Posts

উপন্যাস

চেজিং দ্য ড্রাগন: এভ্রিথিং ইজ গ্রে

March 21, 2026

Shifat Binte Wahid

Original Author সিফাত বিনতে ওয়াহিদ

130
View

২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে সিলেট থেকে ময়মনসিংহ হয়ে ঢাকায় ফেরার পরও আফতাবনগরের ফ্ল্যাটটায় থাকতে পারে না স্নেহা। প্রথমে ও ওখানেই যায়; কিন্তু আবারও একই সব দৃশ্য, একই ঘ্রাণ ওকে রেস্টলেস করে তোলে। বাধ্য হয়েই রাতটা কাটাতে ও নিকেতনে আম্মার বাসায় চলে যায়। ক্লান্ত-বিধ্বস্ত ওর শরীর তখন কিছুক্ষণ চুপচাপ ঘুমানোর জায়গা খুঁজতেছিল। এমন একটা জায়গা, যেখানে আবিরের স্মৃতি ওকে আরাম দেবে, লোনলি ফিল করাবে না।

ওই রাতে নিকেতনে যাওয়ার পর আবির স্নেহাকে ভিডিও কল করে। প্রায় দেড় ঘণ্টার ওই কলে একটু পরপরই আবির বলতে থাকে- তুমি আমাকে ভুল বুঝতেছো, স্নেহা। আই'ম সর‍্যি। আই ওয়াজ সো ড্রাঙ্ক। আমি জানি না ফ্লাইটে ওঠে আমি তোমাকে কী বলছি যেটাতে তুমি এত কষ্ট পাইছো। একটু মনে করিয়ে দিতে পারবা? কী বলছিলাম আমি? সিরিয়াসলি, মনে নাই আমার।

অনেকবার রিকোয়েস্ট করার পর স্নেহা শুধু মনে করায়- “আমাদের আর দেখা হবে না”র অংশটুকু। এর আগে যে আবির বেশ কয়েকবার ওকে আই লাভ ইউ বলছে, ইচ্ছা করেই স্নেহা ওই অংশটুকু এড়ায়। এই রকম অসংখ্যবার ড্রাঙ্ক অবস্থায় বলা আবিরের অনেক সেন্সিটিভ কথা সোবার অবস্থাতে স্নেহা মনে করায় নাই শুধুমাত্র আবির বিব্রত হবে ভেবে। কিন্তু ড্রাঙ্ক আর সোবার আবিরের ওইসব মিক্সড বিহেভিয়র স্নেহার জীবনে ক্রমাগত অস্থিরতা বাড়াতেই থাকে।

যে স্নেহা একদিন আবিরের হাত ধরে ওর ভালোবাসা এক্সপ্রেস করার অনুমতি চেয়ে নিছিল, ওর মনটা এসবে আস্তে আস্তে ডিমান্ডিং হয়ে ওঠতে থাকে। ও অভিমান করে, অধিকার দেখায়- আবির এসবের রেসপন্সে হয় নির্লিপ্ত থাকে, নতুবা ওই সময় ম্যানেজবল বিহেভ করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করে। ওই রাতের কনভার্সেশনের এক পর্যায়ে স্নেহা খুব ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে পড়ে। একদিকে আবির একেক সময় স্নেহার প্রতি প্রচণ্ড কনসার্ন দেখায়, অন্যদিকে অনেক বিষয়ে ওর প্রচণ্ড নির্লিপ্ততাও স্নেহাকে হজম করতে হয়। এসব দ্বৈত আচরণ সহ্য করতে করতে একটা পর্যায়ে স্নেহার বদহজম শুরু হয়। ও রিয়্যাক্ট করা শুরু করে। রেগে যায়, জেদ দেখায়, শাউট করে। নিজের কাছে নিজেকেই ওর অপরিচিত লাগা শুরু হয়।

একটা ব্ল্যাকহোলের ভেতর পড়ে স্নেহার মানসিক অবস্থা এমন বিশ্রী একটা অস্থিরতার ভেতর বন্দি হয়ে যায়, যার দোষ এখন আর ও কাউকে দেয় না। ওই সময়গুলাতে রাতের পর রাত জায়নামাজে বসে কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহকে ও পথ দেখাতে বলছে, আকুতি জানাইছে যেন আল্লাহ ওর মনটাকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেন। কিন্তু যত ও এইসব প্রার্থনা করছে, ততই আবিরের প্রতি ওর অনুভূতি তীব্র থেকে আরো বেশি তীব্রতর হইছে।

