পর্ব ৩: রক্ত এবং ভালোবাসার পছন্দ
অমরবতীর ভূগর্ভস্থ কারাগারটি কালো জাদুর প্রভাবে কেঁপে উঠল।
রাজপুত্র অর্জুন বীরকে কালো শিকল দিয়ে জড়িয়ে ধরে , ঝড়ের কবলে পড়া অসহায় পাখির মতো তাকে বাতাসে তুলে নেয়।
সে ব্যথায় কাতরাতে লাগল।
মায়াবতী চিৎকার করে উঠল, তার কণ্ঠস্বর কাঁচের মতো ভেঙে পড়ল:
"অর্জুন!!!"
রানী দেবযানী সেখানে পৈশাচিক শান্তভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যেন তিনি নিজের লেখা একটি নাটক দেখছেন।
সে আবার ধীরে ধীরে হাততালি দিল।
👏👏👏
"আহ... ভালোবাসা এত সুন্দর।
বিশেষ করে যখন তা কাঁদে।"
মায়াবতীর চোখ রাগে জ্বলে উঠল।
"তুমি একটা দানব!"
দেবযানী হেসে ফেলল।
"একটি দানব? না, রাজকুমারী... আমি তোমার ভাগ্য।"
তারপর সে কাছে এগিয়ে গেল, বিষের মতো ফিসফিসিয়ে বলল:
"তোমার বাবা উপরে মারা যাচ্ছে...
আর তোমার প্রেমিক এখানে মারা যাচ্ছে।"
মায়াবতীর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেল।
দেবযানী বলতে লাগলেন:
"তাহলে এবার বলো... তুমি কাকে বাঁচাবে?"
⚔️ বীরাংশের সতর্কীকরণ
মায়াবতীর পিছনে চাঁদের আলোর ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে থাকা বীরাংশ তার তরবারি শক্ত করে ধরেছিল।
তার রূপালী চোখ সরু হয়ে গেল।
"দেবয়ানী... রাজকন্যাকে ছেড়ে দাও। এটা তোমার খেলা নয়।"
দেবযানীর হাসি ঠান্ডা হয়ে গেল।
"ওহ, বীরাংশ... মুন গার্ডিয়ান...
তুমি এখনও নিজেকে পবিত্র বলে ভান করছো।"
সে মাথা কাত করল।
"তুমি কি মনে করো আমি তোমার সত্য জানি না?"
বীরাংশ থমকে গেল।
মায়াবতী অবাক হয়ে মুখ ঘুরিয়ে নিল।
"কোন সত্য?"
কিন্তু বীরাংশ কোন উত্তর দিল না।
বরং, সে এগিয়ে গেল।
"রাজকুমারী... ওর কথা শুনো না।"
দেবযানী হেসে উঠল।
"তুমি ওকে বলা উচিত, বীরাংশ।
ওকে বলো অর্জুন আসলে কে।"
অর্জুন শিকলের মধ্যে আটকে ছিল।
"মায়াবতী... ওকে বিশ্বাস করো না..."
কিন্তু দেবযানী আবার হাত তুললেন।
আর শিকলগুলো শক্ত করে বাঁধা।
অর্জুন চিৎকার করে উঠল।
মায়াবতীর চোখে জল এসে পড়ল মুহূর্তেই।
আবার বাতাসে মুক্তা তৈরি হল, ছোট চাঁদের মতো জ্বলজ্বল করছিল।
দেবযানীর চোখ লোভীভাবে জ্বলজ্বল করে উঠল।
"হ্যাঁ... হ্যাঁ... আরও কাঁদো।"
👑 ভয়ঙ্কর পছন্দ
দেবযানী আঙুল ছিঁড়ে ফেলল।
বাতাসে একটা কালো জাদুর আয়না ভেসে উঠল।
আয়নায়…
রাজা রুদ্রবীরকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখা গেছে, তিনি ফ্যাকাশে হয়ে গেছেন, শ্বাসকষ্টে ভুগছেন।
রাজকীয় পুরোহিতরা প্রার্থনা করছিলেন।
মন্ত্রীরা কাঁদছিলেন।
পুরো রাজ্য কাঁপছিল।
দেবযানী ফিসফিস করে বলল:
"তোমার বাবার আর মাত্র এক রাত বাকি আছে।"
তারপর সে অর্জুনের দিকে ইশারা করল, যন্ত্রণায় ঝুলছে।
"আর তোমার রাজপুত্র... মাত্র কয়েক মিনিট আছে।"
মায়াবতী কেঁপে উঠল।
"না... না... প্লিজ..."
