জনাব কায়সার একজন সরকারি চাকরিজীবী।
সে সৎ ও সম্পদশালী। তিনি কাউকে ঠকায়নি।
ঘুষ নেয়নি।
অন্যায় করেনি।
কিন্তু দেখেছে—
অফিসে ঘুষ,
পাড়ায় মাদক,
রাস্তায় দুর্নীতি,
নিরীহ উপর নিপীড়ন।
অন্যায়গুলো দেখেছে আর প্রতিবার বলেছে—
“আমার বিষয় না, এসব ঝামেলা জড়িয়ে কি লাভ।”
একদিন সেই অন্যায়
তার ঘরেই ঢুকল।
তার সন্তান মাদকাসক্ত,
নেশার টাকার জন্য রাতে ছিনতায় করার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।
জনাব কায়সার কান্না করে বলল—
“আমি তো কিছু করিনি! তবু কেন আমার সাথে এমন হলো”।
কিন্তু সত্যটা হলো—
সে অন্যায় দেখে চুপ ছিল, সামর্থ থাকা সত্ত্বেও সে প্রতিবাদ করেনি।
মনে রেখো:
অন্যায় না করলেই বাঁচা যায় না।
অন্যায় প্রতিহত করা, ঠেকানোও ঈমানের দায়িত্ব।
আজ চুপ থাকলে,
কাল অভিযোগ করার অধিকার হারাবে।
সুতরাং আজ থেকেই নিজের শক্তি ও সামর্থ অনুযায়ী
অন্যায়ের প্রতিবাদ করা শুরু করুন।
শিক্ষা:
অন্যায়ের আগুন
প্রথমে অন্যকে পোড়ায়,
শেষে নিজের ঘরেই আসে।