আমার বিয়ের দশ বছর হয়ে গেলো একটা বাচ্চা হলো না।বার বার ডাক্তার দেখিয়েছি আমাদের কারো ই সমস্যা নেই কিন্তু বাচ্চা হয়না।গত দুই বছর যাবত আমরা আলাদা থাকছি ডিবোর্স হয়নি কিন্তু আমার শাশুড়ী ভাবে আমার সমস্যা উঠতে বসতে কথা শুনায়।এতো কথা নিতে না পেরে আমি আলাদা হয়ে গেছি কিন্তু আমার স্বামী সোহাগ মাঝেমধ্যে আসে এই বাসায়, আমাদের মধ্যে এতো ঝামেলা নেই রাগ করে আমি ই চলে আসছিকিন্তু মনের মধ্য আসলে কোন শান্তি পাচ্ছিনা,তারপরো মনের শান্তির জন্য আলাদা থাকা। আজকে সোহাগ আসবে প্রতি বৃহস্পতিবার সোহাগ আসে আমার কাছে, আমরা দুইজন ঘুরে বেড়াই।সেদিন ও যথারীতি আসল,আমি নীল একটা শাড়ি পড়ে রেডি হয়ে থাকলাম ও আমার জন্য বেলি ফুল নিয়া আসলো,তারপর রাস্তার পাশে হাত ধরে হাটতে লাগলাম, আজ আমরা একটা ইয়াতীম খানায় যাবো ওখান থেকে একটা বাচ্চা দত্তক নিবো কথা বলে রেখেছি আগেই, গিয়ে দশটা বাচ্চা কে দেখলাম। মনে হচ্ছিলো সবাই কে নিয়ে আসি, যদি সুযোগ থাকতো বা পারতাম সবাই কে এনে নিজের কাছে রাখতাম।কিন্তু আমরা নিলাম এক কোনায় ছোট্ট একটি মেয়ে বসে ছিলো ওকে দেখে খুব মায়া হলো, ওকেই নিলাম। ওর নাম দিলাম অবনী। এতো মিষ্টি করে হাসে মেয়েটাও হাসলে মনে হয় সব কষ্ট উদাও হয়ে যায়। কারো চাহনি এতো সুন্দর হতে পারে আগে জানা ছিলো না।আজ আমরা দুইবছর পর এক সাথে বাসায় ফিরব। এখন থেকে আমরা অবনী কে নিয়ে এক বাসায় থাকবো।