দেবযানী কাছে ঝুঁকে পড়ল।
"এই যে চুক্তি, রাজকুমারী।"
সে একটা আঙুল তুলল।
"তুমি যদি স্বেচ্ছায় তোমার জাদুকরী অশ্রু আমাকে দাও... আমি তোমার বাবাকে বাঁচাবো।"
সে দ্বিতীয় আঙুলটি তুলল।
"কিন্তু যদি তুমি অর্জুনকে বাঁচানোর চেষ্টা করো... তোমার বাবা সূর্যোদয়ের আগেই মারা যাবে।"
মায়াবতীর হৃদয় ভেঙে গেল।
তার ঠোঁট কাঁপছিল।
"তুমি এটা কেন করছো?"
ঘৃণায় দেবযানীর চোখ লাল হয়ে গেল।
"কারণ আমি আমার পুরো জীবন এই প্রাসাদে দিয়েছি...
আর তবুও... রাজা কখনো আমাকে ভালোবাসেননি।"
সে হঠাৎ চিৎকার করে উঠল:
"সে তোমার মাকে ভালোবাসতো! সে তার স্মৃতির পূজা করতো!
আর তুমি... তুমি তার অনুকরণ!"
তার কণ্ঠস্বর কেঁপে উঠল।
ঈর্ষা আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ল।
"আর এখন তুমি একজন শত্রু রাজপুত্রকে ভালোবাসতে সাহস করো?"
মায়াবতী মৃদুস্বরে ফিসফিসিয়ে বলল:
"তাহলে তুমি আমার বাবাকে বিষ মেরেছ..."
দেবযানী হাসল।
"হ্যাঁ।
আর তুমি তাকে সুস্থ করবে... তোমার চোখের জল দিয়ে।"
💔 অর্জুনের বলিদান
অর্জুনের কণ্ঠস্বর দুর্বল হয়ে গেল।
"মায়াবতী..."
সে তার দিকে তাকাল।
তার চোখ ভালোবাসায় ভরে উঠল, ভয়ে নয়।
সে ফিসফিস করে বলল:
"আমাকে বাঁচাও না... তোমার বাবাকে বাঁচাও।"
মায়াবতী আরও জোরে কেঁদে উঠল।
"আমি পারব না... আমি তোমাকে হারাতে পারব না।"
অর্জুন বেদনাদায়কভাবে হাসল।
"যদি তুমি আমাকে ভালোবাসো... তাহলে বাঁচো।"
তার কথাগুলো তার আত্মাকে নাড়া দিয়েছিল।
সে মাথা নাড়ল।
"না... ভালোবাসা মানে সবসময় ত্যাগ স্বীকার করা নয়।"
বীরাংশ আরও কাছে এসে বলল:
"রাজকন্যা... তোমার চোখের জল চন্দ্রমুকুটের জ্বালানি। দেবযানী যদি তা পায়, তাহলে পৃথিবী পুড়ে যাবে।"
মায়াবতীর মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
"তুমি কি বোঝাতে চাইছো?"
বীরাংশ উত্তর দিল:
"চাঁদের মুকুট কাউকে অমর করে তুলতে পারে... এবং রাজ্য ধ্বংস করতে পারে। তোমার অশ্রু তাকে পুরোপুরি জাগিয়ে তুলবে।"
দেবযানী ধীরে ধীরে হাততালি দিলেন।
"খুব ভালো ব্যাখ্যা।"
তারপর হঠাৎ সে মায়াবতীর থুতনি ধরে ফেলল।
"তাহলে এখন সিদ্ধান্ত নাও, মুন চাইল্ড..."
তার নখ মায়াবতীর ত্বকে চেপে ধরেছিল।
"বাবা... নাকি প্রেমিক?"
🌙 চন্দ্র দেবীর রাশি
হঠাৎ…
জেলের আলোগুলো জ্বলে উঠল।
জানালা না থাকলেও একটা জোরে বাতাস ঢুকে পড়ল।
চাঁদের আলো রূপার তরবারির মতো ছাদ ভেদ করে ঢুকে পড়ল।
আর সেই চাঁদের আলোয়...
মুহূর্তের জন্য একটা উজ্জ্বল মূর্তি দেখা দিল।
একজন মহিলা, তার পরনে তারার মুকুট।
তার চোখ দুটো ছিল শান্ত এবং ঐশ্বরিক।
🌙 চন্দ্রদেবী।
মায়াবতীর সারা শরীর জমে গেল।
তার ঠোঁট ফিসফিস করে বলল:
"মা...?"
দেবীর কণ্ঠস্বর মৃদুভাবে প্রতিধ্বনিত হল:
"ভালোবাসা দুর্বলতা নয়, আমার সন্তান...
ভালোবাসাই শক্তি।"
দেবযানী ভয়ে পিছিয়ে গেল।
"না... না... তুমি এখানে আসতে পারবে না!"
চন্দ্রদেবী অদৃশ্য হয়ে গেলেন...
