমি আমাদের ভুল বুঝেও না। কারণ তোমার মুখের ভাষা দিয়ে আমাদের বশ করতে চাইতেছে। আমরা বস হওয়ার মত নয় তোমরা এক জাতি আর আমরা এক জাতি। তাই তোমরা আমাদের শত্রু। তোমাকে আমাদের নাচ দেখার জন্য তোমার শাস্তি পেতেই হবে। আমি বললাম আমাকে শাস্তি দেওয়ার আগে তো কিছু কথা  শোনো । আমি বললাম তোমরা যদি অন্য জাতির হও। তাহলে যদি আমরা কোন অনুষ্ঠানে নাচ-গান করি। তাহলে তোমরা এসে আমাদের বিভিন্ন রকম ধোকা দাও কেন। ওরা বলল আমরা যে তোমাদের ধোকা দিই তোমরা কি আমাদের দেখেছো। আমি বললাম না দেখিনি তবে তোমরা যে আমাদের নামাজের সময় যে ব্যাঘাত ঘটাও তা আমরা বুঝতে পারি। তোমরা আমাদের বিভিন্ন রকম ভুলিয়ে-ভালিয়ে নামাজ ভুল করার জন্য সামনে থেকে পিছন থেকে বিভিন্ন রকম খারাপ মানুষিকতা সৃষ্টি করে ফেলো। নামাজের ভুল করিয়ে দাও। আমরা তো সেগুলো অনুভব করে থাকি। এভাবে বিভিন্ন কথার মার কাছে ওদেরকে আমার উপর আসক্তি করে ফেললাম। ওরা আমাদের বলল আসলে তো ঠিকই। আমরা তো তোমাদের নাচ গানের ভিতর ঢুকে পড়ি কিন্তু তোমরা আমাদের দেখনা আমরা তো তোমাদের বিভিন্ন রকম কর্মকাণ্ডের ভিতর যাতে গন্ডগোল লাগতে পারে তার সৃষ্টি করে দিয়ে আসি। তাইলে এখন বল আমি যে তোমাদের নাচ দেখতে ছিলাম তা কি আমি তোমাদের কোন ডিস্টার্ব করেছি। আমি কি তোমাদের নাচ গানের ভিতর কোন ঢিল ছুড়ে মেরেছি। না তোমারা নাচ গান করতে ছিলে আমি কি তোমাদের নাচ গানের কোন ব্যাঘাত ঘটিয়েছি কিনা বল। আমিতো জানতাম না যে তোমরা এখানে নাচ গান করতেছিলে। তারা বলল তাহলে তুমি এখানে কিভাবে কোন নোটিশে এলে। নিশ্চয়ই তুমি এটা ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছো ভালো করে সঠিক কথা বলো। এর ভিতর তিনটি মেয়ের কথায় খুব কর্কট ভাষা ছিল। কিন্তু একটি মেয়ে দেখলাম খুব শান্ত শিষ্ট বুঝিয়ে কথা বলছে। ওই চারজনের ভিতরেই ওই মেয়েটি আর তিনটি মেয়েটির চেয়ে একটু বয়সে বড় হবে। তাই আমি ওর কথার ভাব ভঙ্গিমা একটু ভালো বিদায় ওর  দিকে তাকিয়ে বেশি কথা বলি। বাকিগুলো যখন মুখ ভেংচি দেয় সেগুলো দেখলে যে কোন বাচ্চা ছেলে পিকচার দিয়ে উঠবে। তারপরও আমি ঠান্ডা মাথায় বুদ্ধি নিয়ে ওদের সাথে কথা বলে ওদেরকে আকৃষ্ট করতেছে। কপাল খারাপ হলে যা হয়। এর ভিতরে ওর মা ওদেরকে খুঁজতে বের হয়ে গেল। কিছুক্ষণের ভিতরেই হাজির হয়ে গেল আমার সামনে। আমি মানুষ দেখেই তার দাঁত খিটমিট করে যেভাবে আমার দিকে তাকালো। তাতে যে কোন ছেলে নরমাল দেখলেই প্রাণ ভরে প্রস্রাব করে দিত। আমি তখন পর্যন্ত শক্ত ছিলাম যে। যতক্ষণ ওরা চারজন আমার সাথে কথা তর্ক করছিল। কারণ দেখলাম ওই বড় মেয়েটি আমার বাস্ট হয়ে গেছে। তাই আমি