আড়াল হতে কত হেরি তাহারে,
না জানি কবে হায় ঠাহরিতে পারে!
চরম লাজে হেরিয়া তাহার নন্দিত রূপ,
হৃদয় মোর হইয়াছে স্পন্দিত কূপ।
চোখে তাহার চন্দ্রিমা করে ঝলমল,
হেরিয়া বদন মোর দোলে টলমল।
চন্দ্রপটে অবতরণ ললাটে মোর নাই,
প্রত্যাবর্তন অসম্ভব পড়িয়া যদি যাই।
ললাটে কভু স্থান করে কৃষ্ণতিলক,
তিলকে বিলীন হয় মোর কৃষ্ণক।
শ্যামললক দোলে স্কন্ধৌ তটে,
রূপ খানি তাহাতেই উছলিয়া উঠে।
পড়িলে তাহার রূপ একেলা আনমনে,
ঠোঁটদয় নৃত্য ধরে প্রতিক্ষণে ক্ষনে।
স্বয়ংবরা দেখিয়াও মিলন বেলা,
তদাবিষ্ট না হইল মোর সচ্ছ ভেলা!
দক্ষিণা বাতাস মোর মনস পালে,
মনমাঝি পাল লয়ে ভাসিয়া চলে।
নদী-ধারায় ইহকাল চলিয়া বয়ে,
হইব বিলীন নদে মরীচিকা লয়ে।
যমুনার জল নামে আপন তালে তালে,
নদী মোর শুকাইবে নির্মহ শীতকালে।