আমি তুমি আর আমাদের ভালো থাকা,,,
সম্পর্কের টান না থাকলে, ভালোবাসাও ধীরে ধীরে আলগা হয়ে যায়।
তাই ভালোবাসার মানুষটাকে জীবনের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করুন,
বিশ্বাস, ভরসা, সম্মান ও সময় এই চারটি সমানভাবে প্রাধান্য দিন,
এই চারটিই কিন্তু একটি সম্পর্কের মূল চাবিকাঠি।
আর সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো একে অপরকে বুঝতে শেখা,
তুমি আর আমি এই দুটি শব্দ বা সম্পর্ক যখন একসাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় তখনই কিন্তু একটি সংসার রচনা হয়,
আর যখন একটি সংসার রচনা হয়,
তখন কিন্তু তুমি বা আমি থাকেনা তখন হয়ে যায় আমরা বা আমাদের।
আমাদের এই সংসারের ভালো থাকা বা মন্দ থাকার দায় কিন্তু আমাদের ই,,,,।
মনে রাখতে হবে একটা সংসারে, দুটো মানুষ আসে কিন্তু দুই প্রান্ত থেকে।
সেটা লাভ ম্যারেজ হোক আর অ্যারেঞ্জ,
দুজনের পছন্দ আলাদা মতামত আলাদা, এসবকিছু আলাদা না হলেও দুজনের শরীরে কিন্তু জ্বীনগত ভীন্নতা রয়েছে, নারীর মনের চাওয়া পাওয়া আর পুরুষ এর মনের চাওয়া পাওয়া গুলো কিন্তু এক নয়,
তাই কিছু কিছু বিষয় দুজনকেই একটুখানি ছাড় দিতে হয়,
কখনো নিজের পছন্দ! কখনো নিজের চাওয়া! কখনো বা ইগো!
এতটুকু করতে পারলেই দেখবেন যে, সংসার আর ঝামেলা মনে হবে না , সংসার তখন স্বর্গ মনে হবে।
আর সংসার স্বর্গ হোক বা নরক এর মাঝে কাউকে টেনে নিয়ে আসবেন না।
মানে আমি বলছি,,,
তৃতীয় ব্যক্তির কথা, সংসারে সুখ দুঃখ দুটোই আছে, ছোট বড় ঝামেলা সব সংসারেই থাকে, বাইরের কাউকে না টেনে নিজেদের ঝামেলা নিজেরাই মেটানোর চেষ্টা করুন, তৃতীয় কারো উপস্থিতি মানে সম্পর্কের অবনতি,,,
দুজন দুজনকে শ্রদ্ধা করুন, ভালোবসুন,
শুধু ভালোবাসা নয়, দায়িত্ব নিয়ে ভালোবাসুন , সংসার আর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিনত হবে না,
আসলে আমাদের ভালো থাকার চাবিকাঠি কিন্তু আমাদের হাতেই,,,,