Posts

গল্প

অমরবতীর চাঁদের মুকুট পর্ব-২

February 15, 2026

Jami Rema

Original Author No

Translated by Yes

6
View

পর্ব ২: প্রাসাদে বিষ, হৃদয়ে আগুন

অমরবতী প্রাসাদের রাতটি স্বাভাবিকের চেয়ে আরও অন্ধকার ছিল।

ঘন মেঘের আড়ালে চাঁদ লুকিয়ে ছিল, যেন আকাশও ভয় পাচ্ছিল কী ঘটতে চলেছে...

ভূগর্ভস্থ মন্দিরের ভেতরে, রানী দেবযানী কালো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার চোখ ঈর্ষায় জ্বলছিল, এবং তার ঠোঁটে ছিল নিষ্ঠুর হাসি।

তার হাতে ছিল উজ্জ্বল সবুজ তরলে ভরা একটি ছোট স্ফটিকের বোতল।

🧪 সর্পের বিষ।

সে ফিসফিসিয়ে বলল, 
"আজ রাতে... রাজার পতন হবে। 
আগামীকাল... সিংহাসন আমার হবে।"

আয়না কেঁপে উঠল।

অন্ধকার থেকে বজ্রপাতের মতো একটা কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হল:

🩸 “আর রাজপুত্র?”

দেবযানীর হাসি আরও চওড়া হয়ে উঠল।

"রাজপুত্র মারা যাবে... আর রাজকন্যা কাঁদবে। 
তার অশ্রু চাঁদের মুকুটকে জাগিয়ে তুলবে।"

আয়না হেসে উঠল।

আর হঠাৎ, কালো ধোঁয়া দেবযানীকে মুকুটের মতো ঘিরে ফেলল।

👑 রাজার দুর্বলতা

পরের দিন সকালে…

রাজা রুদ্রবীর সিংহ তাঁর রাজকীয় সিংহাসনে বসেছিলেন, এখনও দরবারে যা ঘটেছিল তাতে তিনি কাঁপছিলেন। ভাগ্যের সতর্কবার্তা হিসেবে তাঁর ভাঙা তরবারিটি তাঁর পাশে রাখা ছিল।

সে তার মন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে গর্জে উঠল, 
"ওই ছেলেটি একজন শত্রু রাজপুত্র! সূর্যোদয়ের সাথে সাথে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত!"

পুরো আদালত নীরব হয়ে গেল।

রাজকুমারী মায়াবতী পর্দার আড়ালে দাঁড়িয়ে শুনছিলেন।

তার হৃদয় ভেঙে গেল।

💔 “অর্জুন মারা যাবে... আমার কারণে...”

সে চোখ শক্ত করে বন্ধ করল।

কিন্তু সে এগিয়ে যাওয়ার আগেই...

রানী দেবযানী মৃদু হাসি এবং ভেষজ পানীয়ের সোনার পেয়ালা নিয়ে দরবারে প্রবেশ করলেন।

সে মিষ্টি করে বলল, 
"মহারাজ... আপনি খাওনি বা ঘুমোনি। আপনার রাগ আপনার স্বাস্থ্য নষ্ট করে দেবে। দয়া করে এই শান্তকারী ওষুধটি পান করুন।"

রাজা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

যদিও তিনি শক্তিশালী ছিলেন, তবুও তিনি দেবযানীকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছিলেন।

সে কাপটা নিল।

মায়াবতীর হৃদস্পন্দন হঠাৎ দ্রুততর হয়ে উঠল।

তার মনে একটা অদ্ভুত কণ্ঠস্বর ফিসফিস করে উঠল...

🌙 "বিপদ..."

মায়াবতী হাঁপালো।

সে দৌড়ে এগিয়ে গেল এবং চিৎকার করে বলল:

"বাবা! থামো!"

কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেছে।

রাজা ওষুধটি পান করলেন।

কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই…

তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

তার চোখ বড় বড় হয়ে গেল।

তার হাত কাঁপতে শুরু করল।

রাজা তার বুক চেপে ধরলেন।

"দে... দেবযানী... কি হচ্ছে...?"

রানী সরে গেলেন, নির্দোষের ভান করে।

"আমার রাজা! কি হয়েছে?"

মন্ত্রীরা চিৎকার করে উঠলেন।

রাজকীয় চিকিৎসক ছুটে এলেন।

কিন্তু রাজা মার্বেল পাথরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়লেন...

যেন পাহাড় ভেঙে পড়ছে।

মায়াবতী চিৎকার করে উঠল:

"বাবা!!!"

