স্নেহার খুব ক্লান্ত লাগে। আম্মার কাছে যেতে ইচ্ছা করে তখনই। কিন্তু ও তো বাথরুম থেকে উঠে রুম পর্যন্তই যেতে পারতেছে না। আম্মা হঠাৎ জিজ্ঞেস করে, তুই কি এভাবে নিজেকে ধুকে ধুকে মারার সিদ্ধান্ত নিছিস? স্নেহা দুষ্টুমি করতে হুম বললেও বিষয়টা যে আর দুষ্টুমিতে নাই আম্মার সাইলেন্সে বোঝা গেল। আমি মরার পর না হয় মরিস, আম্মা বললো। স্নেহার কান্না পায় খুব। কিন্তু এখন তো কাঁদা যাবে না মোটেও। ও হাসতে হাসতে বলে, তোমার হায়াত মাশআল্লাহ অনেকদিন রাখছেন আল্লাহ। এতদিন বেঁচে থাকা আমার জন্য খুব বোরিং বিষয় হয়ে যাবে। আম্মা উত্তর দিলেন, এইজন্যই মনে হয় আল্লাহ ক্যান্সারটা দ্রুতই ছড়িয়ে দিতেছে, তোর মনের আশা পূরণ করতে। স্নেহা কলটা কাটতে চায়। ওর কিছু ভালো লাগে না। আম্মা হয়তো বোঝেন। সকালে বাসায় আসিস বলে কল কেটে দেয়। স্নেহার ফ্রেডির মতো গাইতে ইচ্ছা করে-