যুবকেরা
ভোরকে বলেছিলাম,
আজ আর দিও না আলো
অতিরিক্ত সত্যে পুড়ে যায় চোখ
থাকুক না আরেকটু অন্ধকার, মৃত্যুর মতো শোক।
তবু পূবের আলো এলো
কাটা ঘায়ের ওপর নুনের মতো
উন্মুক্ত করল শহরের সেলাই-দেওয়া ক্ষত।
দেখি, মানুষেরা লাইনে দাঁড়িয়ে অহরহ
নিজেদের বিবেককে দিচ্ছে জমা
গোপন ছাড়পত্রের বিনিময়ে লিখে নিচ্ছে সকল ক্ষমা।
দেখি, শিশুরা কাঁধে নেয় না ভবিষ্যৎ
খোঁজে আলোর দ্যুতি
ওরা বহন করে সমস্ত বাবাদের ভাঙা প্রতিশ্রুতি।
আর যুবকেরা,
যাদের পথ সুদীর্ঘ, অজানা, গন্তব্যহীন
নিঃশব্দে তারা নিজেদের রক্তে স্বাক্ষর করে
মৃত্যুর দণ্ডাদেশ
হয় তাদের অগ্রযাত্রার শুরু নতুবা সবশেষ।