আর তার কান্নায় প্রাসাদ কেঁপে উঠল।

🖤 ​​রাণীর নকল অশ্রু

পুরো রাজ্য আতঙ্কিত হয়ে পড়ল।

চাকররা দৌড়ে গেল।

রক্ষীরা চিৎকার করে উঠল।

প্রাসাদের ঘণ্টাগুলো মৃত্যুঘণ্টার মতো বেজে উঠল।

রানী দেবযানী কান্নার ভান করে রাজার পাশে পড়ে গেলেন।

"ওরে রাজা! কেউ তাকে বিষ দিয়েছে! কেউ অমরবতীকে ধ্বংস করতে চায়!"

কিন্তু তার হৃদয়ের ভেতরে...

সে হাসছিল।

😈 "এখন... সিংহাসন আমার কাছে আসবে।"

🌹 মায়াবতীর অশ্রু এবং লুকানো ভবিষ্যদ্বাণী

মায়াবতী তার বাবার মাথা কোলে চেপে ধরেছিল।

তার চোখের জল গড়িয়ে পড়ল...

এক… দুই… তিন…

প্রতিটি অশ্রু উজ্জ্বল মুক্তায় পরিণত হয়েছিল।

মুক্তাগুলো বাতাসে ভেসে উঠল, একটি উজ্জ্বল বৃত্ত তৈরি করল।

হঠাৎ প্রাসাদের আলোগুলো ঝিকিমিকি করে উঠল।

রাজকীয় কক্ষের ভেতরে ঝড়ো হাওয়া বইল।

মন্ত্রীরা ভয়ে পিছিয়ে গেলেন।

রাজপুরোহিত চিৎকার করে বললেন:

"এটা ঐশ্বরিক জাদু! চন্দ্রদেবী কথা বলছেন!"

মায়াবতীর চোখের জল আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠতে লাগল।

এবং তারপর…

পুরো প্রাসাদে একটা কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হল:

🌙 "অমরবতীর রাজকুমারীই মূল চাবিকাঠি। 
কালনগরের রাজকুমারীই তার ভাগ্য। 
ভালোবাসা রাজ্যকে রক্ষা করবে... 
কিন্তু ঈর্ষা রক্ত ​​ধ্বংস করবে।"

সবাই থমকে গেল।

মায়াবতী কেঁপে উঠল।

তার হৃদয় ফিসফিসিয়ে শুধু একটি নাম উচ্চারণ করছিল:

অর্জুন…

⚔️ মন্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতা

সেই মুহূর্তে রাজমন্ত্রী মহামন্ত্রী ভৈরব এগিয়ে গেলেন।

তার চোখ ছিল তীক্ষ্ণ এবং ঠান্ডা।

সে মাথা নিচু করে জোরে বলল:

"মহারাজ বিষপ্রয়োগ করা হয়েছে... আর এটা স্পষ্ট যে এর পিছনে কে আছে!"

মায়াবতী মুখ তুলে তাকাল।

ভৈরব প্রাসাদের কারাগারের দিকে আঙুল তুলে দেখাল।

"শত্রু রাজপুত্র! অর্জুন বীর!"

আদালত হাঁপাতে হাঁপাতে চলে গেল।

মায়াবতী চিৎকার করে বলল:

"না! সে শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল! সে আমার বাবাকে বিষ দিতে পারত না!"

ভৈরব হেসে উঠল।

"রাজকুমারী... শত্রুদের হাতের দরকার নেই। তাদের গুপ্তচরের দরকার। সে ইতিমধ্যেই তোমাকে ভালোবাসা দিয়ে সম্মোহিত করে ফেলেছে।"

রানী দেবযানী হতবাক হওয়ার ভান করলেন।

সে নাটকীয়ভাবে কেঁদে উঠল:

"মায়াবতী! তুমি রাতে গোপনে তার সাথে দেখা করেছ! এখন তোমার বাবা মারা যাচ্ছে! তুমি কি এখনও তাকে রক্ষা করো?"

মায়াবতীর চোখ বড় বড় হয়ে গেল।

সে কিছু একটা বুঝতে পেরেছিল...

😨 "এটা একটা ফাঁদ... ওরা ওকে ফাঁদে ফেলছে।"

🔥 অর্জুনের মৃত্যুদণ্ড

অর্জুনকে টেনে আদালতে নিয়ে যাওয়া হল।

তার হাত শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল।

তার মুখমন্ডল ক্ষতবিক্ষত ছিল।

কিন্তু তার চোখ ছিল নির্ভীক।

রাজা রুদ্রবীর অজ্ঞান হয়ে রাজকীয় শয্যায় শুয়ে ছিলেন।

রানী দেবযানী তাঁর পাশে সিংহাসনে বসেছিলেন, অস্থায়ী শাসক হিসেবে কাজ করছিলেন।

সে ঠান্ডা গলায় বলল:

"কালনগরের রাজপুত্র অর্জুন বীর... তুমি আমাদের রাজাকে বিষ প্রয়োগের জন্য অভিযুক্ত। 
তোমার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।"

মায়াবতী চিৎকার করে উঠল:

"তুমি এটা করতে পারো না!"

