কনভার্সেশনের শুরুর দিকে মাহমুদ ভাই যতটা কঠোর ছিল, স্নেহার এই অনুনয় দেখে সম্ভবত তার কণ্ঠে নমনীয়তা আসে। সে কিছুক্ষণ চুপ থেকে স্নেহাকে বলে- লুক, আই'ম নট গোন্না সে দিজ টু এনিওয়ান। হি ইজ ফ্রম মাই প্রফেশন। আমি কখনোই চাইবো না আমার একটা জুনিয়রের ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাক। বাট হোয়াট হি ডিড ইজ আনএক্সেপ্টেবল। মাই সাজেশন ইজ, ডোন্ট কিপ ইন টাচ উইদ হিম এনিমোর। হে সেইড সর্যি টু ইউ, হি এক্সপ্লেইনড থিংগস, নো মেটার হি ইজ লায়িং অর নট, ফিনিশ ইট হেয়্যার। তোমার রিকোয়েস্টে আমি ওর জন্য ভালোবাসা ফিল করছি, ডোন্ট মেক দ্যাট মিসটেক, আই'ম টেলিং ইউ। ইট উইল কজ ইউ লট অফ সাফারিংস। হি ইজ নট হোয়াট ইউ আর থিংকিং হি ইজ, মার্ক মাই ওয়ার্ড। ব্যাপারটা ওইখানেই শেষ হয়ে যায়। এই কল বা ঘটনার জন্য কোনো ক্ষতি স্নেহার সঙ্গে যোগাযোগের শেষদিন পর্যন্ত আবিরের হয় নাই। কিন্তু শেষদিন পর্যন্ত আবির এটাও বিশ্বাস করে নাই যে ওই কলটা স্নেহা দেওয়ায় নাই। স্নেহার প্রতি একটা অবিশ্বাস আবিরের সবসময়ই ছিল। এমন কী স্নেহার প্রেগন্যান্সি নিয়ে লেখা ফিকশনটা পড়ার পরও। ওই ফিকশনটা পড়ে আবির স্নেহাকে টেলিগ্রামে নক করতে বলার পর ওদের আবার কথা হয়। আবিরই স্নেহাকে কল করে। জানায় ও ফিকশনটা পড়ছে। আবির জানতে চায়- ইজ ইট ট্রু? স্নেহা ভাবতে পারে নাই আবির ওকে স্টক করে বা ওই ফিকশন ও পড়বে। ওর ধারণা ছিল আবিরকে তো নিজের কাছ থেকে মুক্তই করে দিছে। ওইটাই এই জন্মে ওদের শেষ দেখা হবে...