
ধোপাছড়ির এই পথ ধরে যতবারই আমরা গেছি, প্রতিারই ইচ্ছে করে আরও কিছু দূর যাই, চড়াই-উৎরাই এর পিচ ঢালা রাস্তায় আরও একটি চূড়া অতিক্রম করি, রিভার বেসিনের চারপাশ জুড়ে ঘুরতে ইচ্ছে করে, মন চায় উপত্যকায় গা এলিয়ে কাটিয়ে দিই অবসন্ন দুপুর, কিন্তু দিনের আলো নিভে আসে, আমাদের ফিরে আসতে হয়। কর্মব্যস্ত দিনের ক্লান্তিময় অবসানে অফিস ফেরতা এই কেরানিরা খুব বেশী দূর যেতে পারিনা, পরের দিনের শিডিউল ধরতে ঘরে ফিরি, কাপড় বদলে বসে মোবাইলে ঘেঁটে দেখতে থাকি রিভার বেসিনে চড়ে বেড়ানো মুহূর্ত গুলো।
দোহাজারী পুরনো স্টেশন থেকে লালুটিয়া-বোমাংহাট সড়কের শেষ প্রান্ত চৌকিদার ফাঁড়ি ঘাট এর একটু আগে একটা তিন রাস্তার মোড়ের বামে ধোপাছড়ির দিকে প্রায় নয় কি.মি. পথ জুড়ে পিচ ঢালা এই পাহাড়ি রাস্তা। লোকালয় ছাড়িয়ে যেতেই দু'পাশ জুড়ে সেগুন, চাপালিশ, বহেড়া, গর্জনের অরণ্যময় পাহাড়, সাঙ্গুর ধারা একপাশে রচনা করেছে টলটলে স্বচ্ছ শান্তিময় একটি জলাশয়, দেখা যায় আবাদ, দূরের পানের বরজ। কিছু বালক বেতফল সংগ্রহে যায়, জীবনে বেতের বাড়ি অনেক খেলেও এবং বেতের বাড়ি খাওয়ার ফল বহুবছর বয়ে বেড়ালেও যেহেতু কখনও বেতফল খাওয়া হয়নি, ফিরতি পথে ফল আহরণে সফল বালকদের একজনের কাছ হতে আমরাও কিছু ফল সংগ্রহ করি।
আরও ছবি সহ ফেসবুক পোস্ট :