গল্পের নাম: "বন্ধনের বাইরে"
শুভ ছোটবেলা থেকেই তার চাচাতো বোন মায়ার সঙ্গে বড় হয়। তারা একে অপরের সঙ্গে খেলা, পড়াশোনা আর আড্ডার মুহূর্ত ভাগাভাগি করত। ধীরে ধীরে সেই ঘনিষ্ঠতা বন্ধুত্বের চেয়েও গভীর হয়ে ওঠে। শুভ বুঝতে পারে, মায়ার প্রতি তার অনুভূতি শুধু রক্তের সম্পর্ক নয়, বরং ভালোবাসা।
মায়াও অনায়াসে শুভর প্রতি একই অনুভূতি পোষণ করে। তারা জানত, সমাজ এমন সম্পর্ককে সহজভাবে মেনে নেবে না। কিন্তু তাদের ভালোবাসা অবহেলা বা সীমাবদ্ধতা মেনে নিতে চাইত না। তারা ছোট ছোট মুহূর্তে একে অপরকে অনুভব করত, মধুর স্মৃতি গড়ে তুলত।
একদিন শুভ সাহস করে মায়ার কাছে তার অনুভূতির কথা বলে। মায়াও স্বীকার করে, “আমিও তোমাকে ভিন্নভাবে অনুভব করি।” তারা ঠিক করে, চুপচাপ হলেও একে অপরের পাশে থাকবেন, যতই সমাজ বাধা দিক। ধীরে ধীরে তারা পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করে, যদিও সহজ ছিল না।
শেষে তারা সিদ্ধান্ত নিল একে অপরের জীবনে ভালবাসা ও বন্ধন বজায় রাখতে, সাহসীভাবে সমাজের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে। শুভ আর মায়ার গল্প হয়ে উঠল সেই ভালোবাসার, যা রক্তের সম্পর্কের সীমানা অতিক্রম করেও হৃদয় জিতে নিল