কিন্তু রক্ষীরা তাকে আটকে রাখে।

অর্জুন মায়াবতীর দিকে তাকাল।

সে বিষণ্ণভাবে হাসল।

"রাজকুমারী... আমি তোমাকে বলেছিলাম। আমার ভালোবাসা তোমাকে কষ্ট দেবে।"

মায়াবতীর আবার চোখের জল গড়িয়ে পড়ল।

সে চিৎকার করে বলল:

"আমি তোমাকে মরতে দেব না!"

অর্জুন মৃদু ফিসফিস করে বলল:

"তাহলে প্রমাণ করো... আমার হয়ে লড়ো।"

এই কথাগুলো তার আত্মায় বিদ্যুৎ চমকের মতো আঘাত করেছিল।

🌙 জন্মের গোপন প্রকাশ

সেই রাতে…

মায়াবতী প্রাসাদের পুরাতন লাইব্রেরি কক্ষে গেলেন, একটি নিষিদ্ধ কক্ষ যেখানে কেবল রাজারা প্রবেশ করতে পারতেন।

ঘরটি ধুলো এবং প্রাচীন পুস্তকের গন্ধে ভরে উঠল।

তার হাতে একটা টর্চ জ্বলে উঠল।

সে পুরনো রাজকীয় বইগুলো খুঁজে দেখল...

যতক্ষণ না সে একটি ছেঁড়া স্ক্রোল খুঁজে পায় যার শিরোনাম ছিল:

📜 "চাঁদের সন্তানের ভবিষ্যদ্বাণী"

পড়ার সময় তার আঙ্গুল কাঁপছিল:

"যখন চন্দ্রদেবী পৃথিবীতে জন্ম দেবেন, তখন 
তার কন্যা রাজকীয় অশ্রু বয়ে আনবেন। 
তিনি শত্রু রাজপুত্রকে ভালোবাসবেন, 
এবং কেবল সেই ভালোবাসাই চন্দ্রমুকুটকে জাগিয়ে তুলতে পারে। 
কিন্তু অন্ধকারের রানী উঠবেন, 
দয়ার মুখোশ পরে।"

মায়াবতী হাঁপালো।

"অন্ধকারের রাণী... দেবযানী..."

তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেল।

স্ক্রোলটি আরও বলল:

"যদি চাঁদের শিশুটি 
রূপালী চাঁদের নীচে তার নির্ধারিত রাজপুত্রকে চুম্বন করে... 
বিষের অভিশাপ ভেঙে যাবে, 
এবং রাজা আবার জীবিত হবেন।"

মায়াবতীর গাল লাল হয়ে গেল।

তার হৃদস্পন্দন প্রচণ্ডভাবে হচ্ছিল।

💗 একটা চুমু... আমার বাবাকে বাঁচাতে পারবে?

কিন্তু স্ক্রোলটির শেষের একটি লাইন ছিল:

"কিন্তু যদি চাঁদের সন্তান ব্যর্থ হয়... 
রাজপুত্র মারা যাবে, 
এবং রাজ্য পুড়ে যাবে।"

মায়াবতীর চোখ আগুনে ভরে গেল।

সে তার মুঠি মুঠো করল।

"আমি তাকে বাঁচাবো... আর আমি আমার বাবাকে বাঁচাবো।"

🗡️ বীরাংশের প্রবেশ (রহস্য যোদ্ধা)

মায়াবতী যখন লাইব্রেরি থেকে বেরোনোর ​​জন্য ঘুরে দাঁড়ালো...

তার পিছনে একটা ছায়া দেখা দিল।

কালো বর্ম পরা একজন লম্বা লোক চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল।

তার চোখ দুটো ছিল রূপালী রঙের মতো জ্বলজ্বল করছে।

তার তরবারিতে চাঁদের প্রতীক খোদাই করা ছিল।

মায়াবতী পিছিয়ে গেল।

"তুমি কে?!"

অপরিচিত ব্যক্তিটি গভীর কণ্ঠে বলল:

"আমি বীরাংশ ... চন্দ্রদেবীর রক্ষক।"

মায়াবতীর চোখ বড় বড় হয়ে গেল।

"তুমি... তুমি সত্যি?"