কিন্তু সে মায়াবতীর কপালে এক উজ্জ্বল চিহ্ন রেখে গেল।
✨ একটি অর্ধচন্দ্র প্রতীক।
মায়াবতীর চোখ খুলে গেল।
এখন সেগুলো ছিল রূপালী রঙের ঝলমলে।
তার চারপাশের বাতাস বদলে গেল।
এমনকি অর্জুনও লড়াই থামিয়ে দিল, তার দিকে এমনভাবে তাকিয়ে রইল যেন সে কোন অলৌকিক ঘটনা।
🔥 মায়াবতীর প্রথম সত্যিকারের জাদু
মায়াবতী কাঁপা কাঁপা হাত তুললেন।
অর্জুনের চারপাশের কালো শিকলগুলো ছিঁড়তে শুরু করল।
দেবযানী চিৎকার করে উঠলেন:
"না!"
সে মায়াবতীর দিকে অন্ধকার আগুন ছুঁড়ে মারল।
কিন্তু মায়াবতী তার হাতের তালু তুললেন।
আর আগুন ফুলে পরিণত হল।
🌹🔥➡️🌹
পুরো কারাগার কেঁপে উঠল।
বীরাংশ বিস্ময়ে ফিসফিসিয়ে বলল:
"সে জেগে উঠেছে..."
দেবযানীর মুখ রাগে জ্বলে উঠল।
"তুমি কি মনে করো তুমি আমার সাথে লড়াই করতে পারবে? তুমি তো কেবল একটা বাচ্চা!"
মায়াবতী এগিয়ে গেল।
"আমি বাচ্চা নই... আমি অমরবতীর রাজকন্যা।"
তারপর সে অশ্রুসিক্ত চোখে দেবযানীর দিকে তাকিয়ে বলল:
"আর তুমি... তুমিই সেই অন্ধকার যা ধ্বংস হবে।"
💋 নিয়তির চুম্বন
দেবযানী হেসে চিৎকার করে বলল:
"তাহলে তাকে বাঁচাও!
তাকে চুমু দাও!
তোমার ভালোবাসা তাকে সুস্থ করে তুলুক!"
মায়াবতী স্থবির হয়ে গেল।
তার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল।
তার ভবিষ্যদ্বাণীর পুস্তকটি মনে পড়ল।
"যদি চাঁদের শিশু রূপালী চাঁদের নীচে তার নির্ধারিত রাজপুত্রকে চুম্বন করে... অভিশাপ ভেঙে যাবে।"
অর্জুন ফিসফিস করে বলল:
"মায়াবতী... করো না... এটা বিপজ্জনক।"
কিন্তু মায়াবতী আরও কাছে হেঁটে গেল।
তার হাত অর্জুনের মুখ স্পর্শ করল।
অর্জুনের চোখ ভিজে উঠল।
"তুমি কি নিশ্চিত?"
মায়াবতী চোখের জল ফেলে হাসল।
"না... কিন্তু ভালোবাসা কখনোই নিশ্চিত নয়।"
সে আরও কাছে ঝুঁকে পড়ল...
তাদের ঠোঁট স্পর্শ করল।
💋✨
যে মুহূর্তে চুম্বনটা হল—
পুরো কারাগার দিনের আলোর মতো আলোকিত হয়ে উঠল।
কালো শিকলগুলো সম্পূর্ণ ভেঙে গেল।
রাজপ্রাসাদের মধ্য দিয়ে রূপালী শক্তির এক শক্তিশালী ঢেউ বয়ে গেল।
প্রাসাদের উপরে…
চাঁদ আগের চেয়ে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল।
আর অনেক দূরে...
নিষিদ্ধ মন্দিরে...
একটি প্রাচীন বাক্সের ভেতরে লুকানো একটি সোনার মুকুট জ্বলতে শুরু করল।
👑 চাঁদের মুকুট... জাগ্রত।
দেবযানীর চোখ বড় বড় হয়ে গেল।
তার ঠোঁট কাঁপছিল।
"না... না... খুব তাড়াতাড়ি!"
কিন্তু চুম্বন চলতেই থাকল...
আর মায়াবতীর চোখের জল অর্জুনের বুকে গড়িয়ে পড়ল।
হঠাৎ অর্জুনের বুকে অর্ধচন্দ্রাকার চিহ্ন জ্বলতে শুরু করল।
বীরাংশ দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
"তিনি... নির্বাচিত ব্যক্তি..."
👑 রাজা জেগে ওঠেন
উপরে…
রাজকীয় কক্ষে...
রাজা রুদ্রবীরের শরীর হঠাৎ কেঁপে উঠল।
তার চোখ দুটো বড় বড় হয়ে গেল।
সে এমনভাবে উঠে বসল যেন বিদ্যুৎ চমকের মতো জীবন তার কাছে ফিরে এসেছে।
রাজকীয় পুরোহিত চিৎকার করে বললেন:
"রাজা জীবিত!"