এতক্ষণ সাহসী শহীদ কথা বলতেছিলাম যে ওরা আমার কিছুই করে যাবে না। কোন ক্ষতি করবে না একটু সাহস ছিল এতক্ষন। যখন ওর মা এসে হাজির হলো তখনই বালা মুসিবত শুরু হয়ে গেল। সে ওদের কাছে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে শুরু করলো এবং আমাকে নিয়ে শারলিসি শুরু হয়ে গেল। হলদিশির ভিতর দুই পক্ষ হয়ে গেল তিন বোন এক দিকে চলে গেল আর বড় বোনটি আমার পক্ষে রয়ে গেল। তিন বোন বলতেছে মা ও ছেলে খুব খারাপ আমাদের সমস্ত নাচ গান আমাদের পোশাক পরিচ্ছদ দেখে ফেলেছে আমাদের শরীর দেখে ফেলেছে ওকে ধরো ওকে বেঁধে আমাদের রাজ্যে নিয়ে চলো। ওরা আমাদের শত্রু। তাই শত্রুদের কোন ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না মা চলো  ওকে বেঁধে নিয়ে যায়। ওকে নিয়ে মারধর করলেই ওর সব কথা বের হয়ে যাবে ওর মুখ দিয়ে। মা এখন বড় বোনের কাছে জিজ্ঞেস করল তোর কি মন্তব্য। বড় বোন বলতেছে মা আমরা এই বাগানে নাছ ছিলাম গান গাচ্ছিলাম ফুর্তি করতেছিলাম তখন এই ছেলে আমাদের নাচ দেখতে এসে পরে। ওর কথা মত মনে হয় ও এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল তখন জোনাকি দেখে ও জোনাকির গাছের ডালে আসতেই আমাদের নাছ দেখে ফেলে। তবে ও আমাদের কোন ডিস্টার্ব করেনি। মা আমাদের গাঁড় উপরে কোন ঢিল ও সরেনি। বাবু কোন শব্দ করেও আমাদের ব্যাঘাত ঘটায় নি । তবে ও আমাদের নাচ দেখল কেন এই জন্য ওকে শাস্তি পেতে হবে। শুনেই তিন বোন বলল মা ও কে  তাড়াতাড়ি বেঁধে  চলো ভোর হয়ে যাচ্ছে। ভোর হয়ে গেলে সবাই রাস্তায় বেরিয়ে পড়বে তারপর ওকে আর কিছুই করতেপারবোনা আমরা। হঠাৎ আর কোন কথা নেই মা বলল কি সবাই ওকে বেধে আমাদের রাজ্যে চলো ওর বিচার সেখানেই করব। এমন সময় লরি  আনতে গিয়ে আমাকে বাধার আগেই হঠাৎ করে পাশের মসজিদে আজান ভেসে উঠলো আল্লাহু আকবার। আজান শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ওরা ভয়েকম্পিত হয়ে আমাকে ছেড়ে উড়ে চলে গেল অদৃশ্য হয়ে। আমি হাফ ছেড়ে বেঁচে গেলাম। মসজিদের আজান শুনতে শুনতে আমি রাস্তায় দিকে উঠে গেলাম। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আমার নানা বাড়ির দিকে চলতেছে। তার সাথে আমার আবারও দেখা হয়েছিল এর বাকি অংশটুকু দ্বিতীয় খন্ড তে আপনাদের বলব। (প্রথম খন্ড এখানেই শেষ করছি)

Comments

    Please login to post comment. Login

  • Shafin pro 1 month ago

    গল্প কবিতা সাধারণত আমরা অনুভব অনুভূতি দিয়ে পড়লে অনেক কিছু জানতেও শিখতে পারি উপলব্ধি করতে পারি তাই । অন্ধকার রাত জোনাকি জ্বলছে কি নাচছে গল্পটি পড়ুন এবং অন্যকে পড়ার জন্য সেই করুন ধন্যবাদ