Posts

সমালোচনা

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন: মুখোশের আড়ালে বাস্তবতা

March 16, 2026

আলিফ রহমান বিজয়

22
View

বাংলাদেশে কোয়ান্টাম মেথড নামের এই চক্রটি এতোটা দুর্ধর্ষ আমি জানতাম না। মুখোশের আড়ালে নিজের নাম পরিবর্তন, জমি দখল, American Silva Method এর হুবহু Implementation আর প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে ইসলামের ভয়াবহ বিকৃতি।

চলুন এদের ব্যাপারে বিস্তারিত জানি। যা জানলে হয়তো আপনার মাথাও ঘুরে যাবে। (পুরো আলোচনার যাবতীয় সোর্স ও রেফারেন্স পোস্টের কমেন্টে দেয়া থাকবে, ইনশাআল্লাহ। এদের ভন্ড কার্যপ্রণালী নিয়ে আমার বিগত লেখা যারা পড়েননি, তারা পড়ে আসতে পারেন) 

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতাকে হাজারো মানুষ চেনেন মহাজাতক হিসেবে। যার নাম আপনারা জানেন শহীদ আল বোখারী। কিন্তু ইতিহাসের ধুলো জমা পাতা বলছে অন্য কথা। এবিএম শহিদুল আলম দুলু যাকে তার এলাকার লোকজন দুলু নামে চিনতো। হঠাৎই কেন তিনি শহীদ আল বোখারী ওরফে মহাজাতক হয়ে উঠলেন। আটের দশকের শেষে যখন তার আধ্যাত্মিকতার নামে জ্যোতিষ বিদ্যার ব্যবসা চলমান ছিল, তখনই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এই মুসলিম বঙ্গে সরাসরি এই বিকৃত বিদ্যা মানুষ বেশিদিন গ্রহণ করবে না। তখনই তিনি ধারণ করলেন এক চূড়ান্ত ছদ্মনাম। শহীদ আল বোখারী ওরফে মহাজাতক। ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী যা ভয়াবহ এক প্রতারণা এবং পাপ! ইমাম বুখারী (রহ.) ইসলামি জ্ঞানের এক অমর ব্যক্তিত্ব, যিনি হাদিস সংকলনের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। এই দুলু তার সেই বোখারী উপাধি ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনে বিজ্ঞ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের ছাপ তৈরি করেছে।
 

তার নামের সাথে জুড়ে দেয়া মহাজাতক শব্দটির শেকড় লুকিয়ে আছে বৌদ্ধ জাতক গল্পে, যা বুদ্ধের পূর্বজন্মের কাহিনী বর্ণনা করে। যা পরোক্ষভাবে পুনর্জন্মবাদ বা বৌদ্ধ নির্বাণ তত্ত্বে বিশ্বাস স্থাপন করার নামান্তর। তিনি বিভিন্ন ধর্মের পরিভাষা মিশিয়ে একটি হাইব্রিড কাল্ট তৈরি করেছেন। যার মাধ্যমে তিনি নিজের ব্যাপারে মানুষের মস্তিষ্কে একপ্রকার বিভ্রম তৈরি করছেন। যা একটি নিউ এজ (New Age) কৌশল। এর মাধ্যমে তিনি একদিকে নাস্তিক বা সেকুলারদের কাছে আধ্যাত্মিক গুরু এবং অন্যদিকে মুসলিমদের কাছে বোখারী সেজে থাকতে পারেন।
 

এই ভূয়া নামধারী শহীদ আল বোখারী বা মহাজাতক যা শেখান, তা মূলত আমেরিকার Jose Silvaর আবিষ্কৃত Silva Mind Control Method থেকে শতভাগ কপি করা। সে Silva Method কে পুরোপুরি কপি করে নাম দিয়েছে Quantum Method। সে এই বিদেশি টেকনিকগুলোকে কোরআনিক সায়েন্স বলে চালিয়ে দিচ্ছে। যা এক জঘন্য ধর্মীয় প্রতারণা।
 

