প্রাচুর্যে, আভিজাত্যে আর সম্প্রীতির আলোয়,
খলিষখালী—ইতিহাসের বুকে জাগা এক নাম গৌরবময়।
কালের সাক্ষী এই জনপদ, ঐতিহ্যের দীপ্ত ছায়া,
জমিদারের প্রাসাদে ছিল একদিন ক্ষমতার মায়া।
পশ্চিমে সরুলিয়া ডাকে, পূর্বে মাগুরার গান,
উত্তরে ইসলামকাটি, দক্ষিণে খেরশার টান।
সাঁইত্রিশ বর্গকিলোমিটারে বিস্তৃত সবুজ ভূমি,
মানুষে মানুষে গড়া এক স্বপ্নের অনুপম ভূমি।
এগারো মৌজা, ত্রিশ গ্রাম—প্রাণের মেলবন্ধন,
তিন লক্ষ নয়, তবু অগণিত স্বপ্নের জন্মস্থান।
ত্রিশ এক হাজার চারশো আটষট্টি কণ্ঠের সুর,
পুরুষ-মহিলা মিলেমিশে গড়ে মানবতার নূর।
বিদ্যালয়ের উঠোনে জ্বলে শিক্ষার প্রদীপ,
প্রাথমিক থেকে কলেজ—জ্ঞান এখানে দীপ।
মাদ্রাসা, মন্দির, মসজিদে এক সুরের ডাক,
রামকৃষ্ণ মিশনে মেলে সহমর্মিতার ফাঁক।
হাটবাজারে জীবনের ছন্দ, মাঠে মাঠে হাসি,
স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ক্লিনিক, ব্যাংক—উন্নয়নের পাশি।
পোস্ট অফিস, ভূমি দপ্তর, সেবার অবিরাম ধারা,
পুলিশ ক্যাম্পে নিরাপত্তা—নির্ভয়ের তারা।
শিক্ষার আলো ছড়ায় ধীরে, পঁয়ষট্টি ভাগে ভর,
অজানাকে জানার পথে অটল এই ঘর।
খলিষখালী ইউনিয়ন—শেকড় আর স্বপ্নের সেতু,
ঐতিহ্য বুকে ধারণ করে আগামীর পথে যেতু।
17
View