আমাদের হাসি খুশি গ্রাম রূপনগর। জমিদার বাবু আসলেন থানায়। থানার প্রধান পুলিশ আমি। তার সাথে একটু ভাব সাব জমালাম। তিনি তো জমিদার একটু ভাব সাব থাকা ভালো। ধনলাই নদীর পাশপ এ গ্রমটি। অনেক দিন যাবৎ কোনো কেস নেই। যা আছে সব মারা মারি ধরা ধরি। আরাম আয়েশে দিন যায়। কিছুদিন পরে সুনি গ্রামের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি বুলবুল হোসেন এর আশ্চর্য জনক মৃত্যু। শুনে আমি আমার ঘোড়া নিয়ে ছুটে গেলাম। রূপনগর থেকে তার বাড়ি মাইল পাঁচ এক দুরে। ঘোড়া নিয়ে যেতে এক ঘণ্টার মোতো সময় লাগে। ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখি তার লাশ মেঝেতে পরে আছে। দুমরে মুচরে যাওয়া তার দেহটি তাদের বাড়ির কয়েকজনকে জেরা করলাম। এর মধ্যে কাজের তথ্য দিলো তার বড় ছেলে সুমন। সে বলল,"আমি আমার ঘরে ছিলাম, তখন বাবার চিৎকার শুনি। আমি আসছিলাম, এমন সময় জানালা দিয়ে দেখি একটি সাদা বাতী নদীতে ডুবে যাচ্ছে। এক সময় মিলিয়ে যায়"। অদ্ভুত ব্যাপারটা। ঘটনা স্থল থেকে অনেক কিছুর ছাপ নিলাম। অনেক দিন ঘাটা - ঘাটনি করলাম কিন্তু কিছু পেলাম না।
পার্ট– ২ পেতে কমেন্ট করুন।