কেউ কেউ বই লেখেন শুধু পড়ার জন্য।
আর কেউ কেউ লেখেন—মানুষকে ভাবানোর জন্য।
বাংলাদেশের তরুণ পাঠকদের মধ্যে যে কজন লেখক চিন্তার জগতে আলোড়ন তুলেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম শরীফ ওসমান হাদী।
তার লেখার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—সাহসী প্রশ্ন করা এবং যুক্তি দিয়ে উত্তর খোঁজা। তিনি এমনভাবে কথা বলেন, যেন একজন শিক্ষক নয়, বরং একজন সহযাত্রী আমাদের পাশে বসে ভাবছেন—ধর্ম, সমাজ, রাজনীতি এবং আমাদের আত্মপরিচয় নিয়ে।
তাঁর লেখায় বারবার উঠে আসে আত্মমর্যাদা, স্বাধীন চিন্তা এবং মুসলিম সমাজের জাগরণের কথা।
তার একটি আলোচিত বক্তব্য ছিল—
“যে জাতি নিজের চিন্তা ও সংস্কৃতির স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারে না, সে জাতি কখনোই প্রকৃত স্বাধীন থাকতে পারে না।”
শরীফ ওসমান হাদী প্রায়ই দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে কথা বলেন। বিশেষ করে ভারতীয় আধিপত্যবাদ নিয়ে তিনি সরব অবস্থান নিয়েছেন। তার মতে, কোনো দেশের স্বাধীনতা শুধু ভৌগোলিক নয়; সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি এক আলোচনায় বলেছিলেন—
“আধিপত্যবাদ শুধু বন্দুক দিয়ে আসে না, অনেক সময় আসে সংস্কৃতি, মিডিয়া ও অর্থনীতির মাধ্যমে।”
এই কথাগুলো তরুণদের ভাবতে বাধ্য করে—
আমরা কি সত্যিই স্বাধীন চিন্তার মানুষ?
নাকি অজান্তেই অন্যের প্রভাবের মধ্যে নিজের পরিচয় হারিয়ে ফেলছি?
তাই যারা শুধু গল্পের বই নয়, চিন্তার বই পড়তে চান—
তাদের জন্য শরীফ ওসমান হাদীর লেখা হতে পারে এক নতুন দরজা।
কারণ তার লেখার উদ্দেশ্য শুধু পাঠক বাড়ানো নয়,
বরং চিন্তা জাগানো।
আপনি কি তার কোনো লেখা পড়েছেন?
পড়ে ফেলুন আজইঃ লাভায় লালশাক পুবের আকাশ