। চাকরি, কি এই চাকরি? কেন মানুষ চাকরির পিছনে দৌড়াই? চাকরি করা খারাপ; ব্যাপারটা এমন না। চাকরি করা ভালো যদি সেটা হয় জাতীযর সেবার জন্য। কিন্তু এই সেবার মধ্যেও লুকিয়ে আছে দুর্নীতির কালো হাত। যখন এই জাতির সেবা এ দুর্নীতির কালো হাতের স্পর্শে আসে তখন তার মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বকে নষ্ট করে ফেলে। আবার যখন চাকরি হয়ে ওঠে একজন মানুষের জীবন ধারণের সম্বল তখন সেটাকে আর দেশ সেবা বলে মনে করা যাবে না। তখন সেটি হয়ে উঠে ব্যক্তির পরিবারের সেবা। প্রভুর সামনে যদি মনের বল না থাকে, কঠিনভাবে সত্য বলতে না পারো, প্রয়োজন হলে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সঙ্গতি না থাকে-তাহলে বুঝবা চাকরি করে তুমি পাপ করছো। হ্যাঁ এটাই সত্য। চাকরি করে অন্যায় পয়সায় ধনী হবার লোভ রাখো? তোমার চেয়ে দিনমজুর ভালো। লোকে বলে,"পরিশ্রম সফলতার চাবি"। কথা সত্য। কিন্তু এ পরিশ্রমটা যদি তোমার দেখাতে হবে সঠিক জায়গায়। তুমি যদি একটি দেয়াল অযথা ভাঙার চেষ্টা না করে সেই দেয়াল যদি তুমি তৈরিতে শক্তি লাগাও তাহলে দিনশেষে তোমার হাতে না হলেও ৫০০ টাকা থাকবে। যা তোমার পরিশ্রমের ফল। এখন তুমি কিছু প্রয়োজন হলে বাবার সামনে হাত পাতো কিন্তু তুমি কি কখনো খোঁজ নিয়ে দেখেছো তোমার বাবা এই টাকাটা উপার্জন করতে কতটা পরিশ্রম করেছেন? ইউরোপের জ্ঞান গরু প্লেটো মিশর ভ্রমণ কালে মাথাই করে তেল বেচে রাস্তা খরচ যোগাড় করতেন। এখন তুমি বলতে পারো ভাই এই যুগে মাথাই করে তেল খেয়ে বিক্রি করে? তোমার প্রশ্নের যুক্তি আছে যেমন ঠিক তেমন তোমার দেশে, তোমার গ্রামে আরো অনেক ব্যবসা আছে। তুমি চাইলেই তোমার গ্রামের বাজারে ছোট কোন একটা দোকান দিতে পারো। শুরুটা ছোট কিন্তু ঠিকমতো করতে পারলে এটাই অনেক। অন্তত মানুষের মুখ তো বন্ধ করতে পারবে। মনে রাখবে কোন কাজই ছোট না। একটু ভেবে দেখো বিদেশ কি সবাই চাকরি করতে যায়? না, কেউ যে হয় দিনমজুর কেউ বা হয় পরিছন্নতা কর্মী। এত টাকা খরচ করে তারা বিদেশ গিয়ে এই সাধারণ সকল কাজ করে কিন্তু তারা কি কখনো পরিশ্রম করা বাদ দিয়েছে? বাদ দে না। তুমিও পরিশ্রম করো, কি লাভ সারাদিন ঘরে বসে ফোন চালানো? কোন লাভ নেই। পরিশ্রম করো সফল হতে একদিন আসবে। দেরিতে হলেও তুমি সফল হবে একদিন। তাই ঘরে বসে না থেকে যাও আর নিজেকে সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি হিসেবে তৈরি কর। (এটা আমার জীবনে লেখা প্রথম গল্প কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন)