রাশেদ নামের একটি বালক ছিল । সে ছোট বেলায় তার মাকে হারায় একটি দুর্ঘটনায়। এরপর সে রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করে জীবন বাঁচাতো। হঠাৎ একদিন দেখলো একটা ধনী লোকের ব্যাগ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে একটা চোর। তখন সে সাহসিকতার সাথে ধনী লোকটার ব্যাগ ফিরিয়ে আনে। লোকটি তাকে খুশি হয়ে টাকা দিতে চাই। কিন্তু সে টাকা নেয় না। লোকটি রাশেদের মন মানসিকতা দেখে আরো খুশি হয়। লোকটির কোনো ছেলে ছিল না। তাই সে রাশেদ কে নিজের ছেলে বানিয়ে নিজের সাথে নিয়ে যায়। সে রাশেদ কে ভালো স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেয়।এবং সে
অনেক ভালো বাসে রাশেদকে
১৫ বছর পর রাশেদ অনেক বড় হয়ে যায়। এখন সে তার পালিত বাবার অফিসে কাজ করে। তার বাবা তার নামে সবকিছু লিখে দেয়। সে নিতে চাই না । তবুও তার পালিত বাবা তাকে জোর করে দেয়। এরপর সে বিয়ে করে বাবাকে নিয়ে সুখে জীবন কাটায়।