একটা গ্রাম ছিল যেখানে ছিল দুই ভাই বোন বোনটার বিয়ে হয়ে যায়। কিন্তু অনেক দিন হয়ে গেল কোন বাচ্চা হয় না অনেক ডাক্টার ও দেখিয়েছে কিন্তু কোন লাভ হয় না। তখন মেয়েটার সামি একটা ফুট ফুটে 3 বছরের বাচ্চাকে দক্তক নেয় বাচ্চাটা দেখতে দেখতে ক্লাস 5 এ উঠে। আর তার ভিতরে মেয়েটার ভাইয়ের ও চাকরি হয়ে যায় সৌনিকের ছেলেটার নাম হেদায়ে তুল্লা।চেলে টার বয়স 24 সে কেন জানি ভাগ্নিকে অনেক পছন্দ করতে শুরু করে সে অনেক ভাবলো কিন্কু তবুও যেন সে তার বাগনিকে ভুলতে পারলো না আর হে ঐ টা কিন্তু তার নিজের ভাগনি না। সে ছিল মুসলিম তাই সে অনেক আলেমের কাছে বেপারটা জানলা আলেম বল্ল সে যদি তার নিজের ভাগ্নি না হয় তা হলে কোন সমস্যা নেই আর যদি তার বোনের দুধ না পান করে তখন সে বল্ল না সে তার বোনের দুধ পান করে নি তাকে দওক নেওয়া হয়েছিল হেদায়েতুল্লাহ নিশ্চিন্ত হোলো। সে তার বাগ্নিকে প্রচন্ড রকমের ভালবাসতো তার বাগ্নির নাম জিনিয়া ছিল তখন সে জানালো জিনিয়াকে সে তাকে ভালবাসে। ভাগ্নিটা চিল রহস্য ময়ি সে তাকে বল্ল আমি৷ রাজি তখন তারা প্রেম করতে লাগলো জিনিয়ার মতলব ভাল চিল না মনে ও টাকা নিত তবুও হেদায়েতুল্লাদ কিচ্ছু বলতো না এরকম করে 1 বছর চলে গেল হেদায়ে তুল্লাহ জানতে পারলো। জিনিয়া অন্য কর সাথে রিলেশন করে তার মাথার উপরে আকাশ বেঙ্গে পড়লো। সে জিনিয়াকে বল্ল কিন্তু সে সিকার করলো না কারণ জিনিয়াতো হেদায়েতুল্লাকে পছন্দই করতো না পরে ছেলেটা জরা জরি করে মেয়েটাকে বুলিয়ে বালিয়ে টাকার লোভ দেখিয়ে বিয়ে করে। বিয়ে করার পড়ে তারা পরিবারের লোককে জানায় না পরে মেয়েটা দেখা যায় বিয়ের পরেও অন্য চেলেদের সাথে সম্পর্ক করে পরে হেদায়ে তুল্লা জানতে পরে বাধ্য হয়ে তার পরিবারকে জানায় কিন্তু জিনিয়া সিকার করে না। পরে হেদায়ে তুল্লা কাবিন নামা দেখায় পরে সবাই বিশ্বাস করে।দও্বক নেওয়া হলেও সে চিল সবার আদরের 2 মাস পড়ে জানা যায় জিনিয়া প্রেগ্নেট পড়ে হেদায়ে তুল্লা তার বাসায় নিয়ে যায় এমন করে তারা এখন সুখে শান্তিতে আছে🥰