বীরাংশ মাথা নাড়ল।

"চাঁদের মুকুট জেগে উঠছে। 
আর দেবযানী কেবল একজন রাণী নন... তিনি একজন ডাইনি যে একবার ঐশ্বরিক শক্তি চুরি করার চেষ্টা করেছিল।"

মায়াবতী ফিসফিস করে বলল:

"তাহলে আমাকে সাহায্য করো... সূর্যোদয়ের সময় অর্জুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।"

বীরাংশ এগিয়ে গেল।

"আমি কারাগারের দরজা খুলতে পারি... কিন্তু যদি তুমি ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকো।"

মায়াবতী কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞাসা করলেন:

"কোন বলিদান?"

বীরাংশ তার চোখের দিকে তাকাল।

"তোমাকে বেছে নিতে হবে... 
রাজ্য... অথবা ভালোবাসা।"

মায়াবতীর চোখ ভিজে উঠল।

সে ফিসফিস করে বলল...

"আমি দুটোই বেছে নিই।"

বীরাংশ একটু হাসল।

"তাহলে আজ রাতে... আমরা নিয়তির সাথে লড়াই করব।"

💔 প্রায় চুমু এবং বিশ্বাসঘাতকতা

মধ্যরাত এসে গেল।

প্রাসাদের রক্ষীরা ঘুমিয়ে ছিল।

বীরাংশ তার তরবারি দিয়ে কারাগারের দরজায় চাঁদের প্রতীক আঁকেন।

✨ দরজাটা এমনভাবে খুলে গেল যেন ধোঁয়া দিয়ে তৈরি।

মায়াবতী প্রবেশ করলেন।

অর্জুন শিকল পরে বসে ছিল, মুখে রক্ত।

সে অবাক হয়ে উপরের দিকে তাকাল।

"মায়াবতী...?"

সে তার কাছে দৌড়ে গেল।

"আমি তোমাকে বাঁচাতে এসেছি।"

অর্জুন ফিসফিস করে বলল:

"তারা যদি তোমাকে খুঁজে পায় তাহলে তোমাকে হত্যা করা হবে।"

মায়াবতী আলতো করে তার গাল স্পর্শ করল।

"আমি পরোয়া করি না... কারণ তুমি মরলে আমার আত্মা মরে যাবে।"

অর্জুনের চোখ নরম হয়ে গেল।

বীরাংশের জাদুতে হঠাৎ করেই শিকলগুলো ছিঁড়ে গেল।

অর্জুন উঠে দাঁড়াল।

এক মুহূর্তের জন্য…

তারা খুব ঘনিষ্ঠ ছিল...

তাদের নিঃশ্বাস স্পর্শ করল।

মায়াবতী ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করল।

অর্জুন আরও কাছে ঝুঁকে পড়ল।

তাদের ঠোঁট মিলিত হতে যাচ্ছিল...

💋

হঠাৎ—

একটা জোরে হাততালির শব্দ হল।

"সারাভো!"

তারা জমে গেল।

জেলের আলো জ্বলে উঠল।

আর সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাণী দেবযানী, শয়তানের মতো হাসছিলেন।

তার পিছনে সৈন্যরা ছিল।

সে হেসে বলল:

"তাহলে এটাই সত্যিকারের ভালোবাসা... এত মিষ্টি... এত নিখুঁত..."

মায়াবতী চিৎকার করে উঠল:

"দেবযানী!"

দেবযানী এগিয়ে এলেন।

"তুমি ওকে বাঁচাতে চেয়েছিলে? বোকা মেয়ে... 
আমি চেয়েছিলাম তুমি এখানে আসো।"

সে তার হাত তুলল।

আর বাতাসে কালো জাদুর শিকল ভেসে উঠল, অর্জুনের চারপাশে।

অর্জুন যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠল।

মায়াবতী চিৎকার করে বলল:

"না!"

দেবযানী নিষ্ঠুরভাবে ফিসফিসিয়ে বলল:

"এখন তুমি কাঁদবে... 
আর তোমার অশ্রু চাঁদের মুকুটকে জাগিয়ে তুলবে।"

২য় পর্বের শেষ পরবর্তী পর্বের টিজার (পর্ব ৩):

দেবযানী মায়াবতীকে বেছে নিতে বাধ্য করবে: অর্জুনের জীবন নাকি রাজার জীবন

অর্জুনের সাথে তার গোপন সম্পর্ক প্রকাশ করবে বীরাংশ

একটা জাদুকরী চুম্বন হবে... কিন্তু তার পরিণতি ভয়াবহ হবে

চাঁদের মুকুট তার প্রথম আসল শক্তি প্রদর্শন করবে

রাজা চোখ খুলবেন... এবং দেবযানীর নাম ধরে ডাকবেন 

Comments

    Please login to post comment. Login