🕯️ গল্পের নাম: “অন্ধকার ঘরের দরজা”
রিমনের বয়স ১৬। শহরের ভিড়ভাট্টা ছেড়ে তার পরিবার হঠাৎ করে চলে আসে এক পুরনো গ্রামে। বাড়িটা তারা কম দামে কিনেছিল—কারণ সবাই বলতো, এই বাড়িতে “কিছু একটা আছে”।
প্রথম দিন থেকেই রিমনের অদ্ভুত লাগছিল।
বাড়ির উপরের তলায় একটা ঘর—সবসময় তালা দেওয়া।
রিমন তার মাকে জিজ্ঞেস করেছিল—
“এই ঘরটা বন্ধ কেন?”
মা শুধু বলেছিল, “ওটা খালি… দরকার নেই ওখানে যাওয়ার।”
কিন্তু মানুষের তো কৌতূহল থাকেই…
🌑 প্রথম রাত
রাত ১২টার পর হঠাৎ রিমনের ঘুম ভেঙে যায়।
সে স্পষ্ট শুনতে পায়—
“ঠক… ঠক… ঠক…”
শব্দটা আসছে উপরের তলা থেকে।
রিমনের বুক ধড়ফড় করতে লাগলো।
সে ভেবেছিল হয়তো বাতাসের শব্দ… কিন্তু শব্দটা একেবারে নিয়ম করে হচ্ছে।
সে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলো।
উপরে গিয়ে দেখে—
সেই তালা দেওয়া ঘরের দরজা… আধখোলা!
তালা কোথায় গেল?
🚪 ঘরের ভেতরে
রিমন কাঁপতে কাঁপতে দরজাটা ঠেলে খুললো।
ঘরের ভেতরে অদ্ভুত ঠান্ডা।
চারপাশে ধুলো… জাল…
মাঝখানে একটা পুরনো কাঠের চেয়ার।
দেয়ালে অদ্ভুত আঁচড়—যেন কেউ নখ দিয়ে ঘষেছে।
হঠাৎ দরজাটা “ধাম” করে বন্ধ হয়ে গেল!
রিমন দৌড়ে দরজার কাছে গেল—
কিন্তু দরজা খুলছে না।
তার শ্বাস ভারী হয়ে আসছে।
👤 ভয়ংকর ঘটনা
হঠাৎ সে শুনতে পেল—
তার নিজের গলার মতো একটা শব্দ…
“তুই… কেন… এসেছিস…?”
রিমন চিৎকার করতে চাইল, কিন্তু গলা দিয়ে শব্দ বের হলো না।
তার সামনে আয়নার মতো একটা কালো ছায়া তৈরি হলো।
ছায়াটা ধীরে ধীরে মানুষের আকার নিচ্ছে…
আর সেটা দেখতে ঠিক রিমনের মতো!
🩸 সত্যটা
ছায়াটা হেসে বললো—
“এই ঘর আমার… অনেক বছর আগে আমাকেও এখানে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল…”
রিমনের মাথায় হঠাৎ একটা ছবি ভেসে উঠলো—
একটা ছেলে, এই একই ঘরে আটকে… সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে…
কিন্তু কেউ দরজা খোলেনি।
সে এখানে মরে গিয়েছিল।
আর এখন…
সে একা থাকতে চায় না।
🔒 শেষ
পরদিন সকালে রিমনের মা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে।
ঘরের ভেতরে কেউ নেই।
শুধু সেই পুরনো চেয়ার…
আর দেয়ালে রক্তের মতো লাল দাগে লেখা—
“এখন আমরা দুইজন…”
😨 শেষের পরও রহস্য…
সেই রাতের পর থেকে…
রিমনের ঘর থেকে মাঝে মাঝে শোনা যায়—
“ঠক… ঠক… ঠক…”
🔥 চাইলে আমি এটাকে আরও বড় করে “পার্ট ২” বানাতে পারি—যেখানে সত্যি কী ঘটেছিল পুরো বের হবে!
21
View