ওইদিন বিকালে হঠাৎই আবির টেক্সট করে জানতে চায় স্নেহা কী করতেছে, কাজে বিজি কি না। স্নেহার মন আর মস্তিষ্ক তখনও আগের রাতের সুন্দর মুহূর্তগুলার হ্যাংওভারে ছিল। ও ওইসব প্রশ্নের উত্তর দিতেছিল দুষ্টুমিতে। পুরাদমেই সদ্য প্রেমে পড়া এক প্রেমিকার মেজাজে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই আবির লিখলো- স্নেহা, আই নিড টু মুভ অন। মাই এক্স ইজ ব্যাক। আই কান্ট ডু দিজ সিমালটেনিয়াসলি উইথ টু গার্লস। দ্যাটস হোয়াট আই'ম। মাই ওয়ার্ক, মাই এথিক্স অর হোয়াটএভার ইট'স রেস্ট্রিক্ট মি ফ্রম ডুয়িং ইট। স্নেহা ওই মোমেন্টে ওই টেক্সটগুলা বিশ্বাস করতে পারতেছিল না। ও এতটাই শকড হয় ওই টেক্সট দেখে যে উত্তরে কী লিখবে বুঝতে পারে না। অনেকক্ষণ ভাবার পর শুধু লেখে- ইয়া, শিওর। মুভ অন। বেস্ট অফ লাক ফর বোথ অফ ইউ। আবির লেখে, প্লিজ টেক কেয়ার অফ ইউরসেলফ। ইউ আর দ্য মোস্ট ওয়ান্ডারফুল ওম্যান আই হ্যাভ এভার মেট। আই'ম সর্যি। ইট'স টাফ, বাট ইট'স রিকোয়ার্ড। সাইয়োনারা...
This is a premium post.