চলো আমরা টেকনাফ যাই। স্নেহা বললো, টেকনাফ!!! কেন? আবির উত্তর দিলো, ওইখান থেকে বর্ডার ক্রস করে মায়ানমার চলে যাবো। স্নেহা কৌতুকের ছলে জানতে চাইলো, আচ্ছা! তারপর? আবির বললো, নাহ, সিরিয়াসলি, ফাইজলামি না। আমি যদি ওদেরকে ওইখানে আমার পরিচয় দিই, দে উইল ট্রিট মি এজ অ্যা ভিআইপি। স্নেহা আবার কৌতুক ভরা কণ্ঠেই জানতে চাইলো, তারপর? আবির বললো, তারপর আর কী? আই উইল টেল দেম- আই ওয়ানা স্পেন্ড দ্য রেস্ট অফ মাই লাইফ উইদ দিজ লেডি। চলো, আমরা পালিয়ে চলে যাই। স্নেহা হাসতে হাসতে উত্তর দিলো- হইছে! মাথা খারাপ! কিন্তু ওর বুকের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যাইতেছিল। স্নেহা জানতো, এটা বলছে ড্রাঙ্ক আবির। মদের নেশা কেটে গেলেই ওর এসবের কিছুই মনে থাকবে না। যদি মনেও পড়ে ও এনজাইটি আর গিলটি ফিলিংইয়ে বারবার স্নেহাকে টেক্সট করতে থাকবে সর্যি সর্যি লিখে। আবিরের এই স্বভাব সম্পর্কে স্নেহা এখন মোটামোটি পরিচিত, তাই চেষ্টা করে অধিকাংশ সময় ওর ড্রাঙ্ক অবস্থার কথা ইগনোর করতে।