তার এই মেথডের সামান্য পরিমাণও তার নিজের আবিষ্কার না। এরা মূলত পশ্চিমা বিশ্বের New Age Movement থেকেও কপি-পেস্ট করেছে। ১৯শ শতকে হেলেনা ব্লাভাটস্কি এবং অ্যানি বেসান্তের Theosophical Society ইউনিভার্সাল রেলিজিওন এর যে ধারণা প্রচার করেছিল, কোয়ান্টাম ঠিক সেটাই বাংলাদেশে ইসলামি মোড়কে খাওয়াচ্ছে। 
 

পশ্চিমা বিশ্বের এলিটরাও চায় মুসলিম দেশগুলোতে এমন এক ধরনের ইসলাম থাকুক যা কেবল নামে হবে ইসলাম, বাস্তবে যা কবেল সেক্যুলার স্পিরিচুয়ালিটি। যার মাধ্যমে জি❕হাদ, খিলাফত বা শরীয়তের কঠোর বিধানগুলো মানুষের মন থেকে মুছে যাবে। আর কোয়ান্টাম ঠিক এই কাজটিই করছে। তারা নামাজের সাথে ধ্যানের তুলনা করছে, দুইটাকে সমান্তরাল পর্যায়ে নিয়ে আসছে। যা এক ভয়াবহ বিকৃতি। এখানে আমেরিকার কুখ্যাত কাল্ট Scientologyর কাজের পদ্ধতির সাথে কোয়ান্টামের মিল প্রায় ৯০%। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, কোয়ান্টাম মেথড মূলত সায়েন্টোলজির আদলে গড়ে তোলা একটি লোকাল ফ্র্যাঞ্চাইজি। এদের স্ট্রাকচার হুবহু এক।

আমেরিকার থিংক-ট্যাংক RAND Corporation ২০০৩-২০০৭ সালে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে যার নাম ছিল Building Moderate Muslim Networks। সেখানে তারা পরামর্শ দেয় কট্টর ইসলামপন্থীদের দমানোর জন্য সুফিবাদ এবং মিস্টিক ভাবধারার বিকৃত রূপকে প্রমোট করতে হবে।

যার শতভাগ বাস্তব উদাহরণ এই কোয়ান্টাম মেথড। তারা প্রকৃত সুফিবাদের বদলে এমন এক জগাখিচুড়ি শেখায় যা মানুষকে জি❕হাদ বা রাজনৈতিক ও সহিহ আকিদাগত ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে কেবল আত্মউন্নয়ন এবং বস্তুবাদী সাফল্যের পেছনে দৌড়াতে শেখাচ্ছে। এটি পরোক্ষভাবে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদেরই লাভ। কারণ, একদল নামধারী ধ্যানী মুসলিম তাদের দাজ্জালিক নিও ওয়ার্ল্ড অর্ডার এর পথে কোনো হুমকি না।

ফান্ডিং এর ক্ষেত্রে এরা মূলত প্রবাসী এবং ধনী বাংলাদেশিদের টার্গেট করে। অনেক প্রবাসী ভাইয়েরা মনে করেন তাদের রক্তে-ঘামে অর্জিত এই টাকা উনারা ইসলামের কল্যাণে দান করছেন। অথচ তাদের মাটির ব্যাংক এবং যাকাত ফান্ডের কোটি কোটি টাকা কোথায় যায়, তার কোনো স্বচ্ছ অডিট নেই। নামে মাত্র কিছু প্রতিষ্ঠান খুলে রেখেছে যেখানে তাদের মোট আয়ের সিকিভাগও খরচ হয় না। এই টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে কি না, তা নিয়ে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তদন্ত করা উচিত। 

তাদের বিরুদ্ধে পাহাড় দখলেরও অভিযোগ রয়েছে। আধ্যাত্মিকতার যে মরূদ্যান মহাজাতক বান্দরবানের পাহাড়ে তৈরি করেছে। তার ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে স্থানীয় আদিবাসীদের কান্না এবং অস্বচ্ছ অর্থায়নের ওপর। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের প্রধান কেন্দ্র বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই। কাগজে-কলমে এটি একটি ধ্যান কেন্দ্র বা স্কুল (কোয়ান্টাম কসমো স্কুল) কিন্তু পর্দার আড়ালে এটি একটি বিশাল ভূমি দখলের মহড়া।

