শেষদিন স্নেহা ইচ্ছা করেই কিছু আবিরকে কোনো প্রশ্ন করে নাই। কোনোকিছু বলেও নাই। স্নেহা বুঝতে পারছিল আবিরকে ওই সময় প্রশ্ন করলে কোনো লাভ হতো না। বরং ওই সময়ের তিক্ততাটা বাড়তো। এমনিতেই শেষটা যথেষ্ঠ কদর্য ছিল! স্নেহা ওই কনভার্সেশন তার স্মৃতির আনাচে-কানাচেও রাখতে চায় না। স্নেহা আবিষ্কার করলো, আবিরের সঙ্গে একমাত্র ওই কনভার্সেশনের স্মৃতিটাই শুধু সে শিফট+ডিলিট করে চিরতরে মুছে ফেলতে চায়, এছাড়া বাদ বাকি প্রতিটা মুহূর্তই সে খুব যত্নে তুলে রাখবে। গরুর জাবড় কাটার মতো মাঝে মাঝে সেগুলো বের করে খুলে খুলে দেখবে আর স্মৃতির জাবড় কাটবে। স্নেহা জানে, আবির ওইদিন কোন মানসিক কন্ডিশনে ছিল। স্নেহার প্রতি প্রচণ্ড রাগ আর হয়তো কিছুটা ঘৃণাও মেশানো থাকলে থাকতে পারে- এমন মিশ্র ফিলিং নিয়ে সে নিজেকে ডিফেন্ড করে যাচ্ছিল। কিন্তু রিয়েলিটি সামথিং ডিফরেন্ট! উই ক্যান ডিফেন্ড আওয়ারসেলভস টু আদার উইদ অ্যা থাউজেন্ড আর্গুমেন্টস অর ডিনাই দেম অলটুগেদার। বাট দেয়্যার ইজ নো ওয়ে ফর এস্কেপিং ফ্রম আওয়ার য়ৌন সেলফ। সুনার অর লেটার, উই অল হ্যাভ টু এন্সার টু য়ৌন কনশেন্স ফর হোয়্যাট উই হ্যাভ ডান। উই অল মাস্ট এন্সার। দেয়্যার ইজ নো আদার ওয়ে...