আলতা পরী - ৩
ফজর তাহলে আর কি সবাই যেহেতু রাজি আমি ও রাজি, ঠিক আছে ফজর। আমি ১ মাস পরে এসে পরী কে আমার ছেলের বউ করে নিবো, কথা কিন্তু এটাই রইল,কি বলেন চাচি? হয় তোমার যা ভালো মনে হয়। হারুন তুই কী এই চিন্তা করে কথা দিলি! তোর ছেলো মতামত লাগবে না? তোর ছেলে শহর এ থেকে বড় হইছে তার ও তো মতামত আছে! ফজর আমার ছেলে কোনো মতামত নেই আমি যা বলবো ও তাই শুনবে। তুই এই নিয়ে ভাবিস না,আমি ১ মাস পরে ভালো দিন তারিখ ঠিক করে তোকে চিঠি দিয়ে যানাবো। আচ্ছা হারুন।
ফজর আমি কাল সকালে শহর এর দিকে রহনা দিবো, হারুন কাল দিন টা থেকে যা, চাচি নূরজাহান
বানু বললেন, হারুন তুই শহর থেকে আইছো দুই দিন থাকবি কাল ঢেঁকি তে কয়টা চাল দিমু আনে কয়টা বরা পিঠা বানাইয়া খাওয়াবো আনে। চাচি আত্মীয় হতে যাচ্ছি পরে এসে খাওয়া যাবে আনে।তা ছাড়া আমার ব্যবসা টা ও আমার একা দেখতে হয় কাল যেতেই হবে। আচ্ছা তোমার যা ভালো মনে হয়। থাকলে খুশি হতাম, না চাচি আসবো আনে,।
ফজর বললো, হারুন তোর ড্রাইভার কে ডাক ভাত খাবি, আমজেদ ঘরে আয় ভাত খাবি, সাহেব কাল কি শহর দিকে যাবেন?
হ্যা কাল ই যাবো, আচ্ছা। তা ভাত খেতে বস,ফজর বললো কই হাফেজা বানু ভাত দেও সবাই কে! মা সবার জন্য খাবার আনো! কই রে হাফেজা বানু,খাবার দেও, আম্মা এই নেন, পরী কই গেলি?
মা আমি পড়তে বইছি।কই? এই, এম্মে আয় হারিকেন টা লইয়া, ক্যা মা? তোর বাবা চাচা রা ভাত খাবে।
হারিকেন লাগবে ওই যাগায় আরো।ও আইতে আছি। আম্মা ভাত আর থালা গুলো দিয়ে আন আর লবন বাটি। চিংড়ি মাছ আর কদু টা নিয়ে পরী যা,তোর দাদীর পিছে। এই নে ফজর থালা আর ভাত কই রে পরী শালুন আনছো? দে এই নে। হারুন কিছু রান্না করতে পারলাম না তোর জন্য। এই গুলো রানছি এই দিয়ে খাও। চাচী এই গুলো ই ভালো লাগে শহরে মাছ মাংস খেতে খেতে আর ভালো লাগে না। হারুন কি ফজর?এটা কিন্তু আমার খ্যাতের লাউ। ও এই জন্য তো এতো মজা খা খা আমজেদ, আমজেদ মনে মনে বলে,"এ মানসের বাড়ি আইলে বোলে এইয়া দিয়ে ভাত খাওয়া দূর ও। ভাবসি দেশি মুরগী রানবে দূর ও কদু আর চিংড়ি খাও। পেটে কয়টা দিয়ে ঘুমাই।
মা পরী তোর চাচা বিছানা টা গুছিয়ে দে তো মা।
