আমার কথা শুনে সুষুমা চোখ পাকায়। রহস্যময় হাসি দেয়। আমার চুলে বিলি কাটে আর ফিসফিস করে বলে
– কে আর বানায়? আমার এক্স।
– শালায় লাকি ছিল।
– তোর জন্য জমা রাখা ছিল
– তাই নাকি?
– ভাল্লাগছে নাকি?
আমি আর কোনো কথা শোনার অবস্থায় নেই। বোরকা আর শাড়ির নিচে এমন আশ্চর্য জগত আর তা আমার হাতের মুঠোয়।
— কী হলো? থমকে গেলি কেন?
সুষুমা হাসে। তারপর জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেলে। আমার হাত এখনো ওর বাম দুধের ওপরেই। থামেনি। ও ধীরে ধীরে শুইয়া পরে বিছানায়। আমি ওর গায়ের ওপর হেলান দিয়ে শুই। ওর গায়ে জর্জেট শাড়ি। খসখস করে। কিন্তু ওর গায়ের গরম তার চেয়ে বেশি।
– এই, শাড়ি খুলব?
– আমি খুলব?
– না। আমি খুলব।
– পারবি?
– চেষ্টা করি।
চেষ্টা করলাম। শাড়ির আঁচল খুঁজি। পেলাম না। সুষুমা হাসে।
– বোকা। এই যে।
ও নিজেই আমার হাত ধরে নিয়ে গেল কোমরের পাশে। সেখানে শাড়ির পেঁচানো অংশ। এক টান টানতেই খুলে গেল। শাড়ি খুলে গেলে সুষুমা শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট পরে আছে। পেটের অংশ ফাঁকা। নাভি উঁকি দিচ্ছে।
আমার চোখ ওর পেটে আটকে গেল। যেন মসৃণ পাথর। একটুও মেদ নেই। নাভিটার নিচে এক টুকরো কালো রোমের রেখা। খসখস করছে।
– কী দেখিস?
– এগুলা কী?
– ঘাস
– কাটিস না?
– না।
– ক্যান?
– এর উপর দুধ রেখে চাটবি তাই।
ও এক কথা বললেই আমি পেটে চুমু দিলাম। নাভির চারপাশে জিভ দিয়ে ঘুরিয়ে দিলাম। সুষুমা শিরশির করে কেঁপে উঠলো। ওর হাত আমার মাথায় এলো। আঙুলগুলো চুলের মধ্যে ডুবিয়ে দিল।
– থামিস না প্লিজ।
– থামব না।
এবার আমি ওর ব্লাউজের দিকে নজর দিই। পিছনে হুক। এক হাতে খোলার চেষ্টা করি। কিন্তু পারি না। সুষুমা হেসে ওঠে। পাশ ফিরে বসে।
– দে, আমি খুলি।
ও নিজেই হাত পিছনে নিয়ে হুক খুলে ফেলে। ব্লাউজ খুলে ব্রা-এর সামনে চলে আসে। সাদা সুতির ব্রা। সাধারণ। কিন্তু ওর ভেতর থেকে ফুলে ওঠা বুক দেখে আমার শ্বাস আটকে আসে। চোখ সরাতে পারি না।
সুষুমা আমার দিকে তাকায়।
– এতক্ষণ তো তোকে কিছু বলতে শুনলাম না। কী হলো?
– কথা হারিয়ে গেছে।
– দেখবি?
মাথা নাড়ি। সুষুমা নিজেই ব্রা-এর হুক খুলে ফেলে। ব্রা খুলে গেলে ওর দুধ বেরিয়ে আসে। সামনে ঝুঁকে পড়ে। টগবগে। পাকা জামরুলের মতো। নিচে কালো কালো। উপরের অংশ হালকা গোলাপি। একেবারে নিখুঁত।
ও লজ্জা পায়। হাত দিয়ে ঢাকতে যায়। আমি হাতটা ধরে ফেলি।
– না। ঢাকবি না।
সুষুমা চোখ বন্ধ করে ফেলে। আমি আস্তে করে ওর ডান দুধে হাত রাখি। নরম। কিন্তু শক্ত। তুলতুলে। আমি আঙুল দিয়ে ওপরে উঠি। ওর শ্বাস ভারী হয়। স্তনের বোঁটায় আঙুল ঠেকাই। সুষুমা জোরে নিঃশ্বাস ফেলে।
– ওহ!
– ব্যাথা?
– না না। ভাল্লাগছে।
আমি নিচু হয়ে মুখ দিয়ে ওর বোঁটা নিই। জিভ দিয়ে ঘুরাই। সুষুমার পুরো শরীর কেঁপে ওঠে। ও আমার চুল টেনে ধরে। কাছে টানে।
– আরও।
– কী আরও?
– চুষ।
আমি চুষি। ওর শব্দ হয়। মৃদু আর্তনাদ। হু হু করে। আমি বামটাতেও হাত বুলাই। আঙুল দিয়ে বোঁটা টিপি। সুষুমা ছটফট করে।
– তুই তো দেখি বড্ড এক্সপার্ট।
– না। প্রথম বার।
– সত্যি?
– হ। তু-ই প্রথম।
– আমারেও তোর মতো কেউ করেনি আগে।
– মানে?
– ওরা শুধু নিজের মতো করছে। তুই যেভাবে করছিস, মনে হচ্ছে, আমারে চিনিস।
আমি ওর চোখে চোখ রাখি। ওর চোখ স্যাঁতসেঁতে। কাঁচের মতো।
– তোরে চিনি।
– কতটুকু?
– পুরোটাই। আজকের পর।
আমি আবার ওর বুকে মুখ লুকাই। এবার ও আমাকে জড়িয়ে ধরে। ওর হাত আমার পিঠে বেড়ায়। নখ ফোটায়। ব্যাথা পাই। কিন্তু ভালো লাগে।
ও বলে ফিসফিস করে-
– আমার পেটিকোটটা খুলে দে।
আমি নামিয়ে দিই। ও এখন পুরোপুরি উলঙ্গ। শুধু গায়ে আমার দেখা। শরীরে বাতাস লাগে। ও শিউরে ওঠে। কিন্তু শীতের জন্য না।
আমি ওর দিকে তাকিয়ে থাকি। কত সুন্দর। ভাবতে অবাক লাগে, এমন একটা নারী আমার জন্য পথ করে দিয়েছে রাত ১টায়।
ও হাত বাড়ায়। আমার গেঞ্জি ধরে।
– এটা খুলে ফেল। এভাবে কী দেখা যায়?
আমি খুলি। সুষুমা আমার বুকের দিকে তাকায়। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখে।
– তোর বুকেও তো লোম।
– পুরুষ মানুষ।
– ভাল্লাগছে।
– কী ভাল্লাগছে?
– সব।
ও আমাকে টেনে নেয়। ওর গায়ের ওপর শুইয়ে দেয়। আমার বুক ওর দুধের ওপর। নিচে ওর পায়ের ফাঁকে আমার পা। ওর নিঃশ্বাসের গরম আমার গালে লাগে।
ও ফিসফিস করে কানে-
– এখন যা ইচ্ছা কর। সব করতে দেব। কিন্তু একটা কথা।
– কী?
– কাল সকালে যাবি না। আমার সাথে নাস্তা করবি।
– আর কিছু?
– সারাদিন থাকবি।
– অফিস?
– ছুটি নেব।
– পাগল।
– তোর জন্যই।
আমি ওর ঠোঁটে চুমু দিই। তারপর বলি-
– তোকে কনডেনসড মিল্ক বলি কেন, এখন বুঝলি?
সুষুমা হাসে। আঁচড় কাটে আমার বুকে-
– দুধের দাম বুঝিস না তুই। আমি শুধু মিষ্টি নই। আমি গাঢ়।
– জানি।
– কী জানিস?
– তুই আমার প্রাতঃরাশ। দুপুরের খাবার। রাতের ডিনার।
– আর?
– আর সব। যখন যা চাইব, তুই থাকবি।
সুষুমা চুপ করে যায়। তারপর আমাকে জড়িয়ে ধরে শক্ত করে।
– থাকব।
আমরা কিছুক্ষণ চুপ। শুধু ওর বুকের ধুকপুকুনি আর আমার বুকের ধুকপুকুনি। একসাথে বাজছে। একই তালে।
তারপর ও হঠাৎ বলে-
– এই। আমার কিন্তু খিদা পাইছে।
– কী খাবি?
– চকলেট-ক্রিমি না হয় একটা খাই।
– সেটা তো তুই।
– না। তুই। এইবার আমি খাব তোরে।
– কীভাবে?
সুষুমা নিচে নেমে যায়। আমার প্যান্টের দিকে হাত বাড়ায়। আমার শ্বাস আটকে আসে।
(চলবে)