গ্রামের শেষ মাথায় ছিল একটি পুরোনো স্কুলঘর। সবাই বলত, রাত হলে সেখানে অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়। কেউ সাহস করে কাছে যেত না।
একদিন রাফি আর তার দুই বন্ধু—সজিব ও নীলা—ঠিক করল রহস্যটা নিজেরাই জানবে।
পূর্ণিমার রাত। হাতে টর্চ নিয়ে তারা স্কুলঘরের দিকে এগোল। হঠাৎ ভেতর থেকে খটখট শব্দ!
নীলা ভয় পেয়ে ফিসফিস করে বলল,
— “চলো ফিরে যাই…”
কিন্তু তখনই দরজাটা নিজে থেকেই খুলে গেল!
ভেতরে ঢুকতেই টর্চের আলোয় তারা দেখল—মেঝেতে পুরোনো বই আর দেয়ালে লেখা,
“যে ভয় পায়, সে বাঁচে না।”
হঠাৎ জানালা বন্ধ হয়ে গেল জোরে শব্দ করে! বাতাস ঠান্ডা হয়ে উঠল।
ঠিক তখনই পেছন থেকে কেউ বলল,
— “এত রাতে এখানে কী করছ?”
তিনজন ঘুরে দাঁড়াতেই দেখল—একজন বয়স্ক মানুষ, স্কুলের পুরোনো পাহারাদার!
সে হেসে বলল,
— “এই স্কুলে কেউ ভূত নেই। আমি ইচ্ছে করেই শব্দ করি, যেন বাচ্চারা রাতে এখানে না আসে।”
তিনজন হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।
ভয় ছিল, কিন্তু রহস্যের সমাধানও হয়ে গেল।
সেই রাতের পর আর কেউ অকারণে ভয় পায়নি।
161
View