News

নেটফ্লিক্সে চলছে পামুকের ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স' অবলম্বনে তৈরি সিরিজ

February 28, 2026

277 views
Featured Image

নোবেলজয়ী তুর্কি লেখক ওরহান পামুকের লেখা ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স' উপন্যাস অবলম্বনে বানানো একই নামের একটি সিরিজ এখন নেটফ্লিক্সে বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে। ৯ পর্বের ধারাবাহিক এ সিরিজটি ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মুক্তি পেয়েছে। তুর্কি ভাষায় নির্মিত সিরিজটি ৩০টিরও বেশি ভাষায় সাবটাইটেল এবং ডাবিং সহ প্রচারিত হচ্ছে।   

‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স' ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৫০০ পৃষ্ঠার বেশি দীর্ঘ এই প্রেমকাহিনি ১৯৭০ ও ৮০ এর দশকের ইস্তাম্বুলের পটভূমিতে লেখা একটি ভালোবাসার গল্প। এই উপন্যাসে তরুণী ফুসুনকে কেন্দ্র করে ধনী ব্যাচেলর কামালের আবিষ্ট প্রেমের গল্প বলা হয়েছে। ভালোবাসার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে লবণদানি, চুলের ক্লিপ, কফির কাপ সহ ফুসুনের ব্যক্তিগত জিনিস সংগ্রহ করে কামাল। পরে এসব সামগ্রী নিয়ে একটি জাদুঘর তৈরি করে সে।     

উপন্যাসটি প্রকাশের ৪ বছর পর পামুক ২০১২ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ‘মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ নামের একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন। এই জাদুঘরে উপন্যাসের নানা উপকরণ প্রদর্শিত হয়। পরে এই বিষয়ে একটি তথ্যচিত্রও নির্মিত হয়েছে।         

এদিকে নেটফ্লিক্সে উপন্যাসটির ধারাবাহিক রূপান্তর প্রচারের পর জাদুঘরটি মানুষজনের কৌতুহলের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শত শত কৌতূহলী দর্শনার্থী প্রতিদিন জাদুঘরটি দেখতে আসছেন। জাদুঘরের পরিচালক বলেন, নেটফ্লিক্সে ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত নয় পর্বের সিরিজটির ট্রেলার প্রদর্শন শুরু করার পর থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ জন দর্শনার্থী জাদুঘরে আসছেন। অথচ এর আগে প্রতিদিন ২০০ জন দর্শনার্থী আসতেন। সামনে আরও বেশি দর্শনার্থী আসবেন বলে ধারণা করছি। 

উল্লেখ্য, ওরহান পামুক ২০০৬ সালে সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ পান। তুরস্কের বেস্টসেলিং এই লেখকের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো, ‘সাইলেন্ট হাউস’, ‘দ্য ব্ল্যাক বুক’, ‘মাই নেম ইজ রেড’, ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’। তার বই বিশ্বজুড়ে ৬৩টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। 

Picked up where you left off

Comments

    Please login to post comment. Login

  • Rubel Sha afriti 7 months ago

    আমার ভালোবাসা রইলো