মানুষ কি বলবে? মানুষ কি ভাববে? এই ভাবনা মানুষকে বোঝার বয়স থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তাড়িয়ে বেড়ায়। এই ভাবনার কারনে মানুষ যেমন অনেক মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকে তেমন অনেক ভাল কাজের শুরুটাও করতে পারে না। মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা ভালো। তবে মানুষ ভালো কাজের শুরুটা কেন এই মানুষ কি ভাববে সেই চিন্তা থেকে দূরে থাকে। এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানুষ যা নয় তাই করতে বাধ্য হয়৷ আমি মনে করি আপনি অবশ্যই ভাববেন মানুষ কি ভাববে? সেক্ষেত্রে সেই মানুষ গুলো কারা?
১।তারা হবে সেই ব্যক্তি যাদের আপনি ভালো বাসেন, যাদের নিয়ে আপনার মনে ভালোবাসা আছে তাদের ভালো মন্দ নিয়ে আপনি ভাবেন।
২। যারা আপনাকে ভালোবাসে। যারা আপনার ভালো মন্দ নিয়ে আনন্দ ও চিন্তার ভিতর দিয়ে যায়। এই মানুষগুলোকে আগলে রাখুন।
৩। যেই মানুষগুলোকে আপনার প্রয়োজন(অবশ্যই আপনিও তাদের পাশে থাকবেন তাদের বিপদে)।
আর আপনি আপনার বিবেকের কথা শুনুন। শৈশবে চেনা জানার পরিমান বেশি থাকে না। মৃত্যু ঘনিয়ে আসলে নাকি মানুষ শৈশবের কথা বেশি স্মরন করে। কারন তখন মানুষ কি ভাববে এই বোধ থাকে না। আনন্দও তাই থাকে বাধন হারা। এর পর মানুষ পড়াশোনা করে এবং পরবর্তিতে কর্মে নিযুক্ত হয় এই সময় টায় মানুষের বাইরের জগৎ সম্পর্কে জানতে পারে। মানুষের চেনা জানা পরিধিও বাড়ে। কিন্তু ক্রমেই দিন যত যায় পরিচিতি জনের সংখ্যা বাড়ে বটে কিন্তু মানুষের আপন মানুষ কমতে থাকে। পাশে অনেক জন থাকে তবুও মানুষ একাকিত্বে ভুগে। সবাইকে তখন কাছে পাইইও না। সম্পর্ক গুলো নির্ধারিত হয় স্বার্থ দ্বারা। তাই মানুষ কি ভাববে এই চিন্তা না করে যাদের ভালো বাসি তাদের আগলে রাখি(এই ভালোবাসার মানুষ যে কেউ হতে পারে,একজন আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল ব্যাক্তিও হতে পারে), যারা আমাকে ভালোবাসে( তাদের আগলে রাখি, এই মানুষ গুলো সংখ্যায় খুবি কম),যাদের প্রয়োজন তাদেরও পাশে রাখি পাশে থাকি। ব্যাক্তি জীবনে খুব বেশি মানুষের প্রয়োজন নেই। গুটিকতক যারা আছে তাদের নিয়েই, তাদের পাশে রেখে, থেকে জীবন সুন্দর ভাবে কাটায়।