স্নেহা একটা সময় গিয়ে নিজেকে সমর্পণ করে দেয়, কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হয় না। ও প্রায়ই ফিল করে, একটা পাতলা সুতায় বেঁধে কেউ ওকে একটা ব্ল্যাকহোলের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে রাখছে। না উপরে ওঠতে দিচ্ছে, না একেবারে নিচেও ফেলে দিচ্ছে। ফেলে না দেওয়াটা করুণা; উপরে ওঠতে না দেওয়াটা- অনিচ্ছা, কিছুটা অক্ষমতাও। সুতার নাটাইটা যার হাতে ছিল, সে নিজেই পুরাটা সময় ছিলেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। সে কী করে, কেন করে, কখন কী বলে, কেন আসে, কেনই বা চলে যেতে চায়- এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে তার দুইটা বছর সময় লেগে গেছে। সুতাটা যখন সে ছিঁড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলো, ততদিনে গভীর শূন্যতা থেকে উপরে ওঠে আসার মানসিক শক্তিটা স্নেহা পুরাপুরিই হারিয়ে ফেলছিল।

২৭ ফেব্রুয়ারি রাতের কনভার্সেশনে অনেক যুক্তি-তর্ক, অভিযোগ-অনুযোগ, কান্নাকাটির পর আবির স্নেহাকে বলে- আই থিংক উই নিড অ্যা ব্রেক। স্নেহা প্রথমে বুঝতে পারে না। পর মুহূর্তেই নিজেকে সামলে ও জানতে চায় কত দিনের ব্রেক? আবির কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে- দুই বছর। স্নেহা হেসে ফেলে ওর উত্তরে। দুই বছর পর কী হবে জানতে চাইলে আবির কোনো জবাব দিতে পারে না। চুপ থাকে। স্নেহা আবার বলে, আমি দিলাম তোমাকে দুই বছর। দুই বছর কোনো যোগাযোগ করবো না, কিন্তু এরপর কী হবে? আবির উত্তরে বলে- জানি না।

স্নেহা তখন জোরে হেসে দেয়। ও জানে, দুই বছর পর কিছুই হবে না। আবির এই সম্পর্ক থেকে বের হতে চাইতেছে, এটা স্পষ্টভাবে বলার সাহস ও করতে পারতেছে না বলেই দুই বছরের ব্রেক ওকে চাইতে হইতেছে। সামনের দুই বছর ও রাজশাহীতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকবে, কয়েক মাসের মধ্যে তার ফ্যামিলিও ওইখানে মুভ করবে। এরপর ঢাকায় আসার তেমন সুযোগও আর থাকবে না আবিরের, আসার প্রয়োজনীয়তাও থাকবে না তেমন। তাই স্নেহার চ্যাপ্টারটা ও বন্ধ করতে চাইতেছে, কিন্তু স্পষ্টভাবে এই কথা স্নেহাকে ও বলতেও পারতেছে না। ইন ফ্যাক্ট, ওর ফ্যামিলি ওইখানে মুভ করার ব্যাপারটাও না!

আবিরের হয়তো তখন মনে হইতেছিল, ব্রেক দিলে একটা সময় স্নেহা ওকে ভুলে গিয়ে মুভ অন করবে, বা এইসব বিরহের ক্যাচালের মধ্যে বেশি দিন থাকতে না পেরে আরেকজনকে খুঁজে নেবে! ফয়েল পেপারের এক মাথা থেকে আরেক মাথায় যেতে যেতে স্নেহার প্রচণ্ড হাসি পেলো আবিরের ওই রাতের ভাবনার কথা চিন্তা করে। এর পরপরই প্রচণ্ড রাগ-ক্ষোভ আর অপমানে আবিরকে দুই-একটা কড়া বকাঝকা দেওয়ার ইচ্ছাও মাথায় আসলো ওর।

আগুন-ধোঁয়ার উড়াউড়িতে খানিকটা পজ দিলো স্নেহা। কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম ডান হাতের তালুর উল্টা দিক দিয়ে মুছতে মুছতে চিৎকার করে ওঠলো- আই রিগ্রেট দ্যাট আই লাভ অ্যা স্টুপিড লাইক ইউ! আই রি-গ্রে-ট! বাট আই য়োন্ট ফরগেট এনিথিং, নট আফটার টু ইয়ার্স, নট আনটিল মাই ডেথ! নাইদার উইল ইউ ফরগেট মি। পারহেপ্স, দিস ইজ দ্য পানিশমেন্ট উই ডেসটিন্ড টু ক্যারি ফর ইচ আদার। আই ফাকিং লাভ ইউ! ইয়েস আই স্টিল ডু অ্যান্ড আই রিগ্রেট কজ ইউ ডোন্ট ডিজার্ভ ইট! আবিরকে এসব শোনানোর সুযোগ এখন আর নাই ওর। অবশ্য এর প্রয়োজনও আর আছে বলে ওর মনে হয় না।

