দু'জনের মাঝখানে তখন আর কোনো প্রশ্ন ছিল না __ ছিল একটা গভীর বিশ্বাস।।
সেই বিশ্বাসটা কোনো ঘোষণা থেকে আসেনি ।
আসেনি কোনো প্রতিশ্রুতি থেকেও,,, সেটা গড়ে ওঠেছে __ দুজোড়া চোখের চাহনিতে।।
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছিল।
গ্ৰামের রাস্তা তখন অদ্ভুত শান্ত।
পাশের পুকুরে আলো ভেঙে পড়ছে।
দূরে কোথাও পাখিদের নীড়ে ফেরার কিচিরমিচির শব্দ।
পদ্ম ধীরে হাঁটছিল,, পলাশ ঠিক তার পাশাপাশি 💓 💓
পুকুর পাড়ে এসে দু'জন বসে আছে।
পদ্মের পা দুটো জলে নামিয়ে মৃদু হাসলো,, যেন
প্রকৃতির সাথে নিজের ভেতর আগলে রাখা অনুভূতির জানান দিচ্ছে।।
আর পলাশ তার পাশে বসে তাকিয়ে তাকিয়ে সেটা উপভোগ করছে।
হালকা বাতাস বইছে,, পদ্মের চুল গুলো কিছুটা এলোমেলো হয়ে মুখের দিকে নেমে এসেছে।
পলাশ আলতো ভাবে দুই হাত দিয়ে চুল গুলো সরিয়ে দিল।
পদ্ম ভীষণ লজ্জা পেল আর মাথাটা নিচু করে ফেলল কিন্তু ভেতরে কেমন একটা মাতাল হাওয়া বইছে।
মূহুর্ত টা খুব বেশি বড় না কিন্তু দু'জনেই জানে,, কাছে আসার জন্য এতো টুকুই যথেষ্ট 💖💖
চারিদিকে অন্ধকার আর নীরব।
তবু দু'জনের ভিতরে একটা মৃদু আলো জ্বলে উঠলো।।
কিছুক্ষণ পর পদ্ম বলে “” বাড়ি ফেরার সময় হয়েছে।
পলাশ:"" যদি না যেতে দেই?
পদ্ম::"এখন না ফিরলে সবাই চিন্তা করবে।
পলাশ কিছু সময় অপলক দৃষ্টিতে পদ্মের দিকে তাকিয়ে থাকে।
হয়তো আরো কিছু সময় একসাথে থাকতে চাইছে কিন্তু সেই সময়টা আর নেই।
সত্যি এবার বাড়ি ফেরার সময় হয়ে গেছে।
পলাশ বলল চলুন আপনাকে এগিয়ে দিয়ে আসি।
এরপর পলাশ পদ্মকে বাড়ির সামনে এগিয়ে দেয়।
পদ্ম একবার পলাশের দিকে তাকিয়ে আবার চোখ নামিয়ে নিল।
পদ্ম:""আসছি,
পলাশ:""সাবধানে,,,।
পদ্ম মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়ে বলল __
যতক্ষণ আপনি পাশে আছেন আর ভয় পাবো না।
পলাশ বুঝে ফেলেছে _ এই উওর টাই সব থেকে বেশি ভরসার,,,,,,, চলবে 💫 💫