"হায় আল্লাহ! এই অবস্থা কেন তোর? ছাতা নিস নাই?
" ইনায়া কিছু বলার আগেই আম্মু ওকে টেনে ভেতরে ডুকিয়ে দিল। নিজের আঁচল দিয়েই মেয়ের মাথা মুছতে লাগলো।
"জ্বর বাঁধাবি তো। কালকে তোর টেস্ট পরীক্ষা না? এই মেয়ে একটা কথাও শোনে না।
" ইনায়া কিছু বলবে তার আগেই উপর থেকে দুইটা ছোট টর্নেডো ছুটে আসলো।
নয় বছরের ইশরা আর ছয় বছরের ইজহান।দুই চাচাতো ভাই বোন।ইনায়াকে দেখেই দুইজন দৌড়ে এসে জরিয়ে ধরলো।
তখন ইনায়া তাদের বলল এই খবরদার! সরে যা ভিজে যাবি তোরা। কিন্তু ওরা শুনে কার কথা।
" বুবু বৃষ্টিতে তুমি ভয় পাও না?
"সরি আম্মু। রিকশা পাই নাই। আর..." ও থেমে গেল।
" যা ফ্রেশ হয়ে নে। আমি খাবার বাড়ছি।
ইনায়া উপরে নিজের রুমে চলে গেলো।
" ইনায়া চেয়ার টেনে বসলো চুপচাপ।
আম্মু নিজের হাতেই ভাত বেড়ে দিল—গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত, সাথে গরুর মাংস আর কি লাগে।
ফারহানা বেগম বললেন!"নে, খা। শরীরটা কি খারাপ লাগতাছে?
আম্মু তাকিয়ে আছে। "কি রে? কথা বলছিস না কেন? কলেজে কি কিছু হয়েছে?
ফারহানা বেগম দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, "খেয়ে ওষুধ খেয়ে নিস। আর রাতে বাহিরে যাবি না। ইনায়া " মাথা নাড়লো।