হঠাৎ করেই স্নেহার আকরাম ভাইয়ের কথা মনে পড়ে। ওর এক্স বস, প্রফেশনাল লাইফের মেন্টরও। উনি সবসময়ই স্নেহাকে বলেন- ইউ অলওয়েজ আন্ডারএস্টিমেট ইউর য়োর্থ। ভ্যালু ইট। ইউ হ্যাভ নো আইডিয়া হোয়াট জেম ইউ রিয়েলি আর। ইউ আর জাস্ট ওয়েস্টিং ইউর ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড এনার্জি অন সামথিং য়োর্থলেস। আকরাম ভাইয়ের ওই কথা স্নেহা বরাবরই এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতো। কিন্তু এখন ও মাঝে মাঝে ফিল করে- মেবি আবির ইজ আউটস্ট্যান্ডিং ইন হিজ জব; দ্যাটস টোটালি ডিফরেন্ট ইস্যু, বাট এজ অ্যা হিউম্যান বিং, হি ইজ টু ইললিটারেট টু আন্ডারস্ট্যান্ড সিম্পল হিউম্যান ফিলিংস, অ্যান্ড দ্যাটস ম্যাটার মোর দ্যান হাউ সাকসেসফুল হি ইজ ইন হিজ প্রফেশন।

ওর মূর্খতা অনেকগুলা মানুষের জীবনকে আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে দেবে না বহুদিন, হয়তো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোনোদিনই। এটা বোঝার মতো সক্ষমতাও আবিরের নাই! ওই রাতেও ছিল না। ওই রাতের কনভার্সেশন এখনো স্নেহার স্পষ্ট মনে আছে। ও চোখ বন্ধ করে ভাবে- দুই বছর কেন, বিশ বছর ব্রেক দিলেও কিছু সম্পর্ক, কিছু স্মৃতি মানুষ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভুলে না, ভুলতে পারে না। এটা একজন ইমোশনালি ইললিটারেট মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব না যদিও।

আবির শুধু ইমোশনালি ইললিটারেটই না, মানসিকভাবেও প্রচণ্ড দুর্বল প্রকৃতির একজন মানুষ। এমন পেশায় সুনাম কামানো একজন মানুষ কী করে এত দুর্বল চিত্তের হয়, এটা ভাবতেই অবাক লাগে স্নেহার।  কোনো বিষয়েই আবির স্পষ্টভাবে কোনো কথা কোনোদিন বলতে পারে নাই। হয় ভয়ে, নয়তো অশান্তি সৃষ্টির আশঙ্কায়। ও বরাবরই স্নেহা কী রিয়্যাক্ট করবে- এই চিন্তায় সঠিক সময় সঠিক তথ্য দেয় নাই বা যেটা বলার প্রয়োজন ছিল, না বলে চুপ থাকছে। এতে যে ও নিজের, স্নেহার, এমন কী ওর পরিবারেরও কী পরিমাণ ক্ষতি করলো- এই বোধ সম্ভবত এখনো আবিরের হয় নাই।

স্নেহা চোখ বন্ধ করে। এসব ভাবনায় ওর মনটা বিষাদে ভরে যায়। আবিরের ক্যারেক্টারইস্টিকস নিয়ে এই ব্যবচ্ছেদ খুব বাজে ফিল দিলো স্নেহাকে। এসব চিন্তা বন্ধ করতে এখন দিনের পর দিন নিজেকে কত কী প্রসেসের ভেতর দিয়ে যে ওর নিয়ে যাইতে হইতেছে। মাঝে মাঝে এসব ভাবনা স্নেহাকে বুজের পাঁজর ভাঙার সমান যন্ত্রণা দেয়। সমস্ত মন আর শরীর এসব চিন্তা করলেই ব্যথায় কুঁকড়ে ওঠে। আবিরকেও নিশ্চয় মাঝে মাঝে এই রকম সিচ্যুয়েশন ফেস করতে হয়, স্নেহা ভাবে আর ওর আবারও আবিরের উপর মেজাজ বিগড়ে যায়।