স্থানীয় ম্রো এবং ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর অভিযোগ অনুযায়ী, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন প্রভাব খাটিয়ে তাদের পৈতৃক জুম ভূমি দখল করেছে। তারা প্রথমে সামান্য জমি কেনে, তারপর ধীরে ধীরে চারপাশের জমি বেষ্টনী দিয়ে আটকে আদিবাসীদের যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, কোয়ান্টামের কারণে অনেক আদিবাসী পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছে। তা ভাই, আধ্যাত্মিকতার দোহাই দিয়ে পাহাড়ি মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মানেটা কি? (রিপোর্ট টি লিংকে দেয়া থাকবে)

​যারা বারবার প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার কথা বলে। তারাই বিশাল বিশাল পাহাড় কেটে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণ হচ্ছে। ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক রেকর্ডগুলো ঘাঁটলে দেখা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর কোয়ান্টামকে ৫৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে। তাদের এই স্ববিরোধিতাই প্রমাণ করে যে, তাদের লক্ষ্য আধ্যাত্মিকতার আড়ালে অন্য কিছু(প্রমাণ সংযুক্ত আছে নিচের লিংকে)। মহাজাতক নিজেকে একজন নিষ্কাম বা নির্লোভ গুরু হিসেবে পেশ করলেও তার প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমাণ এবং জমি দখলের ব্যাপ্তি কোনো বড় বহুজাতিক কোম্পানির চেয়ে কম নয়।

​কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা যাকাত ও সাদকা সংগ্রহ করে। যাকাতের জন্য ইসলামে ৮টি নির্দিষ্ট খাত রযেছে। আদৌ সেখানে যথাযথভাবে তা খরচ করছে কি না তার সামগ্রিক কোনো হিসাব তারা প্রকাশ করে না। একটি পাবলিক চ্যারিটি হিসেবে তাদের আয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ অডিট রিপোর্ট জনসমক্ষে কখনোই তারা প্রকাশ করে না। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কি কেবল সেবামূলক কাজে ব্যয় হচ্ছে, নাকি একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বিলাসী জীবন ও সাংগঠনিক প্রভাব বিস্তারে ব্যায় হচ্ছে?
 

তাদের এই চরম ধর্মীয় বিকৃতির পেছনে বিদেশী কোনো সংস্থার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা দরকার। আর এদের পেছনে বিদেশি কোনো শক্তি থাকুক বা না থাকুক, এদের সিলেবাস পুরোটাই বিদেশি এবং ইসলামবিদ্বেষী দর্শনের ওপর দাঁড়ানো।
 

কোয়ান্টাম ফিজিক্স একটি জটিল গাণিতিক শাখা, যার সাথে হাততালি দেওয়া বা চোখ বন্ধ করে সবুজ বাগান দেখার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি অটো-সাজেশন এবং নিউরো-লিঙ্গুইস্টিক প্রোগ্রামিংকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন যেন এটি কোনো মিরাকল বা অলৌকিক কিছু। তিনি শিক্ষিত সমাজকে টার্গেট করেন। কারণ কোয়ান্টাম শব্দটি শুনলে আধুনিক মানুষের কাছে বিষয়টি খুবই হাইপার লজিক্যাল মনে হয়।
 

তিনি কুরআন, বাইবেল, ত্রিপিটক এবং ওশোর দর্শনকে একসাথে গুলিয়ে ফেলেছেন। যখন একজন সাধারণ মানুষ তার কাছে যায়, তিনি সূক্ষ্মভাবে তাকে বোঝান যে নামাজ পড়াও যা, মেডিটেশন করাও তা। এর ফলে মানুষের ভেতর থেকে একক স্রষ্টার প্রতি যে একনিষ্ঠতা বা তাওহীদ তা নষ্ট হয়ে যায়। এটি একটি সূক্ষ্ম মডারেট কুফর, যা সরাসরি আক্রমণ না করে ধীরে ধীরে মানুষের ঈমানি ভিত্তি ক্ষয় করে দেয়।
 

