আবিরের এক্সিডেন্ট পরবর্তী ওই সময়গুলার কথা ভাবতে ভাবতে স্নেহার খেয়াল হয় প্রথম চুমুকের পর কফির কাপটা ওইভাবেই সে পাশে ফেলে রাখছিল। এতক্ষণে কিছুটা ঠান্ডাও হয়ে পড়ছে। গরম করতে যেতে ইচ্ছা না করায় ঠান্ডা হয়ে আসা কফিতেই চুমুক দিতে গিয়ে স্নেহার মনে পড়লো- আবিরের ওই এক্সিডেন্টের জন্য নিজেই নিজেকে দোষারোপ করে বহু রাত স্নেহা নির্ঘুম কাটাইছে। রাতের পর রাত তাহাজ্জুদের সিজদায় আল্লাহর কাছে চোখের পানি ফেলে আবিরকে প্রফেশনাল শাস্তির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য দোয়া করে গেছে। অথচ আবিরও যে এই ঘটনার জন্য স্নেহাকে দায়ী মনে করে ওর সবকিছু স্নেহার কারণেই ধ্বংস হইছে ভাবতেছিল, এই রকম আশা স্নেহা সত্যিই করে নাই। এক্সিডেন্টের নয়দিন পর ২৪ জুন ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ডোমেস্টিক টার্মিনালে দাঁড়িয়ে আবির স্নেহাকে লিখছিল- ইউ হ্যাভ ডেস্ট্রয়েড মাই এভ্রিথিং...