একটা লোক কতটা স্টুপিড হলে এই রকম সিচ্যুয়েশনের ভেতর ফেলে এতগুলা মানুষকে সাফার করায়। এতকিছুর পর আবিরের প্রতি কোনো অনুভূতিই থাকা ওর জন্য যৌক্তিক না। রাগ-জেদ-ক্ষোভ থাকা মানে তো এখনো ভালোবাসাটা কোথাও না কোথাও রয়ে গেছে। ওইটা না থাকলে তো এখনো এসব চিন্তা ওকে ত্যাক্ত-বিরক্ত করে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতো না। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ও ভাবে- অথচ এই গল্প কোনোদিন লেখা হলে স্নেহা হবে ওই গল্পের এনট্যাগনিস্ট! কিংবা আরেকটু ভয়াবহ কিছু- কোনো এক ডেভিল চরিত্রে হয়তো ওর আবির্ভাব হবে, যে সবকিছু ধ্বংস করার পর গল্প থেকে বিদায় নেবে। বিষয়গুলা কি এতটাই সাদা বা কালো? না তো! একটা গ্রে লাইনের ভেতর দিয়ে প্রত্যেকটা মানুষকে নিজের জীবনটাকে যাপন করতে হয়। এভ্রিথিং ইজ গ্রে হেয়্যার; ইভেন ইউ, মাই ডিজায়ার টু- স্নেহা আবারও ফাঁকা ফ্ল্যাটে চিৎকার করে বলে ওঠে।

২৭ ফেব্রুয়ারির রাতের ওই কনভার্সেশন স্নেহাকে ভীষণ বিরক্ত করা শুরু করলো এই একাকীত্ব উদযাপনের মহৎ দিনে। আবিরকে নিয়ে জাজমেন্টাল হতে ভালো লাগে না ওর, কিন্তু আবির যেমন শেষটায় নিজেকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে স্নেহাকে…উফফফফ! মাথাটা চেপে ধরে চোখ খুলে ফোনটা হাতে নেয় স্নেহা। বিদায়ের আগের ওইসব বিশ্রী-কুৎসিত অনুভূতি মনে করলেই ওর বুকের ভেতরটায় এখনো প্রচণ্ড এক চাপ ফিল হয়! স্নেহা জোরে জোরেই বলে ওঠে, এ-খ-নো! অনুভূতি ভোঁতা হওয়ার আগে আরো অনেক শাস্তি বোধহয় ওর এখনো পাওয়া বাকি আছে- নিজেকে ও সেটা মনে করিয়ে দেয়।

পুরা ঘর ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেছে। স্নেহার মনে হইতেছে, জাহান্নামের সর্বোচ্চ স্থানে বসে ও যেন একটা কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল দেখতেছে। মাথা হালকা টলতেছে ওর। ওইটা ইগনোর করে স্পটিফাইয়ের সার্চ অপশনে গিয়ে লিখলো- সালমা আঘা! পারফেক্ট। একদম প্রথম গানটাই এই মুহূর্তে ও খুঁজতেছিল। ধোঁয়া, অন্ধকার, কুয়াশা, জাহান্নাম- গ্লুমি একটা ফিলিংয়ের ভেতর দিয়ে সালমা আঘার সঙ্গে একটু পর স্নেহাও গাইতে শুরু করলো-

শায়াদ উন কা আখিরি হো এ সিতাম
হার সিতাম এ সোচ কার হাম সেহ গেয়ে…
খুদ কো ভি হামনে মিটা ডালা মাগার
ফাসলে যো দারমিয়াঁ থে রেহ গেয়ে
হাম ওয়াফা কার কে ভি তানহা রেহ গেয়ে
দিল কে আরমান আসুও মেঁ বেহ গেয়ে…

ইদানিং স্নেহা আর কাঁদতে পারে না। এই গানটায় গলা মেলাতে গিয়ে কান্না পেলো হঠাৎ। এই কারণে না যে সালমা আঘার মতো ওর মনের বাসনাও চোখের পানিতে ভেসে গেছে, বরং এই ভাবনায় যে ও কোনোদিন আর আবিরের চোখের দিকে তাকিয়ে বলতে পারবে না- “হাম ওয়াফা কার কে ভি তানহা রেহ গেয়ে।” শেষ পর্যন্ত তো ওয়াফা ওর থাকা হলো না। এর পেছনে কোনো যদি বা কিন্তুর ব্যাখ্যা শোনাতে চাওয়াকেও আবিরের পরিহাস মনে হতে পারে। হয়তো কোনোদিনই আবির জানবে না, কেন বা কোন পরিস্থিতির কারণে বাকিটা জীবন স্নেহা আবিরের গল্পে ডেভিল চরিত্র হয়ে ঘৃণা কুড়াবে। কান্নাটা আসতে গিয়েও কোথায় যেন আটকে গেল। স্নেহা সুঁইয়ের মাথায় আগুন ধরিয়ে আবার গাইতে থাকলো-

খুদ কো ভি হামনে মিটা ডালা মাগার
ফাসলে যো দারমিয়াঁ থে রেহ গেয়ে…

চেজিং দ্য ড্রাগন: ব্যাড লায়ার

Comments

    Please login to post comment. Login