রোজকার মতো লাফাতে লাফাতে স্কুল থেকে আসছিলো টুকি।মেসু দাদু তার দর্জি দোকানের লাগানো কাঁচ দিয়ে ওকে দেখে সালাম দিল।টুকিও কাছে গিয়ে সালামের উত্তর দিয়ে হাসলো।দাদুও হাসলেন কিন্তু আজ অদ্ভুতভাবে ওনার সামনের একটা পরে যাওয়া দাঁত থেকে বেরিয়ে এলো কেমন চোখ ধাঁধানো আলো।টুকি অজ্ঞান হয়ে গেলো।এরপর জ্ঞান ফিরে টুকি অবাক সে যেন অনেক উপরে আর কেমন ঝুলছে।নিচে দাদু সেলাই করছে।ও নড়াচড়ার চেষ্টা করলো পারলো না কিন্তু দাদু দেখে ফেললেন ওকে।আবারো হাসলেন আর এবার দাঁতের ফাঁক থেকে দেখা গেল অদ্ভুত একটা যান্ত্রিক কিছু বেরিয়ে এলো টুকির দিকে।সেখান থেকে কেমন স্বরে বললো নড়াচড়া করোনা,শান্ত মেয়ে থেকে এখন চুপচাপ একটা সুন্দর ফ্রক হয়ে হ্যাংগারে ঝোলো!!তবে কি কাল টুকি যে পিরিচের মতো সসার দেখলো তা সত্যি ছিলো? এটা মেসু দাদু না এটা এলিয়েন?আর টুকিকে সে ফ্রক বানিয়ে হ্যাংগারে ঝুলিয়ে দিয়েছে!এভাবেই কি সে সারাজীবন ফ্রক হয়ে থাকবে নাহ এটা সে হতে দিবেই না।প্রচন্ড নড়াচড়া শুরু করলো সে।একপর্যায়ে সে মাটিতে পড়ে গেলো তারপর ই উফফ কি ব্যাথা।ব্যাথার চোটে মিষ্টি ঘুমটা ভেংগে গেলো তার।যাক বাবা এলিয়েন থেকে তো বাঁচলো।