মিথিলা। আদর করে ডাকতাম মিথু বলে।
প্রথম যেদিন দেখা- হিজাবের ভেতর দিয়ে একটা মুখ, মায়াবী। দেখলে মনে হবে সহস্র আলোর প্রভা সেখানে এক হয়েছে। মনে ধরলো খুব। খুব সকাল ছিল সেদিন। আগে ফোনে কথা হয়েছে। দেখা এই প্রথম। কী করবো ভেবে না পেয়ে ভাবলাম, রিকশা রাইড দেই। শহরের চা বিক্রেতারা মাত্র জেগে উঠছে। আর তেমন কেউ নাই। একটা ফাকা রিকশা নিলাম। মাত্র ৩ মাসের কথা। ফর্মাল আলাপ-ই বেশি।
প্রথমদিন। ভাবলাম, একটু লাজুক থাকবো। কথা বলবো কম। ও তাই। একটা রিকশা নিলাম ১০০ টাকা ভাড়ায়। ধানমন্ডি যাবো। বললাম- চলো, যাই। বলল- কই? বললাম- যেদিকে মন চায়। কথা বাড়ালো না। রিকশাটা চাপা। প্রথম দেখা, আগেই বলেছি। ও একটু ইতস্তত। আমিও। বললাম- আরেহ, তুমি কি লজ্জা পাইতেছ? বলল- কিছুটা। আজকেই দেখা হইল। রিকশায় চড়তেছি এর মধ্যে। বললাম- আগে তুমি ওঠ। বলল- না, তুমি ওঠ। আমি আগে গিয়া বসলাম। ও এরপর উঠলো। উঠতে গিয়েই প্রথম ধাক্কাটা খেলাম। ওর মাথার সাথে। বললো- ইস, লাগছে তোমার। বললাম- একটু। বলল- দাঁড়াও, ভাপ দিয়ে দেই। বলে ওড়নাটা উঠাইলো।
দুষ্ট চোখ। প্রথমেই গেল বুকের দিকে। ও বুঝলো মনে হয়। চোখ নামাইলাম। বলল- কী দেখলা? বললাম- জানিনাহ। রিকশা ছেড়ে দিল। চলতেছে। একটু একটু ফ্রি হইতেছে দুজনেই। আঘাতটা পেয়ে ভালো হইলো। আরেকটু ফ্রি হইলাম। দেখলাম- ও ঘামাইতেছে খুব। বললাম- কী হইছে? বলল- শক্ত শক্ত লাগে এইটা কী? বললাম- খাচ বাংলায় বলবো নাকি প্রমিত ভাষায়? বলল- তোমার ইচ্ছা। বললাম- এইটা হইল ফোন। বলল- কী রকম ফোন দেখি? বললাম- ধরে দেখবা? বলল- হু। বললাম- চোখ বন্ধ করো। ও চোখ বন্ধ করল। আমি একটা হাত নিয়ে যে পকেটে ফোন সেখানে দিলাম। হঠাত কী হইলো জানি না ও ফোন রাইখা ঠিক ধোনের উপর হাত রাখল। বলল- ওরে বাবা! কী এইটা? বললাম- সাপ। গর্তে ঢুকবে। বলল- আজকেই? বললাম- নাহ, একটু গভীরতা বুইঝা নেই। এমন সময় রিকশা স্পিড ব্রেকারে ধাক্কা খাইলো।
মিথিলার হাত আমার ধোনের উপর ছিল। ও সরাইয়া ফেলল। কিছুক্ষণ দুজনই চুপচাপ। এরপর একটা রেস্ট্রুরেন্টে ঢুকলাম। দেখি ও ঘামাইতেছে প্রচুর। বললাম- কী হইছে? বললো- জানি না। দুজন পাশাপাশি বসে আছি। হঠাত ও বলল- একটু ধরতে দিবা? বললাম- কী? বলল- সাপ। বললাম- উহু। একটা শর্ত আছে। বলল- কী? বললাম- গর্তের গভীরতা মাপতে দিবা? বলল- ইচ্ছা তোমার। বলে চোখ বন্ধ করলো। আর বলল- শোনো, গুতা দিবানা কিন্তু। বললাম- আচ্ছা। আমি কী করবো বুঝতে পারলাম না। সংকোচ লাগতেছিল।
কিন্তু কিচ্ছু করার নাই। প্রথমে ওর পিঠে হাত দিলাম। দেখলাম- বোরকা টাইপ পোশাকের নিচে শুধু ব্রা। বললাম- আর কিচ্ছু পর নাই? বলল- নাহ। তাড়াহুড়ো করে আসছি। হোস্টেলের সবাই ঘুমায়। বললাম- আচ্ছা। এরপর হাত নিয়ে পেটে রাখলাম। ঠান্ডা। পেটে দুইটা চাপ দিয়ে পায়জামার উপর দিয়েই ভ্যাজাইনায় হাত দিলাম। খসখসে। বললাম- এগুলা কী? বলল- ঘাস উঠছে। বললাম- এত ঘন ক্যান? বলল- পরীক্ষা। কাটার টাইম পাই নাই। দেখলাম ভোদা ভিজে গেছে।
আমি পাজামার উপর দিয়ে ঘষতেছি, ঘষতেছি। হঠাত টের পাইলাম অনেক বড় গর্ত। বললাম- একটা সত্যি কথা বলবা? ও বললো- কী? বললাম- এই গর্তে আর কোনো সাপ ঢুকছে? ও বলল- জানিনাহ। যা করতে ছিলা করো। আমি ততক্ষণে ফিতা খুলে ফেলছি। গোলাপি একটা পেন্টি পরা। পেন্টির উপর ফুল আঁকা। ভিজে গেছে।
বললাম- কিস করি? বলল- উঁহু। বললাম- কেন? বললো- তুমি ভুলে গেছ, রাজীবের সঙ্গে আমার ডিভোর্স এখনও হয় নাই।