মন্ত্রীরা কেঁদে ফেললেন।
চাকররা চিৎকার করে উঠল।
তার শিরা থেকে বিষ উধাও হয়ে গেল।
কিন্তু রাজার চোখ স্বাভাবিক ছিল না।
সেগুলো হালকা রূপালী রঙের মতো জ্বলজ্বল করছিল।
সে ফিসফিস করে একটা নাম বলল...
"দেবযানী..."
সবাই থমকে গেল।
রাণীর নাম।
🩸 দেবযানীর আসল চেহারা প্রকাশিত
কারাগারে দেবযানী হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন।
প্রথমবারের মতো তাকে ভীত দেখাচ্ছিল।
তার ত্বক শুকনো মাটির মতো ফেটে যেতে লাগল।
তার সুন্দর রাণী রূপ গলে যেতে লাগল।
তার আসল রূপ ফুটে উঠল—
ডাইনির মতো মুখ।
কালচে শিরা।
লাল চোখ।
তার চুল ধোঁয়ার মতো হয়ে গেল।
মায়াবতী হতভম্ব হয়ে পিছিয়ে গেলেন।
"দেবযানী... তুমি কে?"
দেবযানী চিৎকার করে উঠলেন:
"আমি ছায়ার রাণী!"
সে রাগে উঠে দাঁড়ালো।
"তুমি চাঁদের মুকুট জাগিয়ে তুলেছো... এখন আমি এটা তোমার কাছ থেকে নেব!"
সে অর্জুনের দিকে আঙুল তুলে দেখাল।
অন্ধকার শক্তি তার হৃদয়ের দিকে ছুটে গেল।
মায়াবতী চিৎকার করে উঠল:
"না!"
বীরাংশ মাঝখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার তরবারি দিয়ে জাদু আটকে দেয়।
কিন্তু অন্ধকার শক্তি বীরাংশকেও আঘাত করেছিল।
রক্তাক্ত অবস্থায় সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।
মায়াবতী কেঁদে ফেলল।
"বীরাংশ!"
বীরাংশ দুর্বলভাবে ফিসফিসিয়ে বলল:
“রাজকুমারী... শোনো... অর্জুন কেবল একজন রাজপুত্র নন...
তিনি... অমরবতীর হারানো উত্তরাধিকারী...”
মায়াবতীর চোখ বড় বড় হয়ে গেল।
"কি?!"
অর্জুন বীরাংশের দিকে তাকাল।
"তুমি কি বলছো?"
বীরাংশের কাশির রক্ত বেরোলো।
"আমাকে পাঠানো হয়েছিল... তোমাদের দুজনকেই রক্ষা করার জন্য..."
দেবযানী রেগে চিৎকার করে উঠলেন:
"নীরবতা!"
সে বীরাংশকে হত্যা করার জন্য তার হাত তুলল।
কিন্তু হঠাৎ করে…
প্রচণ্ড শব্দে প্রাসাদের ফটকগুলো খুলে গেল।
রাজকীয় রক্ষীরা ঢুকে পড়ল।
আর তাদের পেছনে...
রাজা রুদ্রবীর নিজেই তরবারি হাতে ভেতরে প্রবেশ করলেন।
জীবিত।
রাগান্বিত।
চোখ জ্বলজ্বল করছে।
তার কণ্ঠস্বর গর্জে উঠল:
"দে ব্যা নি!!!"
সবাই থমকে গেল।
মায়াবতী অবাক হয়ে ফিসফিস করে বলল:
"বাবা...?"
রাজা এগিয়ে গেলেন।
সে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেবযানীর দিকে তাকাল।
আর তারপর সে অর্জুনের দিকে তাকাল...
তার চোখ বড় বড় হয়ে গেল।
তার কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
"অর্জুন...?
এটা কিভাবে হতে পারে...?"
অর্জুন ফিসফিস করে বলল:
"মহারাজ..."
রাজার হাত কাঁপতে লাগল।
তার চোখে জল এসে গেল।
সে ফিসফিস করে বলল:
"আমার ছেলে...?"
🌙✨ ৩য় পর্বের শেষ
🔥 পরবর্তী পর্বের টিজার (পর্ব ৪):
রাজা সবচেয়ে বড় রহস্য উন্মোচন করবেন: অর্জুন তার হারানো পুত্র
দেবযানী চন্দ্রমুকুটের অন্ধকার অভিশাপ প্রকাশ করবেন
ঐন্দ্রজালিক চুম্বনের পর মায়াবতী ভেঙে পড়বে
ঈর্ষা রাজ্যগুলির মধ্যে যুদ্ধে পরিণত হবে
অতীতের এক রহস্যময় রানী স্বপ্নে ফিরে আসবেন