কাশির দমকে আসা থুথুর দলা ফেলতে গিয়ে টাটকা রক্তের দলা দেখলো। চোখটাও সহনশীল হয়ে ওঠতেছে রক্তের এইসব কারবারে! মাথারটা মুখে আসলো, না বুকেরটা? স্নেহা কনফিউজড হয়ে হাসার চেষ্টা করে। লর্ডের লায়াবিলিটি শেষ হওয়ার পর অনেকক্ষণ ব্লু টুথ স্পিকারের গানে মনোযোগ ছিল না ওর। কানটা ওইদিকে দিতে গিয়ে মনে পড়লো, প্রায় তিন বছর হয় সিগারেট ছাড়ছে। আবিরের ইনফ্লুয়েন্সেই সিগারেটটা ছাড়তে পারছিল। স্মেলটাও এখন আর সহ্য করতে পারে না। এই রক্তারক্তি অবস্থায় বাথরুমের ফ্লোরে হেলান দিয়ে বসে একটা সিগারেট ঠোঁটে ঝুলিয়ে রাখতে ইচ্ছা করলো খুব। যদিও এর কোনো উপায় বা সুযোগ এখন নাই।
পারফেক্ট! জাজ-ব্লুজের মিউজিক ভেসে আসতেছে ব্লু টুথ স্পিকারে। দৃশ্যত এই পুরা ফ্ল্যাটের কোনো আনাচে-কানাচে সিগারেটের অস্তিত্ব না থাকলেও ইমাজিন করতে দোষ নাই তো কোনো, স্নেহা ভাবে। রক্তে লাল কাপড় গায়ে ভেজা শরীর, চোখ বন্ধ। ঠোঁটের কোনায় মার্লবোরো গোল্ডের ফিল নিতে নিতে স্নেহা বিলি হলিডের গানে কান পাতে-