
গতকাল এলাকা ঘুরে একটা চায়ের দোকান পাইসি। দোকানে ঝাঁপ থ্রি কোয়ার্টার নামানো। চোরাগোপ্তা স্টাইলে চা দেয়, কাক পক্ষী টের না পায় মত করে।
আজকে দেখি সেই দোকানের ফুল শাটার নামানো। দোকানী সিগারেট টানতেসে চিপা একটা গেইটের সামনে দাঁড়ায়া। এদিক ওদিক চায় আর মুঠার মধ্যে ধরা সিগারেট টেনে ধোঁয়া ছাড়ে। অঙ্গভঙ্গি সন্দেহজনক। বললাম, "দোকান বন্ধ?"
কিছু বলে না। এদিক ওদিক চেয়ে ইশারায় বললো ভিতরে হান্দান। হাতে ধরা ছোটো গ্রীলের গেইট খুলে দিল। সুরুত করে ভিতরে হান্দাইলাম। বিস্ময়কর কারবার!!
বহু লোক বইসা চা খাইতেসে, সিগারেট টানতেসে। দোকানীর পিচ্চি ছেলে মুখে মাস্ক লাগাই অক্লান্ত চা বানাইতেসে। কাস্টমারকে সাপ্লাই দিতেসে। চোর চোর ভাব ভর করলো মনে। ইশারায় চা দিতে বললাম। ইশারায় সিগারেট। লোকজনের ভিতর ফিসফাস।
বাঙালি বেশিক্ষণ কথা না বলে থাকতে পারে না। মিনি বাজারে পরিণত হয়। বাইরে থেকে বিরক্ত দোকানী ভিতরে ঢোকে। চা খাওয়া হইলে বাইরে যাইতে বলে। শোরগোল একটু কমে। ভদ্রলোকের এক কথা! আমি বাজার পসন্দ করি না। মুঠায় সিগারেট লুকাই সুরুত করে বাইর হই গেলাম।
আশ্চর্য হয়ে গলির আরেক মাথায় দেখি চোরাগোপ্তা স্টাইলে এক লোক মুখে মাস্ক লাগানো ফ্লাস্কভর্তি চা বেচতেসে। এদিক-ওদিক চায়। সন্দেহজনক। চোর চোর ভাব নিয়ে ওয়ান টাইম কাপে কাস্টমার চা খাইতেসে।
বঙ্গবন্ধু বলসিলেন, "দাবায়া রাখতে পারবা না।...." মনে পড়লো।
চোর চোর ভাব নিয়ে বেশিক্ষণ ভালো লাগে না। অগত্যা বাসায় ঢুকে গেলাম।