Posts

চিন্তা

সিনেমা এবং জীবন

February 1, 2026

Onuvob Ahmed

22
View

যেসকল পরিবারে সন্তানেরা প্রয়োজনীয়
ভালোবাসা,মনোযোগ,সহানূভুতি পায়না,সেইসব সন্তানেরাই বড় হয়ে বাইরে গিয়ে ভুল মানুষদের সাথে বন্ধুত্ব করে।ভুল মানুষের প্রেমে পরে।

তাদের ইমোশনাল গ্রাউন্ড এতোই নাজুক থাকে,সামান্য মনোযোগ,সামান্য স্নেহেই এরা জড়িয়ে যায়,বিশ্বাস করে।তারপর আবার আঘাত পায়।শেখে হয়তো অনেক কিছু কিন্তু দহনের ভেতর দিয়ে সেই পথ পার করতে হয় অনেক।
কেবল ভেতরটা ফাঁকা বলেই,এই নিষ্ঠুর জগৎ আরও রূঢ় হয়ে তার স্বার্থ সিদ্ধি করে নেয় এদের মধ্য দিয়েই।

দ্য গার্লফ্রেন্ড সিনেমাটা দেখতে দেখতে আমার তাই মনে হচ্ছিলো।
ভুমা যখন ছোট্ট তখন তার খালার বাসায় গিয়ে থাকবার অপরাধে তার পিতা তার উপর অভিমান দেখিয়ে তাকে না খাইয়ে ঘুমাতে যেতে দেন।অপরাধবোধ করানোর জন্য দুটো কথা শোনাতেও ছাড়েন না।
বেশিরভাগ বাবা-মা'ই সম্ভবত এই কাজ করেন।সন্তান মানুষ করতে যে দুর্গমদিন তারা পার করেন,পরবর্তীতে সেটাই সন্তানের কাঁধে চাপিয়ে দেন নানান কথার ভারে।সে যাই হোক।
দৃশ্যটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে সেই শিশু মানসে সেটা এক দীর্ঘস্থায়ী দাগে পরিণত হয়।ভুমা শেখে মন যুগিয়ে চলা।ফলস্বরূপ নিজের অনুভূতির কথা,আবেগের কথা,চাওয়া না পাওয়ার কথাটুকু সে আর বলতে পারেনা।
কেউ তার প্রতি মায়া দেখালে,সে তাকে তার অস্বস্তির কথা বলতে পারেনা।তার সংকোচ হয়।
তাকে তাড়া করে আপনজনের মনোযোগ না পাওয়ার ভয়,ছেড়ে যাবার ক্ষয়।

কারও সামান্য মনোযোগে সে নিজেকে এক্সপ্লোয়েট হতে দেয় নিজেকে।আর নিজের জালে নিজেই জড়াতে থাকে।

দিনশেষে তাকে দিয়ে অন্যের উদ্দ্যেশ্যই সাধন হয়,নানান টক্সিক ট্রেইটের প্রপ্স হয়,তাতে তার কোনো উপশম হয়না।তার কেবল ক্ষয়ে যাওয়াই থাকে।
 

Comments

    Please login to post comment. Login