এনি কই তুই এখনো নাস্তা রেডি হয় নাই আমার ছেলে স্কুলে যাবে তো নাকি। আর তোকে না কালকে বলছি নাস্তা যাতে নয়টার আগে রেডি থাকে তাহলেএত দেরি কেন হয় তোর।
এনি : মা আমি নাস্তা আনছি একটু অপেক্ষা করুন।
এই চাকরানি তুরে না বলছি আমাকে মা ডাকবি না এতে আমার ছেলে রা রাগ করে। তুই শুনছ না নাকি কানে।
এনি :আর বলবো না মেম। এই নিন নাস্তা। পরোটা, ডিম বাজি নুডলস আর ভাইয়ের জন্য বিরিয়ানি।
ঠিক আছে এখন এখান থেকে যা আমার ছেলেরা নাস্তা করবে তুই সামনে থাকলে তাদের খেতে অসুবিধা হবে।
জি মেম আমি চলে যাচ্চি। তারপর এনি আবার কিচেনে চলে আসে এসে হাঁসের আর মুরগির জন্য দ্বিতীয়বারের মতো খাবার রেডি করে খেতে দেয়।
ঘরে এসে দুপুরের রান্নার প্রস্তুতি নেয় কিন্তু পেটে অনেক খুদা তাই ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। তখন ডাইনিং থেকে তার মা ডাক দেয় ডাইনিং পরিষ্কার করার জন্য। তাই আর দেরি না করে ডাইনিং এ যায় গিয়ে দেখে তার জন্য কোনো খাবার অবশিষ্ট নেই যা খেয়েছে তার থেকেও বেশি অপচয় করেছে।
আর এনি এসব কিচেনে নিয়ে এই নষ্ট করা খাবার থেকে কিচুটা নুডলস খেয়ে নেয় কারণ এটা অনেক পছন্দের তার। তাই একদিন রান্না করে তাদের আগে একটু খেয়েছে বলে তাকে আর দুইদিন কিছু খেতে দেয় নি।
এখন আর আগে আগে খায় না। তখন তার বাবা তাকে ডাক দেয় তার কাপড় আয়রন করে দেবার জন্য আর বড় ভাইয়ের জুতা মুছে দেবার জন্য তখন তাদের কাজ করে আসার সময় ছোটভাই তাকে কোনো কারণ ছাড়া একটা লাঠি দিয়ে বাড়ি মারে আর সে হাতে প্রচুর ব্যাথা পায় যখন তার মায়ের কাছে বিচার দেয় মা তাকে আরো উল্টো মারে কারণ তার মায়ের কথা তার ছেলের যা ভালো লাগবে তাই করবে।
দুপুরের রান্না করতে অনেক কষ্ট হয় তার হাতের ব্যাথার জন্য কিন্তু তার কোনো ব্যাথার জ কেউ মাথা গামায় না। তাকে দুপুরে তার মা খেতে দেয় না তরকারির মধ্যে নাকি নুন বেশি হয়ে গেছে কিন্তু সে যখন দেখল নুন ঠিক আছে সে বুজল এটা মাত্র বাহানা তাকে খেতে না দেবার জন্য।
তার খুব করে মন চাচ্ছে একটু মাংস খেতে কিন্তু তাকে তারা দেয় না।
যখন সবাই খাবার শেষ করে রুমে যায় তার ঠিক কিছুক্ষন আগে তার মা রান্না ঘরের তালা মারে যাতে সে কিছু খেতে না পারে।
তাই পুকুর ধারে এসে পানির দিকে তাকিয়ে কান্না করতে থাকে তর জীবন নিয়ে আর আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে তাকে এখান থেকে বের করাব জন্য।
রাতে সে তার জন্য দেওয়া চিলেকোঠার ছোট্ট ঘরে শুয়ে কান্না করতে থাকা কারণ আজকে সারাদিন সে কিছু খেতে পারেনি। ভাইয়ের নামে বিচার দেওয়া জন্য।
এনি রাতের আধারে অনেক ভয় পায় তাই সে ছোট ছোট মোম জালায় কিন্তু আজকে তার কাছে আর মোম নেই। এগুলো তার পরিবারের সদস্য দের জন্মদিনে জালানো হয়। আবার যখন কারো কোনো অনুষ্ঠান হবে তখন পাবে সে এর আগে কাউকে বললে তাকে মার খেতে হবে তাই আর কাউকে বলে না।
বাড়ির সবার ঘরে কারেন্ট আছে শুধু তার ঘরে নাই।