কোয়ান্টাম ল্যাবের ৪ দিনের সেশনে যে মৌনতা পালন করানো হয়, তা মূলত একটি সাইকোলজিক্যাল ব্রেকিং পয়েন্ট। বাহ্যিক জগত থেকে ৪ দিন বিচ্ছিন্ন রেখে একজনের মাথায় অনবরত গুরুর নির্দেশ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। একে সমাজবিজ্ঞানে আইসোলেশন অ্যান্ড ইনডকট্রিনেশন বলা হয়। এর ফলে মানুষ নিজের যৌক্তিক চিন্তা থেকে বের হয়ে এই মহাজাতক ওরফে দুলু বাবাকে ত্রাতা মনে করতে শুরু করে।
 

এই দুলু বাবা নিজেকে তাজকিয়ায়ে নফস বা আত্মশুদ্ধির গুরু দাবি করলেও তার পদ্ধতিতে কোথাও আখেরাত বা কিয়ামত নিয়ে সেই ভয় নেই যা নবীগণের দাওয়াতে ছিল। তার পুরো দর্শন হলো কীভাবে আপনি দুনিয়াতে সফল হবেন, কীভাবে বাড়ি-গাড়ির মালিক হবেন। অর্থাৎ, তিনি নবী-রাসূলের প্রচারিত তাকওয়া থেকে বের করে আপনাকে পুরো materialistic বানিয়ে দিচ্ছে। 
 

বাংলাদেশের অনেক পরিচিত সেলিব্রিটিরাও এদের কাছে থেকে কোর্স করেছে। এরাই মানুষের কাছে এই দুর্ধর্ষ চক্রকে পরিচিত করে দিচ্ছে।

এই মহাজাতকের মূল কাজ হলো মুসলমানদের ঈমানকে Dilute বা পাতলা করে দেওয়া। যাতে মানুষ আল্লাহকে বাদ দিয়ে, ইসলামের মৌলিক বা Fundamental নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রকৃতি বা মহাবিশ্বকে রব মনে করতে শুরু করে। যা অলরেডি অনেকেই করছে। তারা নামে নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করছে কিন্তু তাদের Subconscious Mechanism পুরোটাই ওই দুলু বাবার নিয়ন্ত্রণে।

আমি রিসার্চ করতে গিয়ে দেখলাম এদের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ। কিন্তু মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার নির্লিপ্ততার পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষ এদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে কোনো অ্যাকশনে কেন যাচ্ছে না সেটাই বুঝতে পারছি না!
 

লেখা শেষ, এবার আমাকে পাল্টা ভুগিচুগি লজিক দিয়ে এই মহাজাতককে জাস্টিফাই করার আগে নিচের লিংক থেকে কোয়ান্টাম মেথড সম্পর্কিত কিছু রেফারেন্স দেখে আসুন।


 

রেফারেন্স-
 

পাহাড় কাটায় ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা — https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/l3yqkjygpd?hl=en-US
 

কোয়ান্টামের অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে পরিত্রাণ চায় লামার জনগণ — https://www.bahumatrik.com/nature-lessons/news/124598

জমি জবর দখল করার দায় স্বীকার — https://www.parbattanews.com/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE/amp/

কোয়ান্টামের আড়ালে দুর্নীতি, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র  https://aparadhbichitra.com/2025/05/07/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C/

ভূমি দখল ও নারী নির্যাতনে কোয়ান্টাম — https://hillnewsbd.com/2023/02/02/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%96%E0%A6%B2-%E0%A6%93-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0/

কোয়ান্টাম মেথডের নামে প্রতারণা — https://follow-upnews.com/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A5%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D/
 

Personal blog about quantum method — https://m.somewhereinblog.net/mobile/blog/muntasir85/30347498
 

Western Project for Building Moderate Muslim Networks — https://www.rand.org/pubs/monographs/MG574.html
 

কোয়ান্টাম মেথডের এর ব্যাপারে বিভিন্ন মুফতি ও মুফাসসিরগণের মতামত :
 

https://at-tahreek.com/article_details/7258

https://al-itisam.com/article_details/248
 

https://muslimbangla.com/masail/12048/undefined

http://m.blogekattor.com/blog/detail/804
 

https://ahlehaqmedia.com/10554
 

https://salafiforum.com/threads/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A5%E0%A6%A1-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%Aundefined

Comments

    Please login to post comment. Login