একটা লোক কতটা স্টুপিড হলে এই রকম সিচ্যুয়েশনের ভেতর ফেলে এতগুলা মানুষকে সাফার করায়। এতকিছুর পর আবিরের প্রতি কোনো অনুভূতিই থাকা ওর জন্য যৌক্তিক না। রাগ-জেদ-ক্ষোভ থাকা মানে তো এখনো ভালোবাসাটা কোথাও না কোথাও রয়ে গেছে। ওইটা না থাকলে তো এখনো এসব চিন্তা ওকে ত্যাক্ত-বিরক্ত করে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতো না। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ও ভাবে- অথচ এই গল্প কোনোদিন লেখা হলে স্নেহা হবে ওই গল্পের এনট্যাগনিস্ট! কিংবা আরেকটু ভয়াবহ কিছু- কোনো এক ডেভিল চরিত্রে হয়তো ওর আবির্ভাব হবে, যে সবকিছু ধ্বংস করার পর গল্প থেকে বিদায় নেবে। বিষয়গুলা কি এতটাই সাদা বা কালো? না তো! একটা গ্রে লাইনের ভেতর দিয়ে প্রত্যেকটা মানুষকে নিজের জীবনটাকে যাপন করতে হয়। এভ্রিথিং ইজ গ্রে হেয়্যার; ইভেন ইউ, মাই ডিজায়ার টু- স্নেহা আবারও ফাঁকা ফ্ল্যাটে চিৎকার করে বলে ওঠে...