আমার ছেলে জনক ঋষি পাল, বয়স মাত্র ৬ বছর। ছোট্ট এই বয়সেই ওর চোখে স্বপ্ন, মনে কৌতূহল। একজন বাবা হিসেবে আমি দেখি, ও কীভাবে ধীরে ধীরে শিখছে আর বেড়ে উঠছে। তাই ভাবি, ওর অনুপ্রেরণার উৎসগুলো কী?
প্রথমেই আসে পরিবার। আমরা চেষ্টা করি তাকে ভালোবাসা, সততা আর ভদ্রতার শিক্ষা দিতে। সে আমাদের আচরণ দেখে, কথা শুনে শিখছে। আমি বুঝি, আমি যেমন হবো, আমার সন্তানও তেমনটাই শেখার চেষ্টা করবে।
এরপর শিক্ষক। স্কুলে তার শিক্ষকরা তাকে শুধু পড়ান না, বরং উৎসাহ দেন। একটি ছোট প্রশংসাও ওর মনে অনেক আনন্দ এনে দেয়। সেই আনন্দ থেকেই ও আরও ভালো কিছু করতে চায়।
বইও ওর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ছোটদের গল্পের বই পড়ে সে নতুন নতুন জগৎ চিনছে। সাহস, সততা আর পরিশ্রমের গল্পগুলো ওর মনে দাগ কাটছে।
বন্ধুদের সঙ্গেও সে অনেক কিছু শিখছে। খেলাধুলার মাধ্যমে ভাগাভাগি করা, একসাথে চলা—এসব গুণ তার মধ্যে তৈরি হচ্ছে।
আমি বিশ্বাস করি, এই ছোট ছোট অনুপ্রেরণাই একদিন তাকে বড় করে তুলবে। একজন বাবা হিসেবে আমার চাওয়া, জনক ঋষি পাল যেন একজন ভালো মানুষ হয়—সৎ, পরিশ্রমী আর মানবিক। তার অনুপ্রেরণার উৎসগুলো যেন তাকে সবসময় সঠিক পথ দেখায়।
14
View