গল্পের প্রথম অংশ গল্পে একটি মেয়েকে দেখা যায় যে খুবই আনন্দিত ছিল। কারণ আজ তার প্রিয় মানুষটির সাথে তার মেহেন্দি।কিন্তু সেদিন পেরিয়ে গেল তার আর মেহেন্দি অনুষ্ঠান হলো না। সে সেদিন দুখিয়ে পরল।এভাবেই তিনটি বছর কেটে গেল।একদিন সে পথে তার নিলয় কে দেখতে পেল অন্য একটি মেয়ের সাথে। সে বুঝতে পারল এটি নিলয় হবু বউ । কারণ নিলয়ের মা ঠিক এরকম মেয়েকে তার ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাইতেন।আর এই জন্যই তো তার সাথে সেদিন এমন একটি জঘন্য খেলা হয়েছিল। সে তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল।নিলয় এতে বলল দুজন মানুষের মধ্যে যদি তৃতীয় ব্যক্তি প্রবেশ করে তাহলে বিষয়টি ভালো লাগেনা।মেয়েটি বলল এরকম গরিবদের সাথে কথা বলার কি দরকার। নীলিমা ভেঙে পড়ল এবং তার বাসায় ফিরে গেল। বাসায় গিয়ে সে জানতে পারলো আজ নিলয়ের গায়ে হলুদ ও এনগেজমেন্ট। সে সেখানে যাওয়ার জন্য তার পরিবারকে জোর করতে লাগলো।অবশেষে তার পরিবারের সকলেই সেখানে উপস্থিত হলো।সেখানে নিলয়ের একটি ধনী বন্ধু নীলিমা কে পছন্দ করল। সে তার বিয়ের ব্যাপারটি সবাইকে বলল।যে সে নীলিমাকে বিবাহ করবে।এতে নীলিমা ও তার পরিবার রাজি হল।নিলয় তাকে বারণ করল। নিলয়ের অর্ধেক বাড়ি ভাগ ছিল তার বন্ধুর। তার বন্ধু বলল,এই বাড়িতেই ঠিক নিলয়ের বিয়ের দিনয় তার বন্ধুর বিয়ে হবে। নীলিমা বিয়ের দিন বিয়ের পিঁড়িতে উপস্থিত হল। কিন্তু সেদিন অনামিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।এ ব্যাপারটি নিলয় জানতে পারল।সে ভাবলো যদি আজ তার বিয়ে না হয় তাহলে সবাই তার ব্যাপারে কি ভাববে। হয়তো ভাববে তার মধ্যে কোন দোষ ছিল এজন্যই বিয়ের কনে তা জানতে পেরে এভাবে পালিয়ে গেছে। কিন্তু আসলে অনামিকা তার অ্যাক্সিডেন্ট করা বাবাকে দেখতে গিয়েছিল কাউকে না বলে। নিলয়ের মাথায় একটা ফন্দি এলো। সে তার বন্ধুকে অজ্ঞান করে নিজেই বিয়ের পিঁড়িতে ফুলের ঝাপটা দিয়ে বসে পড়ল এবং বিবাহটি সেখানেই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। কেউ তাকে চিনতেও পারলো না। গল্পের দ্বিতীয় অংশটি পরে পড়বে একটু দেরি করে আসবে।