রাত ২টা।
মোবাইল স্ক্রিনে এখনও অনলাইন দেখাচ্ছে মায়াকে।
আরিফ অনেকক্ষণ ধরে টাইপ করে আবার ডিলিট করছে—
“কেমন আছো?”
এই ছোট্ট কথাটাও পাঠাতে পারছে না।
দুজনের পরিচয় হয়েছিল একেবারে হঠাৎ।
একটা ভুল নাম্বারে কল… তারপর ধীরে ধীরে গল্প…
গল্প থেকে …
আর অভ্যাস থেকে ভালোবাসা।
মায়া সবসময় বলতো—
“তুমি না থাকলে আমি একদম একা হয়ে যাই।”
আরিফ তখন হাসতো—
“আমি তো আছিই, কোথাও যাচ্ছি না।”
কিন্তু মানুষ যা ভাবে, জীবন সবসময় তা হতে দেয় না।
একদিন হঠাৎ মায়া বদলে গেল।
মেসেজ কম, কথা কম, আগের মতো হাসি নেই।
শেষে একদিন শুধু একটা মেসেজ—
“আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে… প্লিজ আর যোগাযোগ কোরো না।”
এরপর থেকে আরিফের ফোনে আর কোনো মেসেজ আসেনি।
আজ ৬ মাস পর হঠাৎ আবার মায়ার নাম জ্বলছে স্ক্রিনে।
মেসেজ—
“তুমি কি এখনো জেগে আছো?”
আরিফের বুক কেঁপে উঠলো।
হাজারো প্রশ্ন, হাজারো অভিমান…
তবুও সে লিখলো—
“হ্যাঁ, বলো।”
মায়ার রিপ্লাই—
“আমি ভালো নেই…”
আরিফ অনেকক্ষণ চুপ করে থাকলো।
তারপর লিখলো—
“তোমার তো ভালো থাকার কথা ছিল।”
ওপাশ থেকে আর কোনো রিপ্লাই নেই।
৫ মিনিট… ১০ মিনিট…
শেষে একটা ছোট্ট মেসেজ এল—
“সবাই পাশে থাকলেও, কিছু মানুষ ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ লাগে… তুমি সেই মানুষটা ছিলে।”
আরিফ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইলো।
তার চোখে পানি, কিন্তু ঠোঁটে হালকা হাসি।
সে শুধু লিখলো—
“আমি এখনও আছি… কিন্তু