ঠোঁট দুটো লেপ্টে আছে, নিশ্চুপ।
চোখের পাপড়িরা এদিক-ওদিক করছে পুনরবার।
দীর্ঘশ্বাস বয়ে গেল বুকে জমে থাকা লোমে—
ঠিক যেন লাভার মতো আগুন ছেয়ে গেল।
তারপর নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে অন্ধকার দেখা।
কান দুটোকে শব্দের বাজারে স্বাধীন ঘুরতে দিয়ে মনটাকে গ্রানাইটের পাথর করে তোলা।
পা দুটো দুমড়ে-মুচড়ে যেতে চায়
, তবুও হেঁটে যেতে হয়—
রাস্তা এপার-ওপার করে সাঁই সাঁই করে চলে যাওয়া গাড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে।
ক্লান্ত মন ছায়া খোঁজে,
অথচ সেখানেও গাছেদের আড়ালে মুখ গুঁজে পড়ে থাকে
একটু কান্নার সুখ পাওয়ার লোভে।
এত কিছুর মাঝেও কি একাকিত্